ক্যাম্পাসক্যাম্পাস

নবীনদের বরণ করে নিল চবি তরুণ কলাম লেখক ফোরাম

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে লেখালেখিতে আগ্রহী তরুণদের জন্য নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে ‘মাসব্যাপী তরুণ লেখক প্রশিক্ষণ কর্মশালা–২০২৬’ এর নবীনবরণ ও আনুষ্ঠানিকতার সূচনা হয়েছে।

আজ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদে নবীন লেখকদের বরণ ও কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হয়। উদ্বোধনী কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াহইয়া আখতার। তিনি বলেন, পাঠকের চেয়ে লেখক বেশি। তবে মূলকথা হলো, লেখালেখি করতে গেলে লেখক হওয়ার আগে পাঠক হওয়া চাই। এছাড়া তিনি নবীন লেখকদের লেখালেখি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন।

এ সময় অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে ছিলেন দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনের অভিজ্ঞ ও প্রথিতযশা দুই ব্যক্তি। চট্টগ্রাম অঞ্চলের জনপ্রিয় দৈনিক আজাদী পত্রিকার নাট্যজন ও ফিচার সম্পাদক প্রদীপ দেওয়ানজী। তিনি আলোচনা করেন ফিচার ও নাগরিক সাংবাদিকতা নিয়ে। ফিচার লেখার নান্দনিকতা, বিষয় নির্বাচন এবং নাগরিক সাংবাদিকতার দায়িত্ব ও সম্ভাবনা তুলে ধরেন।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স ফোরামের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ফোরামের উপদেষ্টা অলীউর রহমান আলোচনা করেন কলাম লেখার কলাকৌশল বিষয়ে। তাঁর আলোচনায় কলামের ভাষা, যুক্তির বিন্যাস ও পাঠকের সঙ্গে সংযোগ তৈরির কৌশলে গুরুত্ব দেন। এ সময় তিনি ছাড়াও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষক মিজানুর রহমান।

আয়োজকরা জানান, নিবন্ধন সম্পন্ন করা সকল নবীন সদস্যকে কর্মশালায় উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের জন্য লেখক ফোরামের লোগো অঙ্কিত কলম ও নোটপ্যাডের পাশাপাশি মধ্যাহ্ন ভোজের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছিল।

নবীন লেখকদের উদ্দেশ্যে ফোরামের সভাপতি ইসমাইল হোসেন ইমন বলেন, লেখালেখিকে পেশাদার ও দায়িত্বশীল চর্চায় রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে মাসব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়েছে। তাঁর ভাষায়, এই কর্মশালা নবীনদের জন্য কেবল প্রশিক্ষণের জায়গা নয়; বরং শেখা, নিয়মিত অনুশীলন এবং সচেতন লেখালেখির অভ্যাস গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। এখানে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের ভাবনা শাণিত করার পাশাপাশি লেখক হিসেবে দায়িত্ব ও সংবেদনশীলতার জায়গাটিও বুঝে নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোনেম শাহরিয়ার শাওন বলেন, সুপ্ত প্রতিভাকে লেখনীর মাধ্যমে প্রকাশ করতে হলে প্রথমে নিজের চিন্তাকে সমৃদ্ধ করতে হবে, ভাবতে হবে যা লিখতে হয় তার বিষয়বস্তু নিয়ে, কেননা মানুষ তার চিন্তার সমান, অনুভূতির সমান।অতপর সেই চিন্তাকে লেখনীর মাধ্যমে প্রকাশ করতে প্রয়োজন একটি পরিবেশকে, যেখানে পরষ্পরের ভাবনাগুলোকে শানিত করা যায়। নতুন লেখকরা সেই পরিবেশ এখান থেকে নিতে পারে।

Public Voice

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬


নবীনদের বরণ করে নিল চবি তরুণ কলাম লেখক ফোরাম

প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে লেখালেখিতে আগ্রহী তরুণদের জন্য নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে ‘মাসব্যাপী তরুণ লেখক প্রশিক্ষণ কর্মশালা–২০২৬’ এর নবীনবরণ ও আনুষ্ঠানিকতার সূচনা হয়েছে।

আজ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদে নবীন লেখকদের বরণ ও কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হয়। উদ্বোধনী কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াহইয়া আখতার। তিনি বলেন, পাঠকের চেয়ে লেখক বেশি। তবে মূলকথা হলো, লেখালেখি করতে গেলে লেখক হওয়ার আগে পাঠক হওয়া চাই। এছাড়া তিনি নবীন লেখকদের লেখালেখি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন।

এ সময় অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে ছিলেন দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনের অভিজ্ঞ ও প্রথিতযশা দুই ব্যক্তি। চট্টগ্রাম অঞ্চলের জনপ্রিয় দৈনিক আজাদী পত্রিকার নাট্যজন ও ফিচার সম্পাদক প্রদীপ দেওয়ানজী। তিনি আলোচনা করেন ফিচার ও নাগরিক সাংবাদিকতা নিয়ে। ফিচার লেখার নান্দনিকতা, বিষয় নির্বাচন এবং নাগরিক সাংবাদিকতার দায়িত্ব ও সম্ভাবনা তুলে ধরেন।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স ফোরামের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ফোরামের উপদেষ্টা অলীউর রহমান আলোচনা করেন কলাম লেখার কলাকৌশল বিষয়ে। তাঁর আলোচনায় কলামের ভাষা, যুক্তির বিন্যাস ও পাঠকের সঙ্গে সংযোগ তৈরির কৌশলে গুরুত্ব দেন। এ সময় তিনি ছাড়াও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষক মিজানুর রহমান।

আয়োজকরা জানান, নিবন্ধন সম্পন্ন করা সকল নবীন সদস্যকে কর্মশালায় উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের জন্য লেখক ফোরামের লোগো অঙ্কিত কলম ও নোটপ্যাডের পাশাপাশি মধ্যাহ্ন ভোজের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছিল।

নবীন লেখকদের উদ্দেশ্যে ফোরামের সভাপতি ইসমাইল হোসেন ইমন বলেন, লেখালেখিকে পেশাদার ও দায়িত্বশীল চর্চায় রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে মাসব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়েছে। তাঁর ভাষায়, এই কর্মশালা নবীনদের জন্য কেবল প্রশিক্ষণের জায়গা নয়; বরং শেখা, নিয়মিত অনুশীলন এবং সচেতন লেখালেখির অভ্যাস গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। এখানে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের ভাবনা শাণিত করার পাশাপাশি লেখক হিসেবে দায়িত্ব ও সংবেদনশীলতার জায়গাটিও বুঝে নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোনেম শাহরিয়ার শাওন বলেন, সুপ্ত প্রতিভাকে লেখনীর মাধ্যমে প্রকাশ করতে হলে প্রথমে নিজের চিন্তাকে সমৃদ্ধ করতে হবে, ভাবতে হবে যা লিখতে হয় তার বিষয়বস্তু নিয়ে, কেননা মানুষ তার চিন্তার সমান, অনুভূতির সমান।অতপর সেই চিন্তাকে লেখনীর মাধ্যমে প্রকাশ করতে প্রয়োজন একটি পরিবেশকে, যেখানে পরষ্পরের ভাবনাগুলোকে শানিত করা যায়। নতুন লেখকরা সেই পরিবেশ এখান থেকে নিতে পারে।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত