দূর্ঘটনা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় গভীর রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরে গেল এক পরিশ্রমী মানুষের জীবন। ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন এক লন্ড্রি ব্যবসায়ী, আহত হয়েছেন আরও তিনজন।
সোমবার (৩০ মার্চ) রাত আনুমানিক ২টা ৪৫ মিনিটে আখাউড়া পৌরসভার খড়মপুর বাইপাস মোড়ে ঘটে এই হৃদয়বিদারক ঘটনা। নিহত সুবল চন্দ্র দাস (৫২) উপজেলার দূর্গাপুর মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। প্রতিদিনের মতো জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া এই মানুষটি হয়তো সেদিনও ফিরছিলেন পরিবারের কাছে—কিন্তু আর ফেরা হলো না।
পুলিশ জানায়, খড়মপুর বাইপাস চৌরাস্তা থেকে নারায়ণপুর বাইপাসের দিকে যাওয়ার সময় একটি দ্রুতগামী ট্রাকের সঙ্গে অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। বিকট শব্দে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় অটোরিকশাটি। ঘটনাস্থলেই নিথর হয়ে পড়েন সুবল চন্দ্র দাস—শেষ হয়ে যায় তার সকল স্বপ্ন, সকল সংগ্রাম।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আখাউড়া থানা পুলিশ। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়, আর স্থানীয়দের সহায়তায় রক্তাক্ত অবস্থায় আহত চালকসহ তিনজনকে উদ্ধার করে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়—যেখানে তারা এখনো জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন।
এই দুর্ঘটনায় ট্রাক চালক কাউছার মিয়া (৩২) কে ট্রাকসহ আটক করেছে পুলিশ। আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাবেদ উল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
একটি দুর্ঘটনা শুধু একটি প্রাণ কেড়ে নেয় না—পেছনে ফেলে যায় এক শোকস্তব্ধ পরিবার, অপূর্ণ স্বপ্ন আর আজীবনের হাহাকার। সুবল চন্দ্র দাসের পরিবারের জন্য এই রাতটি হয়ে থাকলো এক অনন্ত অন্ধকারের শুরু।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় গভীর রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরে গেল এক পরিশ্রমী মানুষের জীবন। ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন এক লন্ড্রি ব্যবসায়ী, আহত হয়েছেন আরও তিনজন।
সোমবার (৩০ মার্চ) রাত আনুমানিক ২টা ৪৫ মিনিটে আখাউড়া পৌরসভার খড়মপুর বাইপাস মোড়ে ঘটে এই হৃদয়বিদারক ঘটনা। নিহত সুবল চন্দ্র দাস (৫২) উপজেলার দূর্গাপুর মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। প্রতিদিনের মতো জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া এই মানুষটি হয়তো সেদিনও ফিরছিলেন পরিবারের কাছে—কিন্তু আর ফেরা হলো না।
পুলিশ জানায়, খড়মপুর বাইপাস চৌরাস্তা থেকে নারায়ণপুর বাইপাসের দিকে যাওয়ার সময় একটি দ্রুতগামী ট্রাকের সঙ্গে অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। বিকট শব্দে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় অটোরিকশাটি। ঘটনাস্থলেই নিথর হয়ে পড়েন সুবল চন্দ্র দাস—শেষ হয়ে যায় তার সকল স্বপ্ন, সকল সংগ্রাম।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আখাউড়া থানা পুলিশ। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়, আর স্থানীয়দের সহায়তায় রক্তাক্ত অবস্থায় আহত চালকসহ তিনজনকে উদ্ধার করে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়—যেখানে তারা এখনো জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন।
এই দুর্ঘটনায় ট্রাক চালক কাউছার মিয়া (৩২) কে ট্রাকসহ আটক করেছে পুলিশ। আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাবেদ উল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
একটি দুর্ঘটনা শুধু একটি প্রাণ কেড়ে নেয় না—পেছনে ফেলে যায় এক শোকস্তব্ধ পরিবার, অপূর্ণ স্বপ্ন আর আজীবনের হাহাকার। সুবল চন্দ্র দাসের পরিবারের জন্য এই রাতটি হয়ে থাকলো এক অনন্ত অন্ধকারের শুরু।
