ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
রাজশাহী-১ আসনের (গোদাগাড়ী-তানোর) রাজনীতিতে এক আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ব্যাপক চাপ থাকা সত্ত্বেও দলের বৃহত্তর স্বার্থ এবং হাইকমান্ডের ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন জনপ্রিয় বিএনপি নেতা সুলতানুল ইসলাম তারেক।
আজ সকাল থেকেই গোদাগাড়ী ও তানোর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে শত শত মোটরসাইকেল ও মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা তারেক রহমানের এই বিশ্বস্ত অনুসারীর বাসভবনের সামনে জড়ো হন। নেতাকর্মীদের দাবি ছিল, গত কয়েক বছরের রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সুলতানুল ইসলাম তারেক যেভাবে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন, তাতে এই আসনে তার কোনো বিকল্প নেই। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ সমর্থকরা রাস্তা অবরোধ করে স্লোগান দিতে থাকেন— "তারেক ভাইয়ের ত্যাগ বিফলে যেতে দেব না"।
উপস্থিত নেতাকর্মীদের ভিড় ঠেলে সামনে এসে সুলতানুল ইসলাম তারেক অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তিনি কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন:
"গোদাগাড়ী ও তানোরের মাটি ও মানুষের সাথে আমার আত্মার সম্পর্ক। আপনারা আমার জন্য যা করেছেন, তা আমি সারাজীবন মনে রাখবো। কিন্তু মনে রাখবেন, আমরা শহীদ জিয়ার সৈনিক। আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং নেতা তারেক রহমানের নির্দেশ আমাদের কাছে শিরোধার্য। দলের বৃহত্তর স্বার্থে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের চূড়ান্ত লড়াইয়ে যেন ফাটল না ধরে, সেজন্য আমি নিজের ব্যক্তিগত অবস্থান ত্যাগ করলাম।"
তারেকের এই ঘোষণার পর তানোর উপজেলা বিএনপির তৃণমূল কর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। অনেক প্রবীণ কর্মীকে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। গোদাগাড়ীর এক ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা বলেন, "আমরা নেতাকে ছাড়তে চেয়েছিলাম না, কিন্তু নেতার কথাই শেষ কথা। তিনি দলের জন্য যে ত্যাগ দেখালেন, তা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা।"
রাজশাহীর স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গোদাগাড়ী-তানোরের মতো গুরুত্বপূর্ণ আসনে সুলতানুল ইসলাম তারেকের এই সরে দাঁড়ানো বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল মেটাতে বড় ভূমিকা রাখবে। এটি প্রমাণ করে যে, ব্যক্তি স্বার্থের চেয়ে দলের চেইন অফ কমান্ড রক্ষা করা তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তারেক স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রার্থী না হলেও তিনি গোদাগাড়ী ও তানোরের প্রতিটি গ্রামে গিয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে সাধারণ কর্মী হিসেবে কাজ করে যাবেন।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬
রাজশাহী-১ আসনের (গোদাগাড়ী-তানোর) রাজনীতিতে এক আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ব্যাপক চাপ থাকা সত্ত্বেও দলের বৃহত্তর স্বার্থ এবং হাইকমান্ডের ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন জনপ্রিয় বিএনপি নেতা সুলতানুল ইসলাম তারেক।
আজ সকাল থেকেই গোদাগাড়ী ও তানোর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে শত শত মোটরসাইকেল ও মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা তারেক রহমানের এই বিশ্বস্ত অনুসারীর বাসভবনের সামনে জড়ো হন। নেতাকর্মীদের দাবি ছিল, গত কয়েক বছরের রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সুলতানুল ইসলাম তারেক যেভাবে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন, তাতে এই আসনে তার কোনো বিকল্প নেই। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ সমর্থকরা রাস্তা অবরোধ করে স্লোগান দিতে থাকেন— "তারেক ভাইয়ের ত্যাগ বিফলে যেতে দেব না"।
উপস্থিত নেতাকর্মীদের ভিড় ঠেলে সামনে এসে সুলতানুল ইসলাম তারেক অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তিনি কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন:
"গোদাগাড়ী ও তানোরের মাটি ও মানুষের সাথে আমার আত্মার সম্পর্ক। আপনারা আমার জন্য যা করেছেন, তা আমি সারাজীবন মনে রাখবো। কিন্তু মনে রাখবেন, আমরা শহীদ জিয়ার সৈনিক। আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং নেতা তারেক রহমানের নির্দেশ আমাদের কাছে শিরোধার্য। দলের বৃহত্তর স্বার্থে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের চূড়ান্ত লড়াইয়ে যেন ফাটল না ধরে, সেজন্য আমি নিজের ব্যক্তিগত অবস্থান ত্যাগ করলাম।"
তারেকের এই ঘোষণার পর তানোর উপজেলা বিএনপির তৃণমূল কর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। অনেক প্রবীণ কর্মীকে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। গোদাগাড়ীর এক ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা বলেন, "আমরা নেতাকে ছাড়তে চেয়েছিলাম না, কিন্তু নেতার কথাই শেষ কথা। তিনি দলের জন্য যে ত্যাগ দেখালেন, তা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা।"
রাজশাহীর স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গোদাগাড়ী-তানোরের মতো গুরুত্বপূর্ণ আসনে সুলতানুল ইসলাম তারেকের এই সরে দাঁড়ানো বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল মেটাতে বড় ভূমিকা রাখবে। এটি প্রমাণ করে যে, ব্যক্তি স্বার্থের চেয়ে দলের চেইন অফ কমান্ড রক্ষা করা তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তারেক স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রার্থী না হলেও তিনি গোদাগাড়ী ও তানোরের প্রতিটি গ্রামে গিয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে সাধারণ কর্মী হিসেবে কাজ করে যাবেন।
