ক্রিকেট
সিলেট টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের করা ৩৫৬ রানের জবাব দিতে নেমে একপর্যায়ে চরম বিপর্যয় এবং ১৩৮ রানে ৫ উইকেট হারানোর চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। তবে সেখান থেকে একাই লড়ে দলকে ৩৮৬ রানের বড় সংগ্রহে পৌঁছে দেন মিডলঅর্ডার ব্যাটার তাওহিদ হৃদয়। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ তুলে নেয় গুরুত্বপূর্ণ ৩০ রানের লিড। অন্য সঙ্গীদের চরম ব্যর্থতার দিনে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে দলকে স্বস্তিদায়ক লিড এনে দেওয়ার মূল কৃতিত্ব হৃদয়েরই। সেই অবস্থা থেকে দলকে টেনে চারশোর কাছাকাছি নিয়ে যান মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান তাওহিদ হৃদয়।
তাওহিদ হৃদয় উইকেটের এক প্রান্ত আগলে রেখে ৩৫৯ বলে ২২টি চার ও ১১টি ছক্কার সাহায্যে আড়াইশ রানের দোরগোড়ায় থাকা ২৪২ রানের এক মহাকাব্যিক অপরাজিত ইনিংস উপহার দেন। যোগ্য সঙ্গীর অভাবে শেষ পর্যন্ত আড়াইশো ছোঁয়া না হলেও তার এই রেকর্ড গড়া ব্যাটিং বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা। এর মাধ্যমে তিনি মুশফিকুর রহিমের ২১৯ রানের রেকর্ড ভেঙে টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের নতুন ইতিহাস গড়েন।
সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে হৃদয় ছাড়া দলের স্বীকৃত ব্যাটারদের কেউই নিজেদের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। সেঞ্চুরি বা ফিফটি তো দূরের কথা, কোনো ব্যাটার ৪০ রানের ঘরও স্পর্শ করতে ব্যর্থ হন। দলের পক্ষে সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ৩৪ রান এবং স্পিনার তাইজুল ইসলাম ২২ রান যোগ করেন। এছাড়া অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১৮ রান এবং দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও মেহেদি হাসান মিরাজ ১৬ রান করে বিদায় নেন।
দলের অন্যান্যদের মধ্যে পেসার তাসকিন আহমেদ ১২ এবং উইকেটকিপার ব্যাটার লিটন দাস মাত্র ৮ রানে আউট হন। চোটের কারণে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামতেই পারেননি ওপেনার সাদমান ইসলাম অনিক। এক প্রান্তে অন্য সতীর্থরা আসা-যাওয়ার মিছিলে থাকলেও হৃদয়ের ঐতিহাসিক ইনিংসের বলেই শেষ পর্যন্ত উইন্ডিজদের চেয়ে এগিয়ে থেকে প্রথম ইনিংস শেষ করে স্বাগতিকেরা।

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
সিলেট টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের করা ৩৫৬ রানের জবাব দিতে নেমে একপর্যায়ে চরম বিপর্যয় এবং ১৩৮ রানে ৫ উইকেট হারানোর চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। তবে সেখান থেকে একাই লড়ে দলকে ৩৮৬ রানের বড় সংগ্রহে পৌঁছে দেন মিডলঅর্ডার ব্যাটার তাওহিদ হৃদয়। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ তুলে নেয় গুরুত্বপূর্ণ ৩০ রানের লিড। অন্য সঙ্গীদের চরম ব্যর্থতার দিনে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে দলকে স্বস্তিদায়ক লিড এনে দেওয়ার মূল কৃতিত্ব হৃদয়েরই। সেই অবস্থা থেকে দলকে টেনে চারশোর কাছাকাছি নিয়ে যান মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান তাওহিদ হৃদয়।
তাওহিদ হৃদয় উইকেটের এক প্রান্ত আগলে রেখে ৩৫৯ বলে ২২টি চার ও ১১টি ছক্কার সাহায্যে আড়াইশ রানের দোরগোড়ায় থাকা ২৪২ রানের এক মহাকাব্যিক অপরাজিত ইনিংস উপহার দেন। যোগ্য সঙ্গীর অভাবে শেষ পর্যন্ত আড়াইশো ছোঁয়া না হলেও তার এই রেকর্ড গড়া ব্যাটিং বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা। এর মাধ্যমে তিনি মুশফিকুর রহিমের ২১৯ রানের রেকর্ড ভেঙে টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের নতুন ইতিহাস গড়েন।
সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে হৃদয় ছাড়া দলের স্বীকৃত ব্যাটারদের কেউই নিজেদের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। সেঞ্চুরি বা ফিফটি তো দূরের কথা, কোনো ব্যাটার ৪০ রানের ঘরও স্পর্শ করতে ব্যর্থ হন। দলের পক্ষে সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ৩৪ রান এবং স্পিনার তাইজুল ইসলাম ২২ রান যোগ করেন। এছাড়া অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১৮ রান এবং দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও মেহেদি হাসান মিরাজ ১৬ রান করে বিদায় নেন।
দলের অন্যান্যদের মধ্যে পেসার তাসকিন আহমেদ ১২ এবং উইকেটকিপার ব্যাটার লিটন দাস মাত্র ৮ রানে আউট হন। চোটের কারণে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামতেই পারেননি ওপেনার সাদমান ইসলাম অনিক। এক প্রান্তে অন্য সতীর্থরা আসা-যাওয়ার মিছিলে থাকলেও হৃদয়ের ঐতিহাসিক ইনিংসের বলেই শেষ পর্যন্ত উইন্ডিজদের চেয়ে এগিয়ে থেকে প্রথম ইনিংস শেষ করে স্বাগতিকেরা।
