অপরাধ
চুয়াডাঙ্গা স্টেশন ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই মোবাইল ও টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা নিয়ে আতঙ্ক রয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। বিশেষ করে ট্রেনযাত্রীদের টার্গেট করে সংঘবদ্ধ চক্রটি কাজ করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এমনই এক ঘটনার শিকার হন চুয়াডাঙ্গা শহরের ফার্মপাড়ার বাসিন্দা ইউসুফ। গত ১৬ মে শনিবার সকালে ট্রেনে ওঠার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হলে গমপট্টি এলাকায় ভিড়ের সুযোগ নিয়ে তার কাছ থেকে ৩৯ হাজার ৫০০ টাকা ও ব্যবহৃত একটি আইফোন-১৪ চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি ধাওয়া করলেও অভিযুক্ত পালিয়ে যায়।
ঘটনার কয়েকদিন পর শুক্রবার সকালে গমপট্টি এলাকায় একই ব্যক্তিকে দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে আটক করেন ইউসুফ। পরে গণধোলাই শেষে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় তাকে। এ সময় তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় চুরি হওয়া আইফোন ও ৩০ হাজার টাকা।
আটক ব্যক্তি জামালপুর জেলার ইসলামপুর মধ্যপাড়ার বাচ্চু মিয়ার ছেলে ফারুক হোসেন। তাকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বেরিয়ে আসে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে এসআই শরিফুজ্জামান, এএসআই রমেন কুমার সরকার ও এএসআই রঞ্জু আহমেদসহ পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। ফারুককে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আরও দুটি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, এটি একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র। স্টেশন এলাকা ও ট্রেনের যাত্রীদের টার্গেট করেই তারা কাজ করত। মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার পর ফোনে থাকা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়া হতো। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে ওই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ঋণ নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।
পুলিশের দাবি, চুয়াডাঙ্গায় এই চক্রের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রয়েছে এবং এর নেতৃত্বে স্থানীয় একজন রয়েছেন। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা স্টেশন ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই মোবাইল ও টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা নিয়ে আতঙ্ক রয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। বিশেষ করে ট্রেনযাত্রীদের টার্গেট করে সংঘবদ্ধ চক্রটি কাজ করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এমনই এক ঘটনার শিকার হন চুয়াডাঙ্গা শহরের ফার্মপাড়ার বাসিন্দা ইউসুফ। গত ১৬ মে শনিবার সকালে ট্রেনে ওঠার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হলে গমপট্টি এলাকায় ভিড়ের সুযোগ নিয়ে তার কাছ থেকে ৩৯ হাজার ৫০০ টাকা ও ব্যবহৃত একটি আইফোন-১৪ চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি ধাওয়া করলেও অভিযুক্ত পালিয়ে যায়।
ঘটনার কয়েকদিন পর শুক্রবার সকালে গমপট্টি এলাকায় একই ব্যক্তিকে দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে আটক করেন ইউসুফ। পরে গণধোলাই শেষে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় তাকে। এ সময় তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় চুরি হওয়া আইফোন ও ৩০ হাজার টাকা।
আটক ব্যক্তি জামালপুর জেলার ইসলামপুর মধ্যপাড়ার বাচ্চু মিয়ার ছেলে ফারুক হোসেন। তাকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বেরিয়ে আসে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে এসআই শরিফুজ্জামান, এএসআই রমেন কুমার সরকার ও এএসআই রঞ্জু আহমেদসহ পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। ফারুককে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আরও দুটি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, এটি একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র। স্টেশন এলাকা ও ট্রেনের যাত্রীদের টার্গেট করেই তারা কাজ করত। মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার পর ফোনে থাকা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়া হতো। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে ওই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ঋণ নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।
পুলিশের দাবি, চুয়াডাঙ্গায় এই চক্রের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রয়েছে এবং এর নেতৃত্বে স্থানীয় একজন রয়েছেন। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
