ফুটবল
আজারবাইজানের বাকুতে চলমান ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যাল ২০২৬-এ রূপকথার জন্ম দিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ জাতীয় ফুটবল দল। 'ই' টায়ারের সেমিফাইনালে শক্তিশালী গ্যাবনকে ১-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো এই বিশ্ব আসরের ফাইনালে উঠে গেল বাংলাদেশ।
বাকুর উত্তপ্ত দুপুরে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে বাংলাদেশ। ম্যাচের ১৩ তম মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। মাঝমাঠ থেকে দারুণ এক সমন্বিত আক্রমণ থেকে জয়সূচক একমাত্র গোলটি করে বাংলাদেশ। এরপর গ্যাবন সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া চেষ্টা করলেও বাংলাদেশের ডিফেন্স এবং গোলরক্ষক দৃঢ়তায় সব আক্রমণ রুখে দেয়।
এটি ফিফার বিশেষ ৮-এ-সাইড (Eight-a-side) ফরম্যাটের টুর্নামেন্ট, যেখানে প্রতি অর্ধে ২০ মিনিট করে খেলা হয়। কম সময়ের খেলায় প্রতিটি মুহূর্তই গুরুত্বপূর্ণ, আর সেখানেই বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে বাংলাদেশের কিশোররা।
বাংলাদেশের সেমিফাইনালে ওঠার পথটাও ছিল দাপুটে। এর আগে কোয়ার্টার ফাইনালে ইউরোপের দল মন্টেনেগ্রোকে রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে ৪-০ গোলের বিশাল জয় তুলে নেয় লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। টানা দুই ম্যাচে ক্লিনশিট ধরে রেখে ফাইনালে ওঠা দলের আত্মবিশ্বাস এখন তুঙ্গে।
টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ:
এবারের আসরে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের জয় ৪টি। গ্রুপ পর্ব থেকে প্লেট পর্বের টায়ার 'E' তে দুর্দান্ত ধারাবাহিকতায় সেমিফাইনালিস্ট হয়ে এবার সরাসরি ফাইনালিস্ট।
ফিফা এই টুর্নামেন্টকে শুধু বিশ্বকাপ হিসেবে নয়, 'ফেস্টিভ্যাল' হিসেবেও উদযাপন করছে, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের কিশোর ফুটবলাররা একসঙ্গে খেলা, শিক্ষা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের সুযোগ পাচ্ছে। আর সেই মঞ্চেই বাংলাদেশের পতাকা এখন ফাইনালে।
এই ঐতিহাসিক জয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের কিশোর ফুটবল নতুন এক উচ্চতায় পৌঁছাল। ফাইনালে প্রতিপক্ষ যেই হোক, এই দলটি ইতোমধ্যেই দেশের কোটি ফুটবলপ্রেমীর হৃদয় জয় করে নিয়েছে।
লাল-সবুজের জন্য এখন শুধু একটাই লক্ষ্য - বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের ট্রফি নিয়ে দেশে ফেরা।

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
আজারবাইজানের বাকুতে চলমান ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যাল ২০২৬-এ রূপকথার জন্ম দিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ জাতীয় ফুটবল দল। 'ই' টায়ারের সেমিফাইনালে শক্তিশালী গ্যাবনকে ১-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো এই বিশ্ব আসরের ফাইনালে উঠে গেল বাংলাদেশ।
বাকুর উত্তপ্ত দুপুরে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে বাংলাদেশ। ম্যাচের ১৩ তম মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। মাঝমাঠ থেকে দারুণ এক সমন্বিত আক্রমণ থেকে জয়সূচক একমাত্র গোলটি করে বাংলাদেশ। এরপর গ্যাবন সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া চেষ্টা করলেও বাংলাদেশের ডিফেন্স এবং গোলরক্ষক দৃঢ়তায় সব আক্রমণ রুখে দেয়।
এটি ফিফার বিশেষ ৮-এ-সাইড (Eight-a-side) ফরম্যাটের টুর্নামেন্ট, যেখানে প্রতি অর্ধে ২০ মিনিট করে খেলা হয়। কম সময়ের খেলায় প্রতিটি মুহূর্তই গুরুত্বপূর্ণ, আর সেখানেই বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে বাংলাদেশের কিশোররা।
বাংলাদেশের সেমিফাইনালে ওঠার পথটাও ছিল দাপুটে। এর আগে কোয়ার্টার ফাইনালে ইউরোপের দল মন্টেনেগ্রোকে রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে ৪-০ গোলের বিশাল জয় তুলে নেয় লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। টানা দুই ম্যাচে ক্লিনশিট ধরে রেখে ফাইনালে ওঠা দলের আত্মবিশ্বাস এখন তুঙ্গে।
টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ:
এবারের আসরে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের জয় ৪টি। গ্রুপ পর্ব থেকে প্লেট পর্বের টায়ার 'E' তে দুর্দান্ত ধারাবাহিকতায় সেমিফাইনালিস্ট হয়ে এবার সরাসরি ফাইনালিস্ট।
ফিফা এই টুর্নামেন্টকে শুধু বিশ্বকাপ হিসেবে নয়, 'ফেস্টিভ্যাল' হিসেবেও উদযাপন করছে, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের কিশোর ফুটবলাররা একসঙ্গে খেলা, শিক্ষা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের সুযোগ পাচ্ছে। আর সেই মঞ্চেই বাংলাদেশের পতাকা এখন ফাইনালে।
এই ঐতিহাসিক জয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের কিশোর ফুটবল নতুন এক উচ্চতায় পৌঁছাল। ফাইনালে প্রতিপক্ষ যেই হোক, এই দলটি ইতোমধ্যেই দেশের কোটি ফুটবলপ্রেমীর হৃদয় জয় করে নিয়েছে।
লাল-সবুজের জন্য এখন শুধু একটাই লক্ষ্য - বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের ট্রফি নিয়ে দেশে ফেরা।
