সোশ্যাল মিডিয়া
চরমোনাই'র জেলা আন্দোলন বাংলাদেশের ভোলা জেলা দক্ষিণ শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আব্বাস উদ্দিনের একটি ব্যক্তিগত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর পরিচালিত মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা।
মাওলানা আব্বাস উদ্দিন চরফ্যাশন পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি এর আগে ইসলামী আন্দোলনের সহযোগী সংগঠন ইসলামী যুব আন্দোলনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা পরিচালনা করছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাঁকে এক নারীর সঙ্গে ভিডিও কথোপকথনের সময় আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায় । ভিডিওতে ওই নারীর মুখ স্পষ্টভাবে দেখা যায়নি। তবে ভিডিওটির সত্যতা মাওলানা আব্বাস স্বীকার করেছেন।
এ বিষয়ে মাওলানা আব্বাস উদ্দিন জানান, ভিডিওটি তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে ব্যক্তিগত কথোপকথনের সময় ধারণ করা হয়েছিল। ভিডিওটি তাঁর মোবাইল ফোনে সংরক্ষিত ছিল। পরে মোবাইল ফোন হারিয়ে যাওয়ার পর সেটি ফাঁস হয় বলে তিনি দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, একজন আলেম হিসেবে এ ধরনের আপত্তিকর আচরণ তাঁর করা উচিত হয়নি।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, আব্বাস উদ্দিনের বাড়ির ভেতরে তার দ্বারা একটি মহিলা মাদ্রাসা পরিচালিত হয়। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিষ্ঠানটির ছাত্রীদের নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিবেশ নিয়ে তাঁদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এদিকে আব্বাস উদ্দিনের বিরুদ্ধে এর আগেও নারীসংক্রান্ত অভিযোগ উঠেছিল বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
চরমোনাই'র জেলা আন্দোলন বাংলাদেশের ভোলা জেলা দক্ষিণ শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আব্বাস উদ্দিনের একটি ব্যক্তিগত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর পরিচালিত মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা।
মাওলানা আব্বাস উদ্দিন চরফ্যাশন পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি এর আগে ইসলামী আন্দোলনের সহযোগী সংগঠন ইসলামী যুব আন্দোলনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা পরিচালনা করছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাঁকে এক নারীর সঙ্গে ভিডিও কথোপকথনের সময় আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায় । ভিডিওতে ওই নারীর মুখ স্পষ্টভাবে দেখা যায়নি। তবে ভিডিওটির সত্যতা মাওলানা আব্বাস স্বীকার করেছেন।
এ বিষয়ে মাওলানা আব্বাস উদ্দিন জানান, ভিডিওটি তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে ব্যক্তিগত কথোপকথনের সময় ধারণ করা হয়েছিল। ভিডিওটি তাঁর মোবাইল ফোনে সংরক্ষিত ছিল। পরে মোবাইল ফোন হারিয়ে যাওয়ার পর সেটি ফাঁস হয় বলে তিনি দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, একজন আলেম হিসেবে এ ধরনের আপত্তিকর আচরণ তাঁর করা উচিত হয়নি।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, আব্বাস উদ্দিনের বাড়ির ভেতরে তার দ্বারা একটি মহিলা মাদ্রাসা পরিচালিত হয়। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিষ্ঠানটির ছাত্রীদের নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিবেশ নিয়ে তাঁদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এদিকে আব্বাস উদ্দিনের বিরুদ্ধে এর আগেও নারীসংক্রান্ত অভিযোগ উঠেছিল বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।
