অপরাধ
দেশজুড়ে সক্রিয় একটি সংঘবদ্ধ সাইবার প্রতারণা চক্রের মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। গত ৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা থেকে অভিযুক্ত মারুফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাবের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, সে দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং বিভিন্ন মিথ্যা মামলার হুমকি দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিল।
র্যাব জানায়, অভিযুক্ত মারুফ হোসেন মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ করত। সে কখনো মাদক মামলায় জড়ানোর ভয় দেখাত, কখনো আবার অবৈধ কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার মিথ্যা অভিযোগ তুলে তা ‘মীমাংসা’ করার নাম করে টাকা দাবি করত। অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নাম শুনে আতঙ্কিত হয়ে তার দাবিকৃত অর্থ মোবাইল ব্যাংকিং বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিতেন।
ভুক্তভোগীদের একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে র্যাব বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে। প্রযুক্তিগত নজরদারি ও গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে মারুফ হোসেনের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে পরিকল্পিত অভিযানের মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে একাধিক মোবাইল ফোন, সিম কার্ড এবং প্রতারণায় ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব আরও জানায়, এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং খুব শিগগিরই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে সাধারণ জনগণকে সতর্ক করে র্যাব বলেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য ফোনে অর্থ দাবি করলে তা বিশ্বাস না করে দ্রুত নিকটস্থ থানায় বা র্যাবের হটলাইনে জানাতে।
এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে স্বস্তির পাশাপাশি চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার মতো গুরুতর অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও র্যাব দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
দেশজুড়ে সক্রিয় একটি সংঘবদ্ধ সাইবার প্রতারণা চক্রের মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। গত ৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা থেকে অভিযুক্ত মারুফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাবের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, সে দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং বিভিন্ন মিথ্যা মামলার হুমকি দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিল।
র্যাব জানায়, অভিযুক্ত মারুফ হোসেন মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ করত। সে কখনো মাদক মামলায় জড়ানোর ভয় দেখাত, কখনো আবার অবৈধ কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার মিথ্যা অভিযোগ তুলে তা ‘মীমাংসা’ করার নাম করে টাকা দাবি করত। অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নাম শুনে আতঙ্কিত হয়ে তার দাবিকৃত অর্থ মোবাইল ব্যাংকিং বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিতেন।
ভুক্তভোগীদের একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে র্যাব বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে। প্রযুক্তিগত নজরদারি ও গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে মারুফ হোসেনের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে পরিকল্পিত অভিযানের মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে একাধিক মোবাইল ফোন, সিম কার্ড এবং প্রতারণায় ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব আরও জানায়, এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং খুব শিগগিরই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে সাধারণ জনগণকে সতর্ক করে র্যাব বলেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য ফোনে অর্থ দাবি করলে তা বিশ্বাস না করে দ্রুত নিকটস্থ থানায় বা র্যাবের হটলাইনে জানাতে।
এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে স্বস্তির পাশাপাশি চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার মতো গুরুতর অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও র্যাব দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে
