শৈত্য প্রবাহ
বিরতির পর লালমনিরহাট জেলায় আবারও জেঁকে বসেছে হিমেল হাওয়া ও কনকনে ঠান্ডা। মঙ্গলবার রাত থেকে শুরু হওয়া ঘন কুয়াশা আর শীতল বাতাসে জেলাজুড়ে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে।
বুধবার (০৭ জানুয়ারি) সকাল ছয়টায় লালমনিরহাট জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৭৮ শতাংশ। যা শীতের অনুভূতিকে আরও তীব্র করে তুলেছে। ভোরের দিকে কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় পুরো জেলা। সকাল সাড়ে ৯টাতেও সূর্যের দেখা না মেলায় শীতের প্রকোপ কমেনি। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ, দিনমজুর ও চরাঞ্চলের বাসিন্দারা।
শীতের কারণে অনেকেই সকালে কাজে বের হতে পারেননি। এদিকে কুয়াশার কারণে সড়কে যানবাহন গুলো গাড়ির লাইট জ্বালিয়ে যান চলাচল করতেছে । মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে যানবাহন ধীরগতিতে চলতে দেখা গেছে, ফলে কিছুটা ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। বয়োবৃদ্ধ মোঃ আজগার আলী বলেন, কয়েকদিন তেমন ঠান্ডা ছিল না। আবার আজ হঠাৎ করে শীতল বাতাস আর ঠান্ডা শুরু হয়েছে। এতে করে অনেকটা সমস্যায় পড়েছি।
বিশেষ করে বাতাসের কারণে জনজীবন কাহিল করে হয়ে যাচ্ছে।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
বিরতির পর লালমনিরহাট জেলায় আবারও জেঁকে বসেছে হিমেল হাওয়া ও কনকনে ঠান্ডা। মঙ্গলবার রাত থেকে শুরু হওয়া ঘন কুয়াশা আর শীতল বাতাসে জেলাজুড়ে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে।
বুধবার (০৭ জানুয়ারি) সকাল ছয়টায় লালমনিরহাট জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৭৮ শতাংশ। যা শীতের অনুভূতিকে আরও তীব্র করে তুলেছে। ভোরের দিকে কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় পুরো জেলা। সকাল সাড়ে ৯টাতেও সূর্যের দেখা না মেলায় শীতের প্রকোপ কমেনি। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ, দিনমজুর ও চরাঞ্চলের বাসিন্দারা।
শীতের কারণে অনেকেই সকালে কাজে বের হতে পারেননি। এদিকে কুয়াশার কারণে সড়কে যানবাহন গুলো গাড়ির লাইট জ্বালিয়ে যান চলাচল করতেছে । মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে যানবাহন ধীরগতিতে চলতে দেখা গেছে, ফলে কিছুটা ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। বয়োবৃদ্ধ মোঃ আজগার আলী বলেন, কয়েকদিন তেমন ঠান্ডা ছিল না। আবার আজ হঠাৎ করে শীতল বাতাস আর ঠান্ডা শুরু হয়েছে। এতে করে অনেকটা সমস্যায় পড়েছি।
বিশেষ করে বাতাসের কারণে জনজীবন কাহিল করে হয়ে যাচ্ছে।
