রাজনীতি
নেত্রকোণা সদর উপজেলার লক্ষীগঞ্জ এলাকার হাজী ফয়েজ উদ্দিন আকন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আজহারুল হক তুহিনের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা বর্জন করে মানববন্ধন করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
রোববার (১২ জুলাই) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত মানববন্ধনে কয়েকশ শিক্ষার্থী ও অভিভাবক অংশ নেন। তারা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা’ ও ‘হয়রানিমূলক’ দাবি করে মামলা প্রত্যাহার এবং তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, তাদের প্রিয় প্রধান শিক্ষককে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, গত ৯ জুলাই আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানোর সময় প্রিজন ভ্যানের সামনে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানালে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালান। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিতে যাওয়ার সময়ও বাধা ও হামলার চেষ্টার অভিযোগ তোলেন তারা।
পরে দুপুর ১টার দিকে বিদ্যালয়ের একাডেমিক সুপারভাইজার মো. আব্দুল আওয়ালের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। তারা জানান, সোমবার থেকে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী পরীক্ষায় অংশ নেবেন।
জানা গেছে, মো. আজহারুল হক তুহিন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে লক্ষীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন। সরকার পরিবর্তনের পর একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবন্দি ছিলেন। পরে জামিনে মুক্তি পেয়ে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। তবে গত ৯ জুলাই আরেকটি মামলায় তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট বিরামপুর বাজারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি মামলায় এর আগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এছাড়া সম্প্রতি নেত্রকোণা শহরের মোক্তারপাড়া এলাকার জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে ৯ জুলাই বিরামপুর এলাকা থেকে তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে নেত্রকোণা মডেল থানা পুলিশ।
এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা প্রধান শিক্ষকের মুক্তির দাবিতে মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।
এ বিষয়ে নেত্রকোণা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারী গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে বিদ্যালয়ে একাডেমিক সুপারভাইজারকে পাঠানো হয়। তার উদ্যোগে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের রুটিন অনুযায়ী পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার আশ্বাস দেয়।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
নেত্রকোণা সদর উপজেলার লক্ষীগঞ্জ এলাকার হাজী ফয়েজ উদ্দিন আকন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আজহারুল হক তুহিনের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা বর্জন করে মানববন্ধন করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
রোববার (১২ জুলাই) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত মানববন্ধনে কয়েকশ শিক্ষার্থী ও অভিভাবক অংশ নেন। তারা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা’ ও ‘হয়রানিমূলক’ দাবি করে মামলা প্রত্যাহার এবং তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, তাদের প্রিয় প্রধান শিক্ষককে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, গত ৯ জুলাই আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানোর সময় প্রিজন ভ্যানের সামনে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানালে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালান। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিতে যাওয়ার সময়ও বাধা ও হামলার চেষ্টার অভিযোগ তোলেন তারা।
পরে দুপুর ১টার দিকে বিদ্যালয়ের একাডেমিক সুপারভাইজার মো. আব্দুল আওয়ালের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। তারা জানান, সোমবার থেকে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী পরীক্ষায় অংশ নেবেন।
জানা গেছে, মো. আজহারুল হক তুহিন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে লক্ষীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন। সরকার পরিবর্তনের পর একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবন্দি ছিলেন। পরে জামিনে মুক্তি পেয়ে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। তবে গত ৯ জুলাই আরেকটি মামলায় তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট বিরামপুর বাজারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি মামলায় এর আগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এছাড়া সম্প্রতি নেত্রকোণা শহরের মোক্তারপাড়া এলাকার জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে ৯ জুলাই বিরামপুর এলাকা থেকে তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে নেত্রকোণা মডেল থানা পুলিশ।
এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা প্রধান শিক্ষকের মুক্তির দাবিতে মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।
এ বিষয়ে নেত্রকোণা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারী গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে বিদ্যালয়ে একাডেমিক সুপারভাইজারকে পাঠানো হয়। তার উদ্যোগে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের রুটিন অনুযায়ী পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার আশ্বাস দেয়।
