অপরাধ
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নে দিন দিন সেচ মটরের ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছেন এলাকার সেচ গ্রাহক ও কৃষকরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রাত আনুমানিক ৩টা নাগাদ রাজিবপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ঘাগড়া এলাকায় অভিনব কৌশলে বিদ্যুতের খুঁটি থেকে ডিপকলের জন্য ব্যবহৃত ৩টি (৩০ কেভি) ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাজিবপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এর আগেও একাধিকবার ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে। এমনকি একই বিদ্যুতের খুঁটি থেকে বারবার ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনাও রয়েছে। ফলে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হয়ে কৃষি উৎপাদনে মারাত্মক প্রভাব পড়ছে।
ভুক্তভোগী সেচ গ্রাহকরা জানান, বারবার বিদ্যুৎ অফিসকে অবহিত করার পরও কার্যকর কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না। পল্লী বিদ্যুৎ অফিস কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্ত করলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ট্রান্সফরমার চুরি রোধে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ জনগণকেও আরও সচেতন হতে হবে। সন্দেহজনক কোনো তথ্য পেলে তা দ্রুত প্রশাসনকে জানালে চোরচক্রকে শনাক্ত ও আটক করা সহজ হবে।
এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিস, ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং এলাকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা। যথাযথ ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে এলাকার অসংখ্য সেচ গ্রাহক উপকৃত হবেন বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জানুয়ারি ২০২৬
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নে দিন দিন সেচ মটরের ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছেন এলাকার সেচ গ্রাহক ও কৃষকরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রাত আনুমানিক ৩টা নাগাদ রাজিবপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ঘাগড়া এলাকায় অভিনব কৌশলে বিদ্যুতের খুঁটি থেকে ডিপকলের জন্য ব্যবহৃত ৩টি (৩০ কেভি) ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাজিবপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এর আগেও একাধিকবার ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে। এমনকি একই বিদ্যুতের খুঁটি থেকে বারবার ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনাও রয়েছে। ফলে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হয়ে কৃষি উৎপাদনে মারাত্মক প্রভাব পড়ছে।
ভুক্তভোগী সেচ গ্রাহকরা জানান, বারবার বিদ্যুৎ অফিসকে অবহিত করার পরও কার্যকর কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না। পল্লী বিদ্যুৎ অফিস কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্ত করলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ট্রান্সফরমার চুরি রোধে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ জনগণকেও আরও সচেতন হতে হবে। সন্দেহজনক কোনো তথ্য পেলে তা দ্রুত প্রশাসনকে জানালে চোরচক্রকে শনাক্ত ও আটক করা সহজ হবে।
এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিস, ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং এলাকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা। যথাযথ ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে এলাকার অসংখ্য সেচ গ্রাহক উপকৃত হবেন বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।
