স্মরণ
বইমেলাটি যৌথভাবে আয়োজন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এবং বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম। মেলা চলবে আগামী ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত।
মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম এবং বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক জনাব আব্দুর রহিম।
উদ্বোধনী বক্তব্যে জনাব আব্দুর রহিম বলেন, "শহীদ ওসমান হাদি ছিলেন জুলাই বিপ্লবের এক নির্ভীক যোদ্ধা এবং আধিপত্যবাদবিরোধী সংগ্রামের প্রতীক। বইয়ের মাধ্যমে আমরা তাঁর সেই আপসহীন চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে চাই। এই বইমেলা কেবল জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র নয়, বরং এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক সাংস্কৃতিক প্রতিরোধের প্ল্যাটফর্ম।"
ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম তাঁর বক্তব্যে শহীদ হাদির অকাল প্রয়াণে শোক প্রকাশ করে বলেন, শহীদ ওসমান হাদির স্বপ্ন ছিল একটি বৈষম্যহীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ। তাঁর আদর্শকে বুকে লালন করে তরুণদের কলম ও বইকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম সক্রিয় কর্মী এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ঢাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকালে সন্ত্রাসী হামলায় শাহাদাতবরণ করেন। তাঁর স্মৃতি রক্ষার্থেই এই বিশেষ বইমেলার আয়োজন করা হয়েছে।
উদ্বোধনী দিনে মেলা প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দর্শনার্থীরা বলছেন, এই ধরনের আয়োজন তরুণ সমাজকে দেশপ্রেম এবং সুস্থ সাহিত্যচর্চায় উদ্বুদ্ধ করবে।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
বইমেলাটি যৌথভাবে আয়োজন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এবং বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম। মেলা চলবে আগামী ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত।
মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম এবং বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক জনাব আব্দুর রহিম।
উদ্বোধনী বক্তব্যে জনাব আব্দুর রহিম বলেন, "শহীদ ওসমান হাদি ছিলেন জুলাই বিপ্লবের এক নির্ভীক যোদ্ধা এবং আধিপত্যবাদবিরোধী সংগ্রামের প্রতীক। বইয়ের মাধ্যমে আমরা তাঁর সেই আপসহীন চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে চাই। এই বইমেলা কেবল জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র নয়, বরং এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক সাংস্কৃতিক প্রতিরোধের প্ল্যাটফর্ম।"
ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম তাঁর বক্তব্যে শহীদ হাদির অকাল প্রয়াণে শোক প্রকাশ করে বলেন, শহীদ ওসমান হাদির স্বপ্ন ছিল একটি বৈষম্যহীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ। তাঁর আদর্শকে বুকে লালন করে তরুণদের কলম ও বইকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম সক্রিয় কর্মী এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ঢাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকালে সন্ত্রাসী হামলায় শাহাদাতবরণ করেন। তাঁর স্মৃতি রক্ষার্থেই এই বিশেষ বইমেলার আয়োজন করা হয়েছে।
উদ্বোধনী দিনে মেলা প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দর্শনার্থীরা বলছেন, এই ধরনের আয়োজন তরুণ সমাজকে দেশপ্রেম এবং সুস্থ সাহিত্যচর্চায় উদ্বুদ্ধ করবে।
