জাতীয়
চলতি মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ চরম আকার ধারণ করেছে। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা এ বছরের একদিনের সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। এর আগে গত ৬ ও ১৫ অক্টোবর সর্বোচ্চ ১০ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। নতুন এই ১১ মৃত্যুর ঘটনায় চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চারশো জনে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০০ জনে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। এবার ২৪ ঘণ্টায় ১১ জনের মৃত্যু হওয়ায় সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে গেল।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছর ডেঙ্গুতে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির সাক্ষী হয়েছে অক্টোবর মাস।
শুধু এই মাসেই মারা গেছেন ১৫৫ জন। এছাড়া সেপ্টেম্বরে ১৪৮ জন, আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে একজন এবং বছরের শুরুতে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে দুজন করে মোট চারজনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের সঠিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য বিভাগ নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে জরুরি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ ও সচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আক্রান্তদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
চলতি মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ চরম আকার ধারণ করেছে। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা এ বছরের একদিনের সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। এর আগে গত ৬ ও ১৫ অক্টোবর সর্বোচ্চ ১০ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। নতুন এই ১১ মৃত্যুর ঘটনায় চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চারশো জনে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০০ জনে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। এবার ২৪ ঘণ্টায় ১১ জনের মৃত্যু হওয়ায় সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে গেল।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছর ডেঙ্গুতে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির সাক্ষী হয়েছে অক্টোবর মাস।
শুধু এই মাসেই মারা গেছেন ১৫৫ জন। এছাড়া সেপ্টেম্বরে ১৪৮ জন, আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে একজন এবং বছরের শুরুতে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে দুজন করে মোট চারজনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের সঠিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য বিভাগ নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে জরুরি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ ও সচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আক্রান্তদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
