বাছাইকৃতবাছাইকৃত

না ফেরার দেশে ঈশ্বরগঞ্জের আঠারবাড়ীর কৃতী সন্তান ফখরুল আমিন সরকার; শোকে স্তব্ধ এলাকা

পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ফখরুল আমিন সরকার আর নেই, বিভিন্ন মহলের শোক

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

“মানুষ চলে যায়, থেকে যায় তার ভালোবাসার স্পর্শ; স্মৃতির আকাশে জ্বলে ওঠে অমলিন এক নক্ষত্র।”

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার আঠারবাড়ী ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর সরকার বাড়ির কৃতী সন্তান, সাবেক ছাত্রনেতা, পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজসেবক এবং সবার প্রিয় মানুষ ফখরুল আমিন সরকার ঢাকায় তাঁর নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং আঠারবাড়ীসহ সমগ্র ঈশ্বরগঞ্জে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

“মৃত্যু শেষ নয়, সৎকর্ম আর মানুষের ভালোবাসাই মানুষের প্রকৃত পরিচয়।”

ফখরুল আমিন সরকার ছাত্রজীবন থেকেই নেতৃত্বগুণ, শৃঙ্খলাবোধ এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য পরিচিত ছিলেন। সৌজন্যপূর্ণ আচরণ, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার কারণে তিনি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে একজন গ্রহণযোগ্য ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। এলাকার বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষামূলক ও মানবিক উদ্যোগে তাঁর নীরব অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।

রাজনৈতিক অঙ্গনেও তিনি পরিচ্ছন্ন, শালীন ও মূল্যবোধভিত্তিক রাজনীতির চর্চায় বিশ্বাসী ছিলেন। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা এবং জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন অমায়িক, বিনয়ী ও পরোপকারী। মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা তাঁকে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে দিয়েছিল।

“যারা মানুষের হৃদয়ে ঘর বাঁধে, তাদের বিদায় শুধু দেহের—স্মৃতির নয়।”

তাঁর মৃত্যুতে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী মহলের ব্যক্তিবর্গ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।

ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু এক শোকবার্তায় বলেন, “কিছু কিছু মানুষের বিদায় আত্মাকে ভেঙে দিয়ে যায়। অনেক কৃতজ্ঞতা জানানোর ছিল, অনেক কিছুই করার ছিল। ভালো থাকবেন পরপারে। এক জীবনের এই ছোট্ট সময়ে গভীর এক মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ থাকার সময়ে আপনাকে হারিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ঈশ্বরগঞ্জের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করছি। আমার নির্বাচন এবং কঠিন সময়ে আপনার পাশে থাকা আমাকে আজীবন ঋণী করে রাখবে।” তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

“শোকের ভাষা নিঃশব্দ, তবুও অশ্রু বলে দেয় কতটা আপন ছিলেন তিনি।”

অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও শিক্ষানুরাগী মিয়া সুলেমান বলেন, “আর কেউ হয়তো আমাকে সেই স্নেহভরা কণ্ঠে বলবে না—‘সুলেমান বাবা, তুমি কেমন আছো?’ এই একটি ডাক আজীবন আমার হৃদয়ে প্রতিধ্বনিত হবে। রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও ভালোবাসা, স্নেহ ও আন্তরিকতায় তিনি ছিলেন আমার আপনজনেরও আপন। তাঁর অকস্মাৎ প্রয়াণে শুধু একটি পরিবার নয়, তাঁকে ভালোবাসা অসংখ্য মানুষ একজন অভিভাবকসুলভ ব্যক্তিকে হারাল।”

এদিকে, মরহুমের কর্মস্থলের কর্ণধার এম জে আলমও এক আবেগঘন ফেসবুক স্ট্যাটাসে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, কুয়ালালামপুরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাসার নিচে শেষবারের মতো সালাম দিয়ে বিদায় নিয়েছিলেন ফখরুল আমিন সরকার। তখন তিনি কল্পনাও করতে পারেননি, সেটিই হবে তাঁদের শেষ দেখা।

এম জে আলম লিখেছেন, কুয়ালালামপুরে পৌঁছে ভোরে ঘুম থেকে জেগেই তিনি সহকর্মীর মৃত্যুসংবাদ পান। এ খবর শুনে তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত এক বছর ধরে ফখরুল আমিন সরকার তাঁদের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। সততা, অমায়িক ব্যবহার, দায়িত্বশীলতা ও পরোপকারী মনোভাবের কারণে অল্প সময়েই তিনি সবার প্রিয় হয়ে ওঠেন। ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে ছোট ভাই ও বন্ধুর মতো ভালোবাসতেন। জীবনের নানা বিষয়ে পরামর্শ নেওয়া-দেওয়ার পাশাপাশি তিনি ছিলেন ধর্মপ্রাণ; পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে আদায় করতেন।

এম জে আলম বলেন, “আজ আমি হারালাম একজন বিশ্বস্ত সহকর্মী, একজন প্রিয় বন্ধু ও একজন স্নেহের ছোট ভাই। এই ক্ষতি কখনো পূরণ হওয়ার নয়। সবচেয়ে বেশি কষ্ট হচ্ছে তাঁর ছোট ছোট সন্তানদের কথা ভেবে। তারা আজ পিতৃহারা হলো। এই মৃত্যু সত্যিই অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।”

“কিছু মানুষ বিদায় নেন, কিন্তু তাঁদের রেখে যাওয়া মমতা কখনো বিদায় নেয় না।”

মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের পক্ষ থেকে সবার প্রতি বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে—জীবদ্দশায় চলাফেরা, কথাবার্তা কিংবা অজান্তে কোনো আচরণে যদি কারও মনে সামান্যতম কষ্ট দিয়ে থাকেন, তবে মহানুভবতার সঙ্গে তাঁকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তাঁকে ক্ষমা করে দেবেন।

পরিবার গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেছে সেই সকল আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষী, প্রতিবেশী ও সহমর্মী মানুষদের, যারা মরহুমের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলেন, খোঁজখবর নিয়েছেন, দোয়া করেছেন এবং এই শোকের মুহূর্তেও পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁদের এই ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও আন্তরিকতা পরিবার আজীবন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ রাখবে।

মহান আল্লাহ তাআলার কাছে সবার একান্ত প্রার্থনা—তিনি যেন মরহুম ফখরুল আমিন সরকারকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত ও নূরে পরিপূর্ণ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয় শোক ধৈর্য ও ঈমানের সঙ্গে বহন করার তাওফিক দান করেন। আমিন।

উল্লেখ্য, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্রসন্তান ও এক কিশোরী কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

Public Voice

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬


না ফেরার দেশে ঈশ্বরগঞ্জের আঠারবাড়ীর কৃতী সন্তান ফখরুল আমিন সরকার; শোকে স্তব্ধ এলাকা

প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬

featured Image

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

“মানুষ চলে যায়, থেকে যায় তার ভালোবাসার স্পর্শ; স্মৃতির আকাশে জ্বলে ওঠে অমলিন এক নক্ষত্র।”

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার আঠারবাড়ী ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর সরকার বাড়ির কৃতী সন্তান, সাবেক ছাত্রনেতা, পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজসেবক এবং সবার প্রিয় মানুষ ফখরুল আমিন সরকার ঢাকায় তাঁর নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং আঠারবাড়ীসহ সমগ্র ঈশ্বরগঞ্জে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

“মৃত্যু শেষ নয়, সৎকর্ম আর মানুষের ভালোবাসাই মানুষের প্রকৃত পরিচয়।”

ফখরুল আমিন সরকার ছাত্রজীবন থেকেই নেতৃত্বগুণ, শৃঙ্খলাবোধ এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য পরিচিত ছিলেন। সৌজন্যপূর্ণ আচরণ, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার কারণে তিনি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে একজন গ্রহণযোগ্য ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। এলাকার বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষামূলক ও মানবিক উদ্যোগে তাঁর নীরব অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।

রাজনৈতিক অঙ্গনেও তিনি পরিচ্ছন্ন, শালীন ও মূল্যবোধভিত্তিক রাজনীতির চর্চায় বিশ্বাসী ছিলেন। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা এবং জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন অমায়িক, বিনয়ী ও পরোপকারী। মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা তাঁকে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে দিয়েছিল।

“যারা মানুষের হৃদয়ে ঘর বাঁধে, তাদের বিদায় শুধু দেহের—স্মৃতির নয়।”

তাঁর মৃত্যুতে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী মহলের ব্যক্তিবর্গ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।

ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু এক শোকবার্তায় বলেন, “কিছু কিছু মানুষের বিদায় আত্মাকে ভেঙে দিয়ে যায়। অনেক কৃতজ্ঞতা জানানোর ছিল, অনেক কিছুই করার ছিল। ভালো থাকবেন পরপারে। এক জীবনের এই ছোট্ট সময়ে গভীর এক মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ থাকার সময়ে আপনাকে হারিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ঈশ্বরগঞ্জের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করছি। আমার নির্বাচন এবং কঠিন সময়ে আপনার পাশে থাকা আমাকে আজীবন ঋণী করে রাখবে।” তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

“শোকের ভাষা নিঃশব্দ, তবুও অশ্রু বলে দেয় কতটা আপন ছিলেন তিনি।”

অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও শিক্ষানুরাগী মিয়া সুলেমান বলেন, “আর কেউ হয়তো আমাকে সেই স্নেহভরা কণ্ঠে বলবে না—‘সুলেমান বাবা, তুমি কেমন আছো?’ এই একটি ডাক আজীবন আমার হৃদয়ে প্রতিধ্বনিত হবে। রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও ভালোবাসা, স্নেহ ও আন্তরিকতায় তিনি ছিলেন আমার আপনজনেরও আপন। তাঁর অকস্মাৎ প্রয়াণে শুধু একটি পরিবার নয়, তাঁকে ভালোবাসা অসংখ্য মানুষ একজন অভিভাবকসুলভ ব্যক্তিকে হারাল।”

এদিকে, মরহুমের কর্মস্থলের কর্ণধার এম জে আলমও এক আবেগঘন ফেসবুক স্ট্যাটাসে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, কুয়ালালামপুরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাসার নিচে শেষবারের মতো সালাম দিয়ে বিদায় নিয়েছিলেন ফখরুল আমিন সরকার। তখন তিনি কল্পনাও করতে পারেননি, সেটিই হবে তাঁদের শেষ দেখা।

এম জে আলম লিখেছেন, কুয়ালালামপুরে পৌঁছে ভোরে ঘুম থেকে জেগেই তিনি সহকর্মীর মৃত্যুসংবাদ পান। এ খবর শুনে তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত এক বছর ধরে ফখরুল আমিন সরকার তাঁদের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। সততা, অমায়িক ব্যবহার, দায়িত্বশীলতা ও পরোপকারী মনোভাবের কারণে অল্প সময়েই তিনি সবার প্রিয় হয়ে ওঠেন। ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে ছোট ভাই ও বন্ধুর মতো ভালোবাসতেন। জীবনের নানা বিষয়ে পরামর্শ নেওয়া-দেওয়ার পাশাপাশি তিনি ছিলেন ধর্মপ্রাণ; পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে আদায় করতেন।

এম জে আলম বলেন, “আজ আমি হারালাম একজন বিশ্বস্ত সহকর্মী, একজন প্রিয় বন্ধু ও একজন স্নেহের ছোট ভাই। এই ক্ষতি কখনো পূরণ হওয়ার নয়। সবচেয়ে বেশি কষ্ট হচ্ছে তাঁর ছোট ছোট সন্তানদের কথা ভেবে। তারা আজ পিতৃহারা হলো। এই মৃত্যু সত্যিই অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।”

“কিছু মানুষ বিদায় নেন, কিন্তু তাঁদের রেখে যাওয়া মমতা কখনো বিদায় নেয় না।”

মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের পক্ষ থেকে সবার প্রতি বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে—জীবদ্দশায় চলাফেরা, কথাবার্তা কিংবা অজান্তে কোনো আচরণে যদি কারও মনে সামান্যতম কষ্ট দিয়ে থাকেন, তবে মহানুভবতার সঙ্গে তাঁকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তাঁকে ক্ষমা করে দেবেন।

পরিবার গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেছে সেই সকল আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষী, প্রতিবেশী ও সহমর্মী মানুষদের, যারা মরহুমের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলেন, খোঁজখবর নিয়েছেন, দোয়া করেছেন এবং এই শোকের মুহূর্তেও পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁদের এই ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও আন্তরিকতা পরিবার আজীবন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ রাখবে।

মহান আল্লাহ তাআলার কাছে সবার একান্ত প্রার্থনা—তিনি যেন মরহুম ফখরুল আমিন সরকারকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত ও নূরে পরিপূর্ণ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয় শোক ধৈর্য ও ঈমানের সঙ্গে বহন করার তাওফিক দান করেন। আমিন।

উল্লেখ্য, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্রসন্তান ও এক কিশোরী কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত