অপরাধ
বিজয়নগর থানা পুলিশের অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের এক সর্দারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডাকাতির ঘটনায় লুট হওয়া একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি. রাত আনুমানিক ১২টা ১০ মিনিটে বিজয়নগর থানার একটি চৌকস দল অভিযান চালিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানাধীন গোকর্ণঘাট এলাকা থেকে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দারকে আটক করে। গ্রেফতারের পর তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর এলাকা থেকে একটি Apache RTR 160 CC মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিট থেকে ২টার মধ্যে বিজয়নগর থানাধীন চান্দুরা ইউনিয়নের পশারচাঁদ এলাকায়, ফুলতলী-হাজীপুরগামী পাকা সড়কে একটি ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে বিজয়নগর থানায় একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার পর থেকেই ডাকাত দলের সদস্যদের গ্রেফতার ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে ধারাবাহিক অভিযান চালায় পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি. বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ও লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে গান করার বাঁশির ব্যাগসহ সাউন্ড কার্ড প্রসেসর, বিদেশি বাঁশিসহ অন্যান্য সামগ্রী, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা, এবং একটি Moto G31 মডেলের মোবাইল ফোন।
এ সময় ডাকাতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। তারা হলেন—
সোহেল মিয়া (৩৫), শামীম মিয়া (৩২), মামুন মিয়া (২৩), ওলি মিয়া (২৩), মো. হানিফ ওরফে রুবেল (৩৯) ও মো. জয়নাল (৪০)।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ডাকাত সর্দার এমদাদুল হক মিলন ওরফে রিপন–এর বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলায় অন্তত ১২টি ডাকাতি মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত ডাকাত সর্দারের পরিচয় এমদাদুল হক মিলন ওরফে রিপন (৩৮), পিতা: মো. জাহের মিয়া, গ্রাম: চানপুর, থানা: বিজয়নগর, জেলা: ব্রাহ্মণবাড়িয়া
পুলিশ জানিয়েছে, ডাকাত দলের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতার এবং লুট হওয়া বাকি মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিজয়নগর থানা পুলিশের অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের এক সর্দারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডাকাতির ঘটনায় লুট হওয়া একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি. রাত আনুমানিক ১২টা ১০ মিনিটে বিজয়নগর থানার একটি চৌকস দল অভিযান চালিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানাধীন গোকর্ণঘাট এলাকা থেকে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দারকে আটক করে। গ্রেফতারের পর তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর এলাকা থেকে একটি Apache RTR 160 CC মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিট থেকে ২টার মধ্যে বিজয়নগর থানাধীন চান্দুরা ইউনিয়নের পশারচাঁদ এলাকায়, ফুলতলী-হাজীপুরগামী পাকা সড়কে একটি ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে বিজয়নগর থানায় একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার পর থেকেই ডাকাত দলের সদস্যদের গ্রেফতার ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে ধারাবাহিক অভিযান চালায় পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি. বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ও লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে গান করার বাঁশির ব্যাগসহ সাউন্ড কার্ড প্রসেসর, বিদেশি বাঁশিসহ অন্যান্য সামগ্রী, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা, এবং একটি Moto G31 মডেলের মোবাইল ফোন।
এ সময় ডাকাতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। তারা হলেন—
সোহেল মিয়া (৩৫), শামীম মিয়া (৩২), মামুন মিয়া (২৩), ওলি মিয়া (২৩), মো. হানিফ ওরফে রুবেল (৩৯) ও মো. জয়নাল (৪০)।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ডাকাত সর্দার এমদাদুল হক মিলন ওরফে রিপন–এর বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলায় অন্তত ১২টি ডাকাতি মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত ডাকাত সর্দারের পরিচয় এমদাদুল হক মিলন ওরফে রিপন (৩৮), পিতা: মো. জাহের মিয়া, গ্রাম: চানপুর, থানা: বিজয়নগর, জেলা: ব্রাহ্মণবাড়িয়া
পুলিশ জানিয়েছে, ডাকাত দলের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতার এবং লুট হওয়া বাকি মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
