জাতীয়
রাজধানীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ দমনের লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৪৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার দায়ে রাজধানীর থানায় এ পর্যন্ত ৩৮টি মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিযানে উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, দেশীয় অস্ত্র ও ককটেল। উদ্ধার করা ইয়াবার সংখ্যা ১ হাজার ১২১ পিস এবং হেরোইনের পরিমাণ ২৮ গ্রাম। পাশাপাশি একটি অবিস্ফোরিত ককটেল ও একটি বিস্ফোরিত ককটেলের অংশবিশেষ, একটি সুইচ গিয়ার, একটি প্লায়ার্স এবং একটি অ্যান্টি কাটার জব্দ করেছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশা, ১৫টি মোবাইল ফোন ও ১৩টি সিমকার্ড জব্দ করা হয়েছে। একই সময়ে পুলিশ একজন ভিকটিমকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। তবে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির পরিচয়, উদ্ধারের স্থান কিংবা ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। রাজধানীর অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, অপরাধীদের শনাক্ত এবং অবৈধ সরঞ্জাম উদ্ধারের লক্ষ্যে পুলিশের এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে। জব্দকৃত অস্ত্র, বিস্ফোরকসদৃশ বস্তু ও মাদকদ্রব্যের বিষয়ে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে ডিএমপি বদ্ধপরিকর এবং নিয়মিত এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
রাজধানীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ দমনের লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৪৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার দায়ে রাজধানীর থানায় এ পর্যন্ত ৩৮টি মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিযানে উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, দেশীয় অস্ত্র ও ককটেল। উদ্ধার করা ইয়াবার সংখ্যা ১ হাজার ১২১ পিস এবং হেরোইনের পরিমাণ ২৮ গ্রাম। পাশাপাশি একটি অবিস্ফোরিত ককটেল ও একটি বিস্ফোরিত ককটেলের অংশবিশেষ, একটি সুইচ গিয়ার, একটি প্লায়ার্স এবং একটি অ্যান্টি কাটার জব্দ করেছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশা, ১৫টি মোবাইল ফোন ও ১৩টি সিমকার্ড জব্দ করা হয়েছে। একই সময়ে পুলিশ একজন ভিকটিমকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। তবে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির পরিচয়, উদ্ধারের স্থান কিংবা ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। রাজধানীর অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, অপরাধীদের শনাক্ত এবং অবৈধ সরঞ্জাম উদ্ধারের লক্ষ্যে পুলিশের এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে। জব্দকৃত অস্ত্র, বিস্ফোরকসদৃশ বস্তু ও মাদকদ্রব্যের বিষয়ে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে ডিএমপি বদ্ধপরিকর এবং নিয়মিত এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
