আইটি বিশ্বআইটি বিশ্ব

হরমুজে ৯ দিনে ১১টি তেলবাহী জাহাজে আগুন লাগার দাবি ইরানের

হরমুজ প্রণালিতে গত নয় দিনে ১১টি তেলবাহী জাহাজে অগ্নিকাণ্ড ও বেশ কয়েকটি নিমজ্জনের দাবি করেছে ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর দাবি, গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটির প্রধান রুটগুলো নিরাপদ রয়েছে।

Publicvoice24
Publicvoice24
|
শেয়ার করুন
অ+ অ-

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি দাবি করেছে, গত ২৫ অক্টোবর থেকে নয় দিনে হরমুজ প্রণালিতে অন্তত ১১টি তেলবাহী জাহাজে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, অগ্নিদগ্ধ হওয়ার পর কয়েকটি জাহাজ সমুদ্রের গভীরে ডুবেও গেছে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, ইরানি নৌবাহিনী ইতোমধ্যে ধ্বংস হয়ে গেছে। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এক ভিডিও বার্তায় জানান, গত সপ্তাহে প্রণালির ওপর দিয়ে উড্ডয়নকালে তিনি ইরানের কোনো যুদ্ধজাহাজ দেখতে পাননি। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটির প্রধান ও দক্ষিণাঞ্চলীয় নৌপথগুলো এখনো বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ও নিরাপদ রয়েছে।

তবে মার্কিন দাবির বিপরীতে যুক্তরাজ্যের নৌবাহিনীর মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস সেন্টার জানিয়েছে, শুধু অক্টোবর মাসেই বাণিজ্যিক জাহাজে রেকর্ড ৩০টি হামলার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সংঘাত শুরুর পর থেকেই বিশ্বজুড়ে তেলের অন্যতম প্রধান এই সরবরাহ পথটির নিয়ন্ত্রণ নিতে এবং জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে সক্রিয় রয়েছে ইরান।

যুদ্ধের পূর্বে বৈশ্বিক অপরিশোধিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো। ইরানের অব্যাহত হুমকি ও ধারাবাহিক হামলার কারণে বর্তমানে এই নৌপথে জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি ও পরিবহন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে এই অচলাবস্থা তৈরি হওয়ার ফলে বৈশ্বিক তেলের দামের ওপর সরাসরি প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পাচ্ছে তেহরান।

Public Voice

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


হরমুজে ৯ দিনে ১১টি তেলবাহী জাহাজে আগুন লাগার দাবি ইরানের

প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি দাবি করেছে, গত ২৫ অক্টোবর থেকে নয় দিনে হরমুজ প্রণালিতে অন্তত ১১টি তেলবাহী জাহাজে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, অগ্নিদগ্ধ হওয়ার পর কয়েকটি জাহাজ সমুদ্রের গভীরে ডুবেও গেছে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, ইরানি নৌবাহিনী ইতোমধ্যে ধ্বংস হয়ে গেছে। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এক ভিডিও বার্তায় জানান, গত সপ্তাহে প্রণালির ওপর দিয়ে উড্ডয়নকালে তিনি ইরানের কোনো যুদ্ধজাহাজ দেখতে পাননি। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটির প্রধান ও দক্ষিণাঞ্চলীয় নৌপথগুলো এখনো বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ও নিরাপদ রয়েছে।

তবে মার্কিন দাবির বিপরীতে যুক্তরাজ্যের নৌবাহিনীর মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস সেন্টার জানিয়েছে, শুধু অক্টোবর মাসেই বাণিজ্যিক জাহাজে রেকর্ড ৩০টি হামলার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সংঘাত শুরুর পর থেকেই বিশ্বজুড়ে তেলের অন্যতম প্রধান এই সরবরাহ পথটির নিয়ন্ত্রণ নিতে এবং জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে সক্রিয় রয়েছে ইরান।

যুদ্ধের পূর্বে বৈশ্বিক অপরিশোধিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো। ইরানের অব্যাহত হুমকি ও ধারাবাহিক হামলার কারণে বর্তমানে এই নৌপথে জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি ও পরিবহন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে এই অচলাবস্থা তৈরি হওয়ার ফলে বৈশ্বিক তেলের দামের ওপর সরাসরি প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পাচ্ছে তেহরান।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত