অপরাধ
বাড়িতে ঢুকে মেশিন ও ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ, সিঙ্গার ম্যানেজারের বিরুদ্ধে
লালমনিরহাটে কিস্তিতে কেনা ইলেকট্রিক সেলাই মেশিনের কিস্তির টাকা পরিশোধ নিয়ে বিরোধের জেরে বসতবাড়িতে প্রবেশ করে সেলাই মেশিন, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে লালমনিরহাট আলোরুপা মোড় সিঙ্গার শোরুমের ম্যানেজারসহ চারজনের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় মোছাঃ রাশেদা খাতুন (৪০) লালমনিরহাট সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে সিঙ্গার শোরুমের ম্যানেজার মোঃ শরিফুল ইসলাম (৪২), ট্রেনিং অফিসার মোঃ মাজেদ (৩৫), সেলম্যান মোঃ আসাদুর রহমান (৩০) ও সেলসম্যান মোঃ আশরাফুল (৩০)-কে বিবাদী করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রাশেদা খাতুন গত ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লালমনিরহাট শহরের আলোরূপা বিডিআর রোড এলাকার একটি সিঙ্গার শোরুম থেকে কিস্তিতে একটি ইলেকট্রিক সেলাই মেশিন ক্রয় করেন। এরপর থেকে তিনি নিয়মিত মাসিক কিস্তি পরিশোধ করে আসছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১৬ সেপ্টেম্বর দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে কিস্তির টাকা পরিশোধের বিষয়ে শোরুম ম্যানেজার শরিফুল ইসলাম ফোন করেন। এ সময় রাশেদা জানান, তিনি বর্তমানে বগুড়ায় অবস্থান করছেন এবং কিস্তির টাকা দেওয়ার জন্য একটি বিকাশ নম্বর চান।
এরপর শরিফুল ইসলামসহ অপর তিনজন তার বসতবাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে তার বৃদ্ধ মাকে ধাক্কাধাক্কি ও কাপড় টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, একপর্যায়ে তারা ঘরে প্রবেশ করে জোরপূর্বক তার কিস্তিতে কেনা সেলাই মেশিনটি নিয়ে যান। ওই মেশিনের ড্রয়ারে রাখা ব্যবসার নগদ ১ লাখ ৬৫ হাজার ৩০০ টাকা এবং প্রায় ৮ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন, যার আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেছেন তিনি।
ঘটনার খবর পেয়ে রাশেদা খাতুন বগুড়া থেকে লালমনিরহাটে এসে বিষয়টি জানতে পারেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন। পরে তিনি শোরুমে গিয়ে তার টাকা ফেরত চাইলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও ভয়ভীতি দেখিয়ে শোরুম থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও দাবি করেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজনের সহযোগিতায় টাকা ও মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে তিনি লালমনিরহাট সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বলে জানান।
অভিযোগে সাক্ষী হিসেবে নারগীস আক্তার সুমি, মোছাঃ খোতেজা বেগম ও মোছাঃ আফরুজা বেগমের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে অভিযোগে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে নিতে গেলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে উদ্ধত আচরন করেন । অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
M

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাড়িতে ঢুকে মেশিন ও ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ, সিঙ্গার ম্যানেজারের বিরুদ্ধে
লালমনিরহাটে কিস্তিতে কেনা ইলেকট্রিক সেলাই মেশিনের কিস্তির টাকা পরিশোধ নিয়ে বিরোধের জেরে বসতবাড়িতে প্রবেশ করে সেলাই মেশিন, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে লালমনিরহাট আলোরুপা মোড় সিঙ্গার শোরুমের ম্যানেজারসহ চারজনের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় মোছাঃ রাশেদা খাতুন (৪০) লালমনিরহাট সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে সিঙ্গার শোরুমের ম্যানেজার মোঃ শরিফুল ইসলাম (৪২), ট্রেনিং অফিসার মোঃ মাজেদ (৩৫), সেলম্যান মোঃ আসাদুর রহমান (৩০) ও সেলসম্যান মোঃ আশরাফুল (৩০)-কে বিবাদী করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রাশেদা খাতুন গত ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে লালমনিরহাট শহরের আলোরূপা বিডিআর রোড এলাকার একটি সিঙ্গার শোরুম থেকে কিস্তিতে একটি ইলেকট্রিক সেলাই মেশিন ক্রয় করেন। এরপর থেকে তিনি নিয়মিত মাসিক কিস্তি পরিশোধ করে আসছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১৬ সেপ্টেম্বর দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে কিস্তির টাকা পরিশোধের বিষয়ে শোরুম ম্যানেজার শরিফুল ইসলাম ফোন করেন। এ সময় রাশেদা জানান, তিনি বর্তমানে বগুড়ায় অবস্থান করছেন এবং কিস্তির টাকা দেওয়ার জন্য একটি বিকাশ নম্বর চান।
এরপর শরিফুল ইসলামসহ অপর তিনজন তার বসতবাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে তার বৃদ্ধ মাকে ধাক্কাধাক্কি ও কাপড় টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, একপর্যায়ে তারা ঘরে প্রবেশ করে জোরপূর্বক তার কিস্তিতে কেনা সেলাই মেশিনটি নিয়ে যান। ওই মেশিনের ড্রয়ারে রাখা ব্যবসার নগদ ১ লাখ ৬৫ হাজার ৩০০ টাকা এবং প্রায় ৮ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন, যার আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেছেন তিনি।
ঘটনার খবর পেয়ে রাশেদা খাতুন বগুড়া থেকে লালমনিরহাটে এসে বিষয়টি জানতে পারেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন। পরে তিনি শোরুমে গিয়ে তার টাকা ফেরত চাইলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও ভয়ভীতি দেখিয়ে শোরুম থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও দাবি করেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজনের সহযোগিতায় টাকা ও মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে তিনি লালমনিরহাট সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বলে জানান।
অভিযোগে সাক্ষী হিসেবে নারগীস আক্তার সুমি, মোছাঃ খোতেজা বেগম ও মোছাঃ আফরুজা বেগমের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে অভিযোগে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে নিতে গেলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে উদ্ধত আচরন করেন । অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
M
