ক্যাম্পাস
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীদের কক্ষে চুরি করতে এসে এক যুবককে আটক করার পর শাস্তি বা মারধরের পথ বেছে না নিয়ে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ইফতারির ঠিক পূর্ব মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন একটি বাসস্থানে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, ইফতারের সময় ঘনিয়ে এলে শিক্ষার্থীরা চোরটিকে টুপি পরিয়ে দেন। এরপর সূরা নাস পাঠ করতে বলেন। নিজেদের সঙ্গে বসিয়ে ইফতার করান। খেজুর, পানি ও অন্যান্য খাবার ভাগাভাগি করে খাওয়ান।
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শী সাব্বির হাসান সাকিন বলেন, আমাদের এক বন্ধু অপরিচিত এক ব্যক্তিকে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করতে দেখেন। এরপর তাৎক্ষণিক সন্দেহ হলে আশপাশে কোথাও খুঁজে না পেয়ে ছাদে গেলে সেখানে তার দেখা মেলে। এরপর সেখান থেকে ধরে আমাদের রুমে নিয়ে আসা হয়, অনেকেই আঘাত করতে চেয়েছে, কিন্তু আমরা (শিক্ষার্থীরা) আঘাত করতে দিইনি।
তিনি আরো বলেন, এরপর তাকে কোনোরূপ ভয়-ভীতি না দেখিয়ে তার পছন্দের খাবার জিলাপি খাইয়ে আমাদের সবার সাথে ইফতার করাই। ইফতার শেষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা প্রশাসনের কাছে তাকে হস্তান্তর করি। এবং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তার মা আসে, মায়ের অনুনয় ও বিনয়ের ফলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট অনুরোধ জানিয়ে আসি, যেন তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত শাহেদ ইসলাম জানান, আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তরের প্রধান ডেপুটি রেজিস্টার আব্দুর রহিম স্যারের সাথে যোগাযোগ করেছি, তিনি হাটহাজারি থানার ওসির সাথে যোগাযোগ করে চুরিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, পবিত্র রমজানের সংযম ও সহমর্মিতার বার্তা যেন এ ঘটনার মধ্য দিয়ে নতুন করে সামনে এলো। শাস্তির বদলে সহানুভূতির যে দৃষ্টান্ত শিক্ষার্থীরা স্থাপন করেছেন, তা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীদের কক্ষে চুরি করতে এসে এক যুবককে আটক করার পর শাস্তি বা মারধরের পথ বেছে না নিয়ে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ইফতারির ঠিক পূর্ব মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন একটি বাসস্থানে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, ইফতারের সময় ঘনিয়ে এলে শিক্ষার্থীরা চোরটিকে টুপি পরিয়ে দেন। এরপর সূরা নাস পাঠ করতে বলেন। নিজেদের সঙ্গে বসিয়ে ইফতার করান। খেজুর, পানি ও অন্যান্য খাবার ভাগাভাগি করে খাওয়ান।
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শী সাব্বির হাসান সাকিন বলেন, আমাদের এক বন্ধু অপরিচিত এক ব্যক্তিকে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করতে দেখেন। এরপর তাৎক্ষণিক সন্দেহ হলে আশপাশে কোথাও খুঁজে না পেয়ে ছাদে গেলে সেখানে তার দেখা মেলে। এরপর সেখান থেকে ধরে আমাদের রুমে নিয়ে আসা হয়, অনেকেই আঘাত করতে চেয়েছে, কিন্তু আমরা (শিক্ষার্থীরা) আঘাত করতে দিইনি।
তিনি আরো বলেন, এরপর তাকে কোনোরূপ ভয়-ভীতি না দেখিয়ে তার পছন্দের খাবার জিলাপি খাইয়ে আমাদের সবার সাথে ইফতার করাই। ইফতার শেষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা প্রশাসনের কাছে তাকে হস্তান্তর করি। এবং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তার মা আসে, মায়ের অনুনয় ও বিনয়ের ফলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট অনুরোধ জানিয়ে আসি, যেন তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত শাহেদ ইসলাম জানান, আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তরের প্রধান ডেপুটি রেজিস্টার আব্দুর রহিম স্যারের সাথে যোগাযোগ করেছি, তিনি হাটহাজারি থানার ওসির সাথে যোগাযোগ করে চুরিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, পবিত্র রমজানের সংযম ও সহমর্মিতার বার্তা যেন এ ঘটনার মধ্য দিয়ে নতুন করে সামনে এলো। শাস্তির বদলে সহানুভূতির যে দৃষ্টান্ত শিক্ষার্থীরা স্থাপন করেছেন, তা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
