রাজনীতি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক জাপান সফর অত্যন্ত কার্যকর এবং ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার হয়েছে এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্র উন্মোচিত হয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দুই দেশের সম্পর্কের গুরুত্ব ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়েই এই সফরের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখা ও তা সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। এর পাশাপাশি বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ও মানবসম্পদ উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাপানের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরেছেন বলে উল্লেখ করেন হুমায়ুন কবির। তিনি জানান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পরিবেশ, কৃষি, টেকসই অর্থনীতি, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনা এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সফরে ৬ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের ঘোষণা এসেছে। এই বিনিয়োগ ও অন্যান্য সহযোগিতার ক্ষেত্র পর্যালোচনায় জাপান খুব শিগগিরই বাংলাদেশে একটি অর্থনৈতিক মিশন পাঠাবে।
জাপানের সঙ্গে 'বিগ-বি' উদ্যোগ নিয়ে আলোচনার সময় তৃতীয় কোনো দেশকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলেও স্পষ্ট করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, যদি অন্য কোনো রাষ্ট্রকে নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন পড়ে, তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষের উপস্থিতিতেই বাংলাদেশ সেই বিষয়ে কথা বলবে। সবশেষে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, দেশের মাটি ও মানুষের স্বার্থকে কোনোভাবেই উপেক্ষা করে বিএনপি সরকার অন্য কোনো দেশের সঙ্গে চুক্তি করবে না।

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক জাপান সফর অত্যন্ত কার্যকর এবং ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার হয়েছে এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্র উন্মোচিত হয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দুই দেশের সম্পর্কের গুরুত্ব ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়েই এই সফরের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখা ও তা সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। এর পাশাপাশি বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ও মানবসম্পদ উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাপানের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরেছেন বলে উল্লেখ করেন হুমায়ুন কবির। তিনি জানান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পরিবেশ, কৃষি, টেকসই অর্থনীতি, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনা এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সফরে ৬ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের ঘোষণা এসেছে। এই বিনিয়োগ ও অন্যান্য সহযোগিতার ক্ষেত্র পর্যালোচনায় জাপান খুব শিগগিরই বাংলাদেশে একটি অর্থনৈতিক মিশন পাঠাবে।
জাপানের সঙ্গে 'বিগ-বি' উদ্যোগ নিয়ে আলোচনার সময় তৃতীয় কোনো দেশকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলেও স্পষ্ট করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, যদি অন্য কোনো রাষ্ট্রকে নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন পড়ে, তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষের উপস্থিতিতেই বাংলাদেশ সেই বিষয়ে কথা বলবে। সবশেষে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, দেশের মাটি ও মানুষের স্বার্থকে কোনোভাবেই উপেক্ষা করে বিএনপি সরকার অন্য কোনো দেশের সঙ্গে চুক্তি করবে না।
