শিক্ষা
শিক্ষার মানোন্নয়ন, শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির বাস্তব চিত্র দেখতে নেত্রকোনা জেলার বিভিন্ন উপজেলার ১০টি সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আকস্মিক পরিদর্শন করা হয়েছে।
গতকাল ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সম্মানিত চেয়ারম্যান প্রফেসর আ জ ম রেজাউল করিম খান স্যারের নেতৃত্বে জেলার সদর, বারহাট্টা, মোহনগঞ্জ ও খালিয়াজুড়ি উপজেলার এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়।
পরিদর্শনকালে বিকেল ৪টার দিকেও প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম চলমান থাকতে দেখা যায়। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও ছিল সন্তোষজনক। বিশেষ করে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও শ্রেণিকক্ষের কার্যক্রম পরিদর্শনকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষা কার্যক্রমের এমন চিত্র শিক্ষকদের আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও শিক্ষকরা নিয়মিত পাঠদান চালিয়ে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়ার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
পরিদর্শনের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বাস্তব চিত্র সরাসরি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি শিক্ষার পরিবেশ, শ্রেণিকক্ষের কার্যক্রম এবং উপস্থিতির বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়।
প্রত্যন্ত অঞ্চলের এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ঘিরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের এমন ধারাবাহিক প্রচেষ্টা আশার বার্তা দিচ্ছে। শিক্ষা কার্যক্রমের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে দুর্গম জনপদেও শিক্ষার আলো আরও বিস্তৃত হবে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
“এখনো এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্যারেরা আলো জ্বালিয়ে রাখছেন—আলো আসবেই।”

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিক্ষার মানোন্নয়ন, শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির বাস্তব চিত্র দেখতে নেত্রকোনা জেলার বিভিন্ন উপজেলার ১০টি সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আকস্মিক পরিদর্শন করা হয়েছে।
গতকাল ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সম্মানিত চেয়ারম্যান প্রফেসর আ জ ম রেজাউল করিম খান স্যারের নেতৃত্বে জেলার সদর, বারহাট্টা, মোহনগঞ্জ ও খালিয়াজুড়ি উপজেলার এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়।
পরিদর্শনকালে বিকেল ৪টার দিকেও প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম চলমান থাকতে দেখা যায়। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও ছিল সন্তোষজনক। বিশেষ করে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও শ্রেণিকক্ষের কার্যক্রম পরিদর্শনকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষা কার্যক্রমের এমন চিত্র শিক্ষকদের আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও শিক্ষকরা নিয়মিত পাঠদান চালিয়ে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়ার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
পরিদর্শনের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বাস্তব চিত্র সরাসরি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি শিক্ষার পরিবেশ, শ্রেণিকক্ষের কার্যক্রম এবং উপস্থিতির বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়।
প্রত্যন্ত অঞ্চলের এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ঘিরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের এমন ধারাবাহিক প্রচেষ্টা আশার বার্তা দিচ্ছে। শিক্ষা কার্যক্রমের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে দুর্গম জনপদেও শিক্ষার আলো আরও বিস্তৃত হবে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
“এখনো এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্যারেরা আলো জ্বালিয়ে রাখছেন—আলো আসবেই।”
