আর্কাইভ
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে ঝালকাঠি জেলায় ব্যাপক কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। এবার পুরো জেলায় মোট ১৬০টি মণ্ডপে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় উৎসব উদ্যাপিত হবে। মণ্ডপগুলো ঘুরে দেখা গেছে, এখন পর্যন্ত অধিকাংশ প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় ৮০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই রং, পোশাক ও অলংকার পরানোর কাজ শেষ করে প্রতিমাগুলো পূজা কমিটির কাছে বুঝিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী কারিগরেরা।
তবে এই প্রস্তুতির মাঝেও কারিগর সংকটের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। স্থানীয় প্রতিমাশিল্পী পরাণ পাল জানান, ঐতিহাসিকভাবে প্রতিমা তৈরির কাজে পালবংশের মানুষরাই জড়িত ছিলেন। কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই অন্য পেশায় চলে যাওয়ায় কারিগর কমে গেছে। ৪০ বছর ধরে এই পেশায় কাজ করা উত্তম পাল বলেন, রং ও সরঞ্জামের দাম কয়েক গুণ বাড়লেও মজুরি সেভাবে বাড়েনি। বাপ-দাদার এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে কাজ করলেও বর্তমান বাজারদরে হিমশিম খেতে হচ্ছে কারিগরদের।
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থেকে ঝালকাঠির মদনমোহন আখড়াবাড়ী মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজে আসা ভাস্কর শ্রীবাস গাইন জানান, ভারত থেকে আমদানি করা রঙের উচ্চমূল্যের তুলনায় পারিশ্রমিক খুবই কম। তা সত্ত্বেও হাতে থাকা সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে তারা দিন-রাত শ্রম দিচ্ছেন। শহরের মন্দিরগুলোতে সময়মতো কাজ শুরু হওয়ায় সংকট কিছুটা সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি।
এদিকে, পূজা উদ্যাপন পরিষদের ঝালকাঠি জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অলোক সাহা জানান, বাইরের জেলা থেকে আগত কারিগরদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি মণ্ডপ কমিটিকে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে পাহারার ব্যবস্থা করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অলোক সাহা আশা প্রকাশ করেন যে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশে এবারের দুর্গাপূজা অত্যন্ত বর্ণিল ও আনন্দঘনভাবে সম্পন্ন হবে।
সূত্র: রাইজিংবিডি

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে ঝালকাঠি জেলায় ব্যাপক কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। এবার পুরো জেলায় মোট ১৬০টি মণ্ডপে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় উৎসব উদ্যাপিত হবে। মণ্ডপগুলো ঘুরে দেখা গেছে, এখন পর্যন্ত অধিকাংশ প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় ৮০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই রং, পোশাক ও অলংকার পরানোর কাজ শেষ করে প্রতিমাগুলো পূজা কমিটির কাছে বুঝিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী কারিগরেরা।
তবে এই প্রস্তুতির মাঝেও কারিগর সংকটের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। স্থানীয় প্রতিমাশিল্পী পরাণ পাল জানান, ঐতিহাসিকভাবে প্রতিমা তৈরির কাজে পালবংশের মানুষরাই জড়িত ছিলেন। কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই অন্য পেশায় চলে যাওয়ায় কারিগর কমে গেছে। ৪০ বছর ধরে এই পেশায় কাজ করা উত্তম পাল বলেন, রং ও সরঞ্জামের দাম কয়েক গুণ বাড়লেও মজুরি সেভাবে বাড়েনি। বাপ-দাদার এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে কাজ করলেও বর্তমান বাজারদরে হিমশিম খেতে হচ্ছে কারিগরদের।
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থেকে ঝালকাঠির মদনমোহন আখড়াবাড়ী মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজে আসা ভাস্কর শ্রীবাস গাইন জানান, ভারত থেকে আমদানি করা রঙের উচ্চমূল্যের তুলনায় পারিশ্রমিক খুবই কম। তা সত্ত্বেও হাতে থাকা সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে তারা দিন-রাত শ্রম দিচ্ছেন। শহরের মন্দিরগুলোতে সময়মতো কাজ শুরু হওয়ায় সংকট কিছুটা সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি।
এদিকে, পূজা উদ্যাপন পরিষদের ঝালকাঠি জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অলোক সাহা জানান, বাইরের জেলা থেকে আগত কারিগরদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি মণ্ডপ কমিটিকে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে পাহারার ব্যবস্থা করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অলোক সাহা আশা প্রকাশ করেন যে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশে এবারের দুর্গাপূজা অত্যন্ত বর্ণিল ও আনন্দঘনভাবে সম্পন্ন হবে।
সূত্র: রাইজিংবিডি
