ক্যাম্পাস
বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. শাহাদাত হোসাইন এবং যুগ্ম-আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. আকতার হোসেনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ শোক জানানো হয়।
শোকবার্তায় চবি সাদা দল জানায়, গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব ও আধিপত্যবাদবিরোধী সংগ্রামে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এক আপশহীন অভিভাবক ও অনন্য নেতৃত্বের প্রতীক। তাঁর প্রয়াণে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।
শোকবার্তায় উল্লেখ করা হয়, ১৯৮১ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর এক ক্রান্তিকালে বেগম খালেদা জিয়া রাজনীতিতে পদার্পণ করেন। আশির দশকে সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন আন্দোলন ও রাজপথের নেতৃত্ব তাঁকে জনগণের হৃদয়ে ‘দেশনেত্রী’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। বিশেষ করে ১৯৮৬ সালে স্বৈরশাসকের সঙ্গে আপস না করে নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে একটি বিরল দৃষ্টান্ত।
শোকবার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়, গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শাসন ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে দেশনেত্রীর ধৈর্য, সাহস ও আদর্শিক দৃঢ়তা ছিল অতুলনীয়। দীর্ঘ কারাবাস, গৃহবন্দিত্ব ও চিকিৎসার সংকটও তাঁর রাজনৈতিক মনোবল ভাঙতে পারেনি। আমৃত্যু তিনি স্বৈরাচারের কাছে মাথানত না করে জনগণের শক্তির ওপর আস্থা রেখেছেন।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬ টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. শাহাদাত হোসাইন এবং যুগ্ম-আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. আকতার হোসেনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ শোক জানানো হয়।
শোকবার্তায় চবি সাদা দল জানায়, গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব ও আধিপত্যবাদবিরোধী সংগ্রামে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এক আপশহীন অভিভাবক ও অনন্য নেতৃত্বের প্রতীক। তাঁর প্রয়াণে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।
শোকবার্তায় উল্লেখ করা হয়, ১৯৮১ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর এক ক্রান্তিকালে বেগম খালেদা জিয়া রাজনীতিতে পদার্পণ করেন। আশির দশকে সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন আন্দোলন ও রাজপথের নেতৃত্ব তাঁকে জনগণের হৃদয়ে ‘দেশনেত্রী’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। বিশেষ করে ১৯৮৬ সালে স্বৈরশাসকের সঙ্গে আপস না করে নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে একটি বিরল দৃষ্টান্ত।
শোকবার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়, গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শাসন ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে দেশনেত্রীর ধৈর্য, সাহস ও আদর্শিক দৃঢ়তা ছিল অতুলনীয়। দীর্ঘ কারাবাস, গৃহবন্দিত্ব ও চিকিৎসার সংকটও তাঁর রাজনৈতিক মনোবল ভাঙতে পারেনি। আমৃত্যু তিনি স্বৈরাচারের কাছে মাথানত না করে জনগণের শক্তির ওপর আস্থা রেখেছেন।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬ টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন।
