অপরাধ
কুড়িগ্রামের উলিপুরে নিলুফা ইয়াসমিন (২১) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের নামার চর এলাকায় স্বামীর বাড়ির শয়নকক্ষের বিছানা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে তাঁর স্বামী আলমগীর হোসেন ও শাশুড়ি পলাতক রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
নিলুফা ইয়াসমিন ওই এলাকার আলমগীর হোসেনের স্ত্রী। তাঁর বাবার বাড়ি একই ইউনিয়নের দোলন গ্রামে। তিনি নুর ইসলামের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে আলমগীর হোসেনের সঙ্গে নিলুফার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাঁদের সংসারে পারিবারিক কলহ ও ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতেও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাক্বিতণ্ডা হয় বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়রা শয়নকক্ষের বিছানায় নিলুফার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় নিলুফার স্বামী আলমগীর হোসেন ও তাঁর শাশুড়ির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানায় পুলিশ।
এ বিষয়ে উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শওকত আলী সরকার বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় শোকের ছায়া ও ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
M

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
কুড়িগ্রামের উলিপুরে নিলুফা ইয়াসমিন (২১) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের নামার চর এলাকায় স্বামীর বাড়ির শয়নকক্ষের বিছানা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে তাঁর স্বামী আলমগীর হোসেন ও শাশুড়ি পলাতক রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
নিলুফা ইয়াসমিন ওই এলাকার আলমগীর হোসেনের স্ত্রী। তাঁর বাবার বাড়ি একই ইউনিয়নের দোলন গ্রামে। তিনি নুর ইসলামের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে আলমগীর হোসেনের সঙ্গে নিলুফার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাঁদের সংসারে পারিবারিক কলহ ও ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতেও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাক্বিতণ্ডা হয় বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়রা শয়নকক্ষের বিছানায় নিলুফার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় নিলুফার স্বামী আলমগীর হোসেন ও তাঁর শাশুড়ির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানায় পুলিশ।
এ বিষয়ে উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শওকত আলী সরকার বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় শোকের ছায়া ও ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
M
