আন্তর্জাতিকআন্তর্জাতিক

ক্যালিফোর্নিয়ার ২০ হাজার ব্যালট বাতিলের আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে ডাকযোগে আসা প্রায় ২০ হাজার ব্যালট আলাদা করার আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি ছিল, এসব ব্যালটের ভোটারদের নাগরিকত্ব যাচাই করা প্রয়োজন।

Publicvoice24
Publicvoice24
|
শেয়ার করুন
অ+ অ-

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে ডাকযোগে পাঠানো প্রায় ২০ হাজার ব্যালট আলাদা করে রাখার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের করা জরুরি আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। প্রশাসনের দাবি ছিল, ওই ব্যালটগুলোর ভোটারদের মধ্যে এমন ব্যক্তি রয়েছেন যারা মার্কিন নাগরিক নন। তবে নাগরিকত্ব যাচাই সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এসব ভোট গণনা স্থগিত রাখার যে দাবি জানানো হয়েছিল, সর্বোচ্চ আদালত তা নাকচ করে দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে ক্যালিফোর্নিয়ার আসনসংখ্যা ৫২। ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা আগামী প্রজন্মের জন্য আমাদের দেশ, আমাদের সংস্কৃতি ও আমাদের ঐতিহ্য রক্ষা করব।’। হ্যানিটিকে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের আবার সারা বিশ্বে সম্মান করা হচ্ছে।

সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক একদিন আগে সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্ত আসে। প্রশাসন আবেদন করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আদালত অস্বাভাবিক দ্রুততার সঙ্গে তা খারিজ করে দেয়। আদালতের এই সিদ্ধান্তের পক্ষে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি, এক বাক্যের আদেশের মাধ্যমেই বিষয়টি জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিতাদেশ চেয়ে যে আবেদন বিচারপতি এলেনা কাগানের কাছে করা হয়েছিল, তা আদালত গ্রহণ করেনি।

নিম্ন আদালতে পরাজয়ের পর নির্বাচনের মাত্র একদিন আগে ট্রাম্প প্রশাসন সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। এর আগে দুই দফায় স্থানীয় আদালত ও আপিল আদালত প্রশাসনের বিপক্ষে রায় দিয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্ট মামলাটি শুনতে অস্বীকৃতি জানানোয় নিম্ন আদালতের সেই রায়ই বহাল থাকল। ফলে বিতর্কিত এই ব্যালটগুলো আলাদা করার প্রশাসনের শেষ মুহূর্তের প্রচেষ্টা কার্যত ব্যর্থ হলো।

গত মাসে মার্কিন বিচার বিভাগ অভিযোগ করেছিল যে, ক্যালিফোর্নিয়ার ভোটার তালিকায় প্রায় ২০ হাজার ‘সম্ভাব্য’ অ-নাগরিক রয়েছেন। ওইসব ব্যক্তির নাগরিকত্ব নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ভোট গণনা বন্ধ রাখতে ফেডারেল বিচারকের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল। অন্যদিকে ক্যালিফোর্নিয়ার কর্মকর্তারা এই সংখ্যার বিষয়ে ঘোর আপত্তি জানান। তাঁদের মতে, এসব ভোট গণনা না করার দাবি জানানোর কোনো আইনি এখতিয়ার ট্রাম্প প্রশাসনের নেই। তাঁদের যুক্তি ছিল, ফেডারেল সরকার অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের পাশাপাশি নির্বাচনের ফল নিয়ে সন্দেহ তৈরি করতে চাইছে। অন্য যেকোনো অঙ্গরাজ্যের তুলনায় এটি বেশি।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক ভোট জালিয়াতির অভিযোগ করে আসছেন। তাঁর দাবি, ডেমোক্র্যাটরা অভিবাসীদের অবৈধভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ দিয়ে নির্বাচন প্রভাবিত করছে। এ ক্ষেত্রে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়াটিকে তিনি অন্যতম কারণ হিসেবে দায়ী করেন। ক্যালিফোর্নিয়ায় নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভোট দেওয়ার অযোগ্য ব্যক্তিদের ভোট প্রদানের ঘটনা দেশটিতে খুবই বিরল।

নির্বাচনী প্রচারণার একেবারে শেষ মুহূর্তে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় দলের প্রার্থীরাই ভোটারদের কাছে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরছেন। ওয়াশিংটন ডিসিতে লিংকন মেমোরিয়ালের সামনে ভাষণ দিয়ে প্রচারণা শেষ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে তিনি ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে উগ্র মতাদর্শ ও বিপজ্জনক কর্মসূচি অনুসরণের অভিযোগ আনেন। এছাড়া অভিবাসন ও ট্রান্সজেন্ডার অধিকারের মতো ইস্যুতে দলটির অবস্থানের কঠোর সমালোচনা করেন তিনি। প্রথমে ওয়াশিংটন ডিসির সংস্কারকাজ নিয়ে প্রায় ২৫ মিনিট কথা বলেন তিনি। ট্রাম্প অভিযোগ করেন, ডেমোক্র্যাট পার্টি মার্কিন ইতিহাসের সবচেয়ে চরমপন্থী ও বিপজ্জনক প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়েছে। তাঁর ভাষায়, ‘এরা এখন পর্যন্ত উপস্থাপিত সবচেয়ে বিপজ্জনক প্রার্থী।’।

ফক্স নিউজের উপস্থাপক শন হ্যানিটির অনুষ্ঠানে ফোনে যুক্ত হয়ে ট্রাম্প দাবি করেন, তাঁর প্রশাসনের সময় যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বব্যাপী মর্যাদা বেড়েছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে বিশ্বজুড়ে হাসাহাসি করা হতো বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি জানান, গত ২৭ দিনে ৩১টি নির্বাচনী সমাবেশ এবং বেশ কয়েকটি টেলি-সমাবেশে তিনি অংশ নিয়েছেন। এ সময় রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেস ও হোয়াইট হাউসের অধীনে তাঁর প্রশাসনের ‘দুটি দারুণ বছর’ কেটেছে বলে দাবি করেন তিনি। এ খবর প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যায়।

নির্বাচনের প্রাক্কালে ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার একটি সংবাদ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ পেলেও এ নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। যদিও ট্রাম্প সোমবার সাংবাদিকদের জানান, ইরানের ওপর হামলা বাড়ানোর বিষয়ে তাঁর কোনো তাড়া নেই। তিনি আরও বলেন, আর্থিকভাবে ইরানকে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে এবং তাদের কাছে কোনো অর্থ বা জ্বালানি নেই। তবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অভিযানের দায়িত্বে থাকা সেন্টকম এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত ইরানের কেশম দ্বীপে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য এই মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটাররা কংগ্রেসের দুই কক্ষ—সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচন করবেন। এরই মধ্যে লাখ লাখ মার্কিন নাগরিক আগাম ভোট দিয়েছেন। জর্জিয়ায় আগাম ভোটের নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে, যেখানে মোট নিবন্ধিত ভোটারের এক-তৃতীয়াংশ ইতিমধ্যে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

Public Voice

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


ক্যালিফোর্নিয়ার ২০ হাজার ব্যালট বাতিলের আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে ডাকযোগে পাঠানো প্রায় ২০ হাজার ব্যালট আলাদা করে রাখার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের করা জরুরি আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। প্রশাসনের দাবি ছিল, ওই ব্যালটগুলোর ভোটারদের মধ্যে এমন ব্যক্তি রয়েছেন যারা মার্কিন নাগরিক নন। তবে নাগরিকত্ব যাচাই সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এসব ভোট গণনা স্থগিত রাখার যে দাবি জানানো হয়েছিল, সর্বোচ্চ আদালত তা নাকচ করে দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে ক্যালিফোর্নিয়ার আসনসংখ্যা ৫২। ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা আগামী প্রজন্মের জন্য আমাদের দেশ, আমাদের সংস্কৃতি ও আমাদের ঐতিহ্য রক্ষা করব।’। হ্যানিটিকে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের আবার সারা বিশ্বে সম্মান করা হচ্ছে।

সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক একদিন আগে সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্ত আসে। প্রশাসন আবেদন করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আদালত অস্বাভাবিক দ্রুততার সঙ্গে তা খারিজ করে দেয়। আদালতের এই সিদ্ধান্তের পক্ষে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি, এক বাক্যের আদেশের মাধ্যমেই বিষয়টি জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিতাদেশ চেয়ে যে আবেদন বিচারপতি এলেনা কাগানের কাছে করা হয়েছিল, তা আদালত গ্রহণ করেনি।

নিম্ন আদালতে পরাজয়ের পর নির্বাচনের মাত্র একদিন আগে ট্রাম্প প্রশাসন সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। এর আগে দুই দফায় স্থানীয় আদালত ও আপিল আদালত প্রশাসনের বিপক্ষে রায় দিয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্ট মামলাটি শুনতে অস্বীকৃতি জানানোয় নিম্ন আদালতের সেই রায়ই বহাল থাকল। ফলে বিতর্কিত এই ব্যালটগুলো আলাদা করার প্রশাসনের শেষ মুহূর্তের প্রচেষ্টা কার্যত ব্যর্থ হলো।

গত মাসে মার্কিন বিচার বিভাগ অভিযোগ করেছিল যে, ক্যালিফোর্নিয়ার ভোটার তালিকায় প্রায় ২০ হাজার ‘সম্ভাব্য’ অ-নাগরিক রয়েছেন। ওইসব ব্যক্তির নাগরিকত্ব নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ভোট গণনা বন্ধ রাখতে ফেডারেল বিচারকের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল। অন্যদিকে ক্যালিফোর্নিয়ার কর্মকর্তারা এই সংখ্যার বিষয়ে ঘোর আপত্তি জানান। তাঁদের মতে, এসব ভোট গণনা না করার দাবি জানানোর কোনো আইনি এখতিয়ার ট্রাম্প প্রশাসনের নেই। তাঁদের যুক্তি ছিল, ফেডারেল সরকার অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের পাশাপাশি নির্বাচনের ফল নিয়ে সন্দেহ তৈরি করতে চাইছে। অন্য যেকোনো অঙ্গরাজ্যের তুলনায় এটি বেশি।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক ভোট জালিয়াতির অভিযোগ করে আসছেন। তাঁর দাবি, ডেমোক্র্যাটরা অভিবাসীদের অবৈধভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ দিয়ে নির্বাচন প্রভাবিত করছে। এ ক্ষেত্রে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়াটিকে তিনি অন্যতম কারণ হিসেবে দায়ী করেন। ক্যালিফোর্নিয়ায় নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভোট দেওয়ার অযোগ্য ব্যক্তিদের ভোট প্রদানের ঘটনা দেশটিতে খুবই বিরল।

নির্বাচনী প্রচারণার একেবারে শেষ মুহূর্তে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় দলের প্রার্থীরাই ভোটারদের কাছে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরছেন। ওয়াশিংটন ডিসিতে লিংকন মেমোরিয়ালের সামনে ভাষণ দিয়ে প্রচারণা শেষ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে তিনি ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে উগ্র মতাদর্শ ও বিপজ্জনক কর্মসূচি অনুসরণের অভিযোগ আনেন। এছাড়া অভিবাসন ও ট্রান্সজেন্ডার অধিকারের মতো ইস্যুতে দলটির অবস্থানের কঠোর সমালোচনা করেন তিনি। প্রথমে ওয়াশিংটন ডিসির সংস্কারকাজ নিয়ে প্রায় ২৫ মিনিট কথা বলেন তিনি। ট্রাম্প অভিযোগ করেন, ডেমোক্র্যাট পার্টি মার্কিন ইতিহাসের সবচেয়ে চরমপন্থী ও বিপজ্জনক প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়েছে। তাঁর ভাষায়, ‘এরা এখন পর্যন্ত উপস্থাপিত সবচেয়ে বিপজ্জনক প্রার্থী।’।

ফক্স নিউজের উপস্থাপক শন হ্যানিটির অনুষ্ঠানে ফোনে যুক্ত হয়ে ট্রাম্প দাবি করেন, তাঁর প্রশাসনের সময় যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বব্যাপী মর্যাদা বেড়েছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে বিশ্বজুড়ে হাসাহাসি করা হতো বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি জানান, গত ২৭ দিনে ৩১টি নির্বাচনী সমাবেশ এবং বেশ কয়েকটি টেলি-সমাবেশে তিনি অংশ নিয়েছেন। এ সময় রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেস ও হোয়াইট হাউসের অধীনে তাঁর প্রশাসনের ‘দুটি দারুণ বছর’ কেটেছে বলে দাবি করেন তিনি। এ খবর প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যায়।

নির্বাচনের প্রাক্কালে ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার একটি সংবাদ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ পেলেও এ নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। যদিও ট্রাম্প সোমবার সাংবাদিকদের জানান, ইরানের ওপর হামলা বাড়ানোর বিষয়ে তাঁর কোনো তাড়া নেই। তিনি আরও বলেন, আর্থিকভাবে ইরানকে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে এবং তাদের কাছে কোনো অর্থ বা জ্বালানি নেই। তবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অভিযানের দায়িত্বে থাকা সেন্টকম এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত ইরানের কেশম দ্বীপে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য এই মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটাররা কংগ্রেসের দুই কক্ষ—সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচন করবেন। এরই মধ্যে লাখ লাখ মার্কিন নাগরিক আগাম ভোট দিয়েছেন। জর্জিয়ায় আগাম ভোটের নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে, যেখানে মোট নিবন্ধিত ভোটারের এক-তৃতীয়াংশ ইতিমধ্যে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত