অপরাধ
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে কেন্দুয়া পৌর শহরের বিভিন্ন মাংসের দোকানে অভিযান চালিয়ে উপজেলা প্রশাসন এ জরিমানা করে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা চৌধুরী। এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মতিউর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানকালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৩৮ ধারায় দোকানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করায় ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া আরাধন বেপারী নামের আরেক ব্যবসায়ীকে অভিযানের সময় দোকানে পাওয়া যায়নি। তার বিরুদ্ধে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
অন্যদিকে, কেন্দুয়া তরকারি মহালের আবুল হাশেমের মাংসের দোকানে অভিযান চালিয়ে পশু জবাই ও মাংস নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১-এর ৫ ও ৮ ধারার বিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় আইনের ২৪ ধারায় তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
অভিযান শেষে ইউএনও সানজিদা চৌধুরী বলেন, মাংস বিক্রির ক্ষেত্রে নির্ধারিত আইন ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, দোকানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং ভোক্তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, মাংসের দোকানে প্রশাসনের এ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্রেতারা। নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত মাংস নিশ্চিত করতে নিয়মিতভাবে খাদ্য নিরাপত্তা ও বাজার তদারকি কার্যক্রম জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে কেন্দুয়া পৌর শহরের বিভিন্ন মাংসের দোকানে অভিযান চালিয়ে উপজেলা প্রশাসন এ জরিমানা করে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা চৌধুরী। এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মতিউর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানকালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৩৮ ধারায় দোকানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করায় ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া আরাধন বেপারী নামের আরেক ব্যবসায়ীকে অভিযানের সময় দোকানে পাওয়া যায়নি। তার বিরুদ্ধে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
অন্যদিকে, কেন্দুয়া তরকারি মহালের আবুল হাশেমের মাংসের দোকানে অভিযান চালিয়ে পশু জবাই ও মাংস নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১-এর ৫ ও ৮ ধারার বিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় আইনের ২৪ ধারায় তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
অভিযান শেষে ইউএনও সানজিদা চৌধুরী বলেন, মাংস বিক্রির ক্ষেত্রে নির্ধারিত আইন ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, দোকানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং ভোক্তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, মাংসের দোকানে প্রশাসনের এ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্রেতারা। নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত মাংস নিশ্চিত করতে নিয়মিতভাবে খাদ্য নিরাপত্তা ও বাজার তদারকি কার্যক্রম জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
