সাক্ষাৎকারসাক্ষাৎকার

রিজওয়ানা হাসানের বক্তব্য ঘিরে অনলাইন যুদ্ধ

|
শেয়ার করুন
অ+ অ-

সম্প্রতি পরিবেশবিদ ও আইনজীবী রিজওয়ানা হাসান–এর একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রায় ২৫ মিনিটের ওই সাক্ষাৎকারে তিনি উগ্রবাদ, নারীর প্রতি বিদ্বেষমূলক আচরণ এবং সমাজে চরমপন্থী শক্তির প্রভাব নিয়ে কথা বলেন।

সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে কিছু উগ্রবাদী গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ড—যেমন মাজার ভাঙচুর, নারীদের প্রতি কটূক্তি এবং ধর্মীয় উগ্রতার প্রকাশ—সমাজে উদ্বেগ তৈরি করেছিল। নারীদের উদ্দেশে করা কটূক্তির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট পক্ষ পরবর্তীতে একপর্যায়ে ক্ষমা চেয়েছিল।

আলোচনার এক পর্যায়ে সাংবাদিকের প্রশ্নে বলা হয়, যেসব উগ্রবাদী শক্তির কথা বলা হচ্ছে, তাদের একটি অংশ বর্তমানে বিরোধী রাজনীতিতেও সক্রিয়। উত্তরে রিজওয়ানা হাসান বলেন, যদি এমন কোনো শক্তি বিরোধী রাজনীতিতে থেকেও থাকে, তবে তাদের রাজনীতির যেসব অংশ নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়নের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, সেসব বিষয়ে সমালোচনা ও কাজ করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, সমাজে এমন কোনো উগ্র বা নারীবিদ্বেষী শক্তি যাতে মূলধারায় জায়গা করে নিতে না পারে, সে বিষয়ে নাগরিক সমাজ ও সচেতন মহলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তার ভাষ্য অনুযায়ী, অতীতে এই ধরনের শক্তিকে মূলধারায় প্রভাব বিস্তার করতে না দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু উদ্যোগ সফল হয়েছিল।

তবে সাক্ষাৎকারে তিনি নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দল বা আসন্ন নির্বাচন নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করেননি।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাক্ষাৎকারের বিভিন্ন অংশ ঘিরে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ এটিকে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রসঙ্গ হিসেবে দেখছেন, আবার অন্যরা বলছেন—তার বক্তব্য মূলত উগ্রবাদ ও নারীবিদ্বেষী প্রবণতার সমালোচনাকেই কেন্দ্র করে ছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, জনপরিসরে আলোচিত বক্তব্যের ক্ষেত্রে পূর্ণ সাক্ষাৎকার ও প্রেক্ষাপট বিবেচনা করেই মতামত দেওয়া 

Public Voice

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬


রিজওয়ানা হাসানের বক্তব্য ঘিরে অনলাইন যুদ্ধ

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬

featured Image

সম্প্রতি পরিবেশবিদ ও আইনজীবী রিজওয়ানা হাসান–এর একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রায় ২৫ মিনিটের ওই সাক্ষাৎকারে তিনি উগ্রবাদ, নারীর প্রতি বিদ্বেষমূলক আচরণ এবং সমাজে চরমপন্থী শক্তির প্রভাব নিয়ে কথা বলেন।

সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে কিছু উগ্রবাদী গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ড—যেমন মাজার ভাঙচুর, নারীদের প্রতি কটূক্তি এবং ধর্মীয় উগ্রতার প্রকাশ—সমাজে উদ্বেগ তৈরি করেছিল। নারীদের উদ্দেশে করা কটূক্তির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট পক্ষ পরবর্তীতে একপর্যায়ে ক্ষমা চেয়েছিল।

আলোচনার এক পর্যায়ে সাংবাদিকের প্রশ্নে বলা হয়, যেসব উগ্রবাদী শক্তির কথা বলা হচ্ছে, তাদের একটি অংশ বর্তমানে বিরোধী রাজনীতিতেও সক্রিয়। উত্তরে রিজওয়ানা হাসান বলেন, যদি এমন কোনো শক্তি বিরোধী রাজনীতিতে থেকেও থাকে, তবে তাদের রাজনীতির যেসব অংশ নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়নের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, সেসব বিষয়ে সমালোচনা ও কাজ করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, সমাজে এমন কোনো উগ্র বা নারীবিদ্বেষী শক্তি যাতে মূলধারায় জায়গা করে নিতে না পারে, সে বিষয়ে নাগরিক সমাজ ও সচেতন মহলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তার ভাষ্য অনুযায়ী, অতীতে এই ধরনের শক্তিকে মূলধারায় প্রভাব বিস্তার করতে না দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু উদ্যোগ সফল হয়েছিল।

তবে সাক্ষাৎকারে তিনি নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দল বা আসন্ন নির্বাচন নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করেননি।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাক্ষাৎকারের বিভিন্ন অংশ ঘিরে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ এটিকে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রসঙ্গ হিসেবে দেখছেন, আবার অন্যরা বলছেন—তার বক্তব্য মূলত উগ্রবাদ ও নারীবিদ্বেষী প্রবণতার সমালোচনাকেই কেন্দ্র করে ছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, জনপরিসরে আলোচিত বক্তব্যের ক্ষেত্রে পূর্ণ সাক্ষাৎকার ও প্রেক্ষাপট বিবেচনা করেই মতামত দেওয়া 


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত