অর্থনীতি
ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২০৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নতুন মূল্যতালিকা ঘোষণা করে, যা আজ রাত ৮টার পর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। বিইআরসি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের দর বৃদ্ধির পাশাপাশি আমদানিকারক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন সমন্বয় করার ফলে এই মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন দর আজ রাত ৮ টার পর থেকে কার্যকর হবে।
নতুন এই সিদ্ধান্তের আওতায় আমদানিকারকদের মজুতকরণ ও বোতলজাতকরণ চার্জ (পরিবহন খরচসহ) ১২ কেজির সিলিন্ডারে ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৮১ দশমিক ৭৬ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া ডিলারদের চার্জ ৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৮৫ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। অটোগ্যাসের দামেও পরিবর্তন এসেছে; প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ৮৪ দশমিক ৬২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯১ দশমিক ৯৫ টাকা করা হয়েছে। অথচ সেপ্টেম্বরে এই দাম ছিল মাত্র ৭৩ দশমিক শূন্য ৯ টাকা। যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাস সেপ্টেম্বর মাস প্রতি লিটারের দাম ছিল ৭৩.০৯ টাকা।
বাজারে গ্যাসের দামের এই অস্থিরতা নতুন নয়।
অক্টোবর মাসেও এলপিজির দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১৮৩৭ টাকা করা হয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে তা ২২০০ থেকে ২৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে বাজারে এলপিজির সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে তৈরি হওয়া সংকটে ক্রেতারা চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার সুযোগে অনেক আমদানিকারক সরবরাহ কমিয়ে দিলে ১৫৮৫ টাকার এলপিজি কোথাও কোথাও ২২০০ থেকে ২৫০০ টাকা পর্যন্ত চড়া দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২০৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নতুন মূল্যতালিকা ঘোষণা করে, যা আজ রাত ৮টার পর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। বিইআরসি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের দর বৃদ্ধির পাশাপাশি আমদানিকারক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন সমন্বয় করার ফলে এই মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন দর আজ রাত ৮ টার পর থেকে কার্যকর হবে।
নতুন এই সিদ্ধান্তের আওতায় আমদানিকারকদের মজুতকরণ ও বোতলজাতকরণ চার্জ (পরিবহন খরচসহ) ১২ কেজির সিলিন্ডারে ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৮১ দশমিক ৭৬ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া ডিলারদের চার্জ ৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৮৫ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। অটোগ্যাসের দামেও পরিবর্তন এসেছে; প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ৮৪ দশমিক ৬২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯১ দশমিক ৯৫ টাকা করা হয়েছে। অথচ সেপ্টেম্বরে এই দাম ছিল মাত্র ৭৩ দশমিক শূন্য ৯ টাকা। যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাস সেপ্টেম্বর মাস প্রতি লিটারের দাম ছিল ৭৩.০৯ টাকা।
বাজারে গ্যাসের দামের এই অস্থিরতা নতুন নয়।
অক্টোবর মাসেও এলপিজির দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১৮৩৭ টাকা করা হয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে তা ২২০০ থেকে ২৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে বাজারে এলপিজির সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে তৈরি হওয়া সংকটে ক্রেতারা চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার সুযোগে অনেক আমদানিকারক সরবরাহ কমিয়ে দিলে ১৫৮৫ টাকার এলপিজি কোথাও কোথাও ২২০০ থেকে ২৫০০ টাকা পর্যন্ত চড়া দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
