অন্যান্য
এই প্যাকেজের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এর নমনীয় পেমেন্ট সিস্টেম। একজন ধর্মপ্রাণ মুসলমান চাইলে প্রতিদিন মাত্র ২০০ টাকা করে জমিয়ে আগামী দুই বছরের মধ্যে ওমরাহ্ পালনের প্রস্তুতি নিতে পারেন। মোট ১,৪৪,০০০ (এক লক্ষ চুয়াল্লিশ হাজার) টাকার এই প্যাকেজে সঞ্চয়ের সুযোগ থাকছে চারটি পদ্ধতিতে:
১. দৈনিক: ২০০ টাকা করে।
২. মাসিক: ৬,০০০ টাকা করে।
৩. বাৎসরিক: ৭২,০০০ টাকা করে।
৪. এককালীন: সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধের সুবিধা।
এই গ্রুপের উমরাহ্ প্যাকেজটি সম্পূর্ণ সমবায়ভিত্তিক। অর্থাৎ, হজ-কাফেলার খরচ শেষে যদি কোনো অর্থ অবশিষ্ট থাকে, তবে তা সকল সদস্যের মাঝে সমানভাবে বণ্টন করে দেওয়া হবে। এছাড়া সুদভুক্ত ব্যাংকিং সুবিধার মাধ্যমে সদস্যদের জমাকৃত টাকা আমানত হিসেবে রাখা হয়।
প্যাকেজটির স্বচ্ছতা ও সঠিক নিয়ম নিশ্চিতে সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছেন মুফতি মুহাম্মদ আবদুর রহমান আজাদ (খতিব, বাইতুস সামাদ নূর জামে মসজিদ ও প্রতিষ্ঠাতা-পরিচালক, দাওয়াতুল কুরআন তৃতীয় লিঙ্গের মাদ্রাসা)। এছাড়া স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ব্যবসায়ী নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী পরিচালনা পরিষদ এই কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
সাধারণ মানুষের মাঝে এই উদ্যোগটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। যারা অল্প অল্প করে সঞ্চয় করে আল্লাহর ঘর জিয়ারত করতে চান, তাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ হতে পারে।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
এই প্যাকেজের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এর নমনীয় পেমেন্ট সিস্টেম। একজন ধর্মপ্রাণ মুসলমান চাইলে প্রতিদিন মাত্র ২০০ টাকা করে জমিয়ে আগামী দুই বছরের মধ্যে ওমরাহ্ পালনের প্রস্তুতি নিতে পারেন। মোট ১,৪৪,০০০ (এক লক্ষ চুয়াল্লিশ হাজার) টাকার এই প্যাকেজে সঞ্চয়ের সুযোগ থাকছে চারটি পদ্ধতিতে:
১. দৈনিক: ২০০ টাকা করে।
২. মাসিক: ৬,০০০ টাকা করে।
৩. বাৎসরিক: ৭২,০০০ টাকা করে।
৪. এককালীন: সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধের সুবিধা।
এই গ্রুপের উমরাহ্ প্যাকেজটি সম্পূর্ণ সমবায়ভিত্তিক। অর্থাৎ, হজ-কাফেলার খরচ শেষে যদি কোনো অর্থ অবশিষ্ট থাকে, তবে তা সকল সদস্যের মাঝে সমানভাবে বণ্টন করে দেওয়া হবে। এছাড়া সুদভুক্ত ব্যাংকিং সুবিধার মাধ্যমে সদস্যদের জমাকৃত টাকা আমানত হিসেবে রাখা হয়।
প্যাকেজটির স্বচ্ছতা ও সঠিক নিয়ম নিশ্চিতে সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছেন মুফতি মুহাম্মদ আবদুর রহমান আজাদ (খতিব, বাইতুস সামাদ নূর জামে মসজিদ ও প্রতিষ্ঠাতা-পরিচালক, দাওয়াতুল কুরআন তৃতীয় লিঙ্গের মাদ্রাসা)। এছাড়া স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ব্যবসায়ী নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী পরিচালনা পরিষদ এই কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
সাধারণ মানুষের মাঝে এই উদ্যোগটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। যারা অল্প অল্প করে সঞ্চয় করে আল্লাহর ঘর জিয়ারত করতে চান, তাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ হতে পারে।
