অপরাধ
লালমনিরহাট সদর উপজেলার হারাটি ইউনিয়নের কিশামত চোংগাদ্বারা এলাকায় জমি দখলের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধভাবে ফসল নষ্ট ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছলে উদ্দিনের ছেলে মহুবর রহমান ওরফে আব্দুর রহমান (৪২), মৃত: জরিপ উল্লাহর ছেলে আইয়ুব আলী (৫২), সহ সতের জনের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগকারী আসাদুল হাবিব (৪২) জানান, তার বড় ভাইয়ের নামে ক্রয়কৃত জমি দীর্ঘদিন ধরে তিনি চাষাবাদ করে আসছেন। তবে একই এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি পরস্পর যোগসাজশে জমিটি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছে।
এর আগেও ২০২৫ সালের জানুয়ারি ও এপ্রিল মাসে তামাক ও ধানক্ষেত নষ্ট করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ ২০ জানুয়ারি ২০২৬ রাতে অভিযুক্তরা অজ্ঞাতনামা ১৫–২০ জনকে সঙ্গে নিয়ে জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ৬০ শতক মতিহার তামাকক্ষেত উপড়ে ফেলে, এতে আনুমানিক এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকার ক্ষতি হয়।
বাধা দিতে গেলে অভিযোগকারীর ছোট ভাইকে মারধরের হুমকি দেওয়া হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে জানানো হয়। বর্তমানে জমিতে ধান রোপণ করতে গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল মতিন জানান, "অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।"

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬
লালমনিরহাট সদর উপজেলার হারাটি ইউনিয়নের কিশামত চোংগাদ্বারা এলাকায় জমি দখলের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধভাবে ফসল নষ্ট ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছলে উদ্দিনের ছেলে মহুবর রহমান ওরফে আব্দুর রহমান (৪২), মৃত: জরিপ উল্লাহর ছেলে আইয়ুব আলী (৫২), সহ সতের জনের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগকারী আসাদুল হাবিব (৪২) জানান, তার বড় ভাইয়ের নামে ক্রয়কৃত জমি দীর্ঘদিন ধরে তিনি চাষাবাদ করে আসছেন। তবে একই এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি পরস্পর যোগসাজশে জমিটি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছে।
এর আগেও ২০২৫ সালের জানুয়ারি ও এপ্রিল মাসে তামাক ও ধানক্ষেত নষ্ট করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ ২০ জানুয়ারি ২০২৬ রাতে অভিযুক্তরা অজ্ঞাতনামা ১৫–২০ জনকে সঙ্গে নিয়ে জমিতে প্রবেশ করে প্রায় ৬০ শতক মতিহার তামাকক্ষেত উপড়ে ফেলে, এতে আনুমানিক এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকার ক্ষতি হয়।
বাধা দিতে গেলে অভিযোগকারীর ছোট ভাইকে মারধরের হুমকি দেওয়া হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে জানানো হয়। বর্তমানে জমিতে ধান রোপণ করতে গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল মতিন জানান, "অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।"
