ক্যাম্পাস
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হওয়ার কারণেই ফ্যাসিবাদী শাসনের সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) যথাযথ মূল্যায়ন ও অগ্রগতি থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।
উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি জাতীয় জীবনের প্রতিটি সংকটকালে ও ক্রান্তিলগ্নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে এসেছে। তবে এত ত্যাগ ও অবদানের পরও প্রাপ্তির দিক থেকে প্রতিষ্ঠানটি চরম অবহেলার শিকার হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় ধরে জবিকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের এই বঞ্চনা ও ভোগান্তি নিরসনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং সংশ্লিষ্টদের ইতিবাচক ভূমিকার আহ্বান জানান উপাচার্য। তিনি বলেন, বর্তমানে যারা রাষ্ট্র পরিচালনায় আছেন এবং এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা করে সংসদ সদস্য বা প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দায়িত্ব পালন করছেন, তাদের উচিত শিক্ষার্থীদের দুর্দশা লাঘবে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক সমস্যা সমাধানে তিনি বর্তমান সরকারের বিশেষ সুদৃষ্টি কামনা করেন।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হওয়ার কারণেই ফ্যাসিবাদী শাসনের সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) যথাযথ মূল্যায়ন ও অগ্রগতি থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।
উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি জাতীয় জীবনের প্রতিটি সংকটকালে ও ক্রান্তিলগ্নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে এসেছে। তবে এত ত্যাগ ও অবদানের পরও প্রাপ্তির দিক থেকে প্রতিষ্ঠানটি চরম অবহেলার শিকার হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় ধরে জবিকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের এই বঞ্চনা ও ভোগান্তি নিরসনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং সংশ্লিষ্টদের ইতিবাচক ভূমিকার আহ্বান জানান উপাচার্য। তিনি বলেন, বর্তমানে যারা রাষ্ট্র পরিচালনায় আছেন এবং এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা করে সংসদ সদস্য বা প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দায়িত্ব পালন করছেন, তাদের উচিত শিক্ষার্থীদের দুর্দশা লাঘবে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক সমস্যা সমাধানে তিনি বর্তমান সরকারের বিশেষ সুদৃষ্টি কামনা করেন।
