শিক্ষাশিক্ষা

এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন শুরু রোববার, যেভাবে করবেন আবেদন

এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ। ফল নিয়ে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা আগামী ৩ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন।

Publicvoice24
Publicvoice24
|
শেয়ার করুন
অ+ অ-

২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।

এ বছর গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ এবং সারাদেশে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবারের পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিলেন। এর মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন, অর্থাৎ ছাত্রদের তুলনায় ২৬ হাজার ৬৪৫ জন বেশি ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। সারাদেশের দুই হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন।

পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর যারা প্রাপ্ত ফল নিয়ে সন্তুষ্ট নন, তাদের জন্য উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের সুযোগ রাখা হয়েছে। আগামী রোববার (৩ নভেম্বর) থেকে অনলাইনে এই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে, যা চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের আবেদন এবং ফি পরিশোধের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সম্পূর্ণ আবেদন প্রক্রিয়াটি অনলাইনভিত্তিক; তাই সরাসরি বা ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীদের ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের নির্দিষ্ট পোর্টাল (https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd) ভিজিট করতে হবে। পোর্টালে প্রবেশের পর রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ড নির্বাচন করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর একটি সচল মোবাইল নম্বর প্রদান করতে হবে, যেখানে পরবর্তীতে এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে। এরপর শিক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফলাফল প্রদর্শিত হবে এবং যে বিষয়গুলোর উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণ করতে চান, সেগুলো নির্বাচন করে ফি পরিশোধের অপশনে যেতে হবে।

শিক্ষাবোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি পত্রের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা। যদি কোনো বিষয়ের দুটি পত্র থাকে, তবে উভয় পত্রের জন্যই আলাদাভাবে আবেদন ও ফি প্রদান করতে হবে। ফি পরিশোধের জন্য বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায় এবং সোনালী সেবার মতো মাধ্যমগুলো ব্যবহার করা যাবে। পেমেন্ট সম্পন্ন করার বিস্তারিত নির্দেশনা পোর্টালের ‘হেল্প’ অপশনে পাওয়া যাবে। ফি পরিশোধের পর পোর্টালে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করলে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

শিক্ষার্থীরা চাইলে ফি পরিশোধ করার পরও নতুন কোনো বিষয়ের জন্য পুনরায় আবেদন করতে পারবেন, তবে সে ক্ষেত্রে নতুন করে মোবাইল নম্বর দেয়ার প্রয়োজন হবে না। এছাড়া ফি প্রদানের আগে আবেদন সংশোধন বা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। কোনো বিষয় নির্বাচন করার পর ফি না দিয়ে থাকলে ‘মুছে ফেলুন’ অপশন ব্যবহার করে তা বাদ দেওয়া যাবে। তবে একবার ফি জমা হয়ে গেলে কোনো আবেদন বাতিল বা ফি ফেরত দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ। বিষয় নির্বাচন শেষে পরবর্তী স্ক্রিনে মোট প্রদেয় ফির পরিমাণ দেখা যাবে। এ জন্য ‘মুছে ফেলুন’ অপশনে গিয়ে যেসব বিষয় নির্বাচন করা হয়েছে, কিন্তু যেগুলোর ফি এখনো দেয়া হয়নি, সেগুলো প্রত্যাহার করে নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে।

Public Voice

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬


এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন শুরু রোববার, যেভাবে করবেন আবেদন

প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।

এ বছর গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ এবং সারাদেশে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবারের পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিলেন। এর মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন, অর্থাৎ ছাত্রদের তুলনায় ২৬ হাজার ৬৪৫ জন বেশি ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। সারাদেশের দুই হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন।

পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর যারা প্রাপ্ত ফল নিয়ে সন্তুষ্ট নন, তাদের জন্য উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের সুযোগ রাখা হয়েছে। আগামী রোববার (৩ নভেম্বর) থেকে অনলাইনে এই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে, যা চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের আবেদন এবং ফি পরিশোধের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সম্পূর্ণ আবেদন প্রক্রিয়াটি অনলাইনভিত্তিক; তাই সরাসরি বা ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীদের ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের নির্দিষ্ট পোর্টাল (https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd) ভিজিট করতে হবে। পোর্টালে প্রবেশের পর রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ড নির্বাচন করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর একটি সচল মোবাইল নম্বর প্রদান করতে হবে, যেখানে পরবর্তীতে এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে। এরপর শিক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফলাফল প্রদর্শিত হবে এবং যে বিষয়গুলোর উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণ করতে চান, সেগুলো নির্বাচন করে ফি পরিশোধের অপশনে যেতে হবে।

শিক্ষাবোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি পত্রের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা। যদি কোনো বিষয়ের দুটি পত্র থাকে, তবে উভয় পত্রের জন্যই আলাদাভাবে আবেদন ও ফি প্রদান করতে হবে। ফি পরিশোধের জন্য বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায় এবং সোনালী সেবার মতো মাধ্যমগুলো ব্যবহার করা যাবে। পেমেন্ট সম্পন্ন করার বিস্তারিত নির্দেশনা পোর্টালের ‘হেল্প’ অপশনে পাওয়া যাবে। ফি পরিশোধের পর পোর্টালে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করলে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

শিক্ষার্থীরা চাইলে ফি পরিশোধ করার পরও নতুন কোনো বিষয়ের জন্য পুনরায় আবেদন করতে পারবেন, তবে সে ক্ষেত্রে নতুন করে মোবাইল নম্বর দেয়ার প্রয়োজন হবে না। এছাড়া ফি প্রদানের আগে আবেদন সংশোধন বা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। কোনো বিষয় নির্বাচন করার পর ফি না দিয়ে থাকলে ‘মুছে ফেলুন’ অপশন ব্যবহার করে তা বাদ দেওয়া যাবে। তবে একবার ফি জমা হয়ে গেলে কোনো আবেদন বাতিল বা ফি ফেরত দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ। বিষয় নির্বাচন শেষে পরবর্তী স্ক্রিনে মোট প্রদেয় ফির পরিমাণ দেখা যাবে। এ জন্য ‘মুছে ফেলুন’ অপশনে গিয়ে যেসব বিষয় নির্বাচন করা হয়েছে, কিন্তু যেগুলোর ফি এখনো দেয়া হয়নি, সেগুলো প্রত্যাহার করে নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত