পরীক্ষা
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় সরকারি ও এমপিওভুক্ত মিলিয়ে ১৮টি কলেজ (১২টি) ও আলিম মাদ্রাসায় (৬টি) উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে। ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন মোট ১ হাজার ৭২৬ জন শিক্ষার্থী। সে হিসাবে প্রতি প্রতিষ্ঠানে গড়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৯৬ জন। শিক্ষার্থীসংখ্যার এই চিত্র উপজেলার উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তবতা এবং বিদ্যমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
উপজেলার ছয়টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার প্রথম দিনে এইচএসসি, আলিম ও বিএম শাখা মিলিয়ে মোট ১ হাজার ৭২৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৬৭৯ জন উপস্থিত ছিলেন এবং ৪৭ জন অনুপস্থিত ছিলেন। তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, অনুপস্থিত ৪৭ জনের চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো—এত বড় একটি উপজেলায় উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এত কম কেন।
শিক্ষাসংশ্লিষ্টদের মতে, মাধ্যমিকের পর কত শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে, কতজন আর্থিক সংকট, পারিবারিক দায়িত্ব কিংবা কর্মসংস্থানের তাগিদে পড়াশোনা ছেড়ে দিচ্ছে এবং কতজন উচ্চশিক্ষার প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান ও গবেষণা প্রয়োজন। কারণ শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার প্রবণতা ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা, দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।
একই সঙ্গে ১৮টি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, অবকাঠামো, এমপিও সুবিধা এবং অন্যান্য সরকারি সহায়তার বিপরীতে বর্তমান শিক্ষার্থীসংখ্যা কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, সে প্রশ্নও সামনে এসেছে। যদিও কেবল পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দেখে সরকারি অর্থের অপচয় হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না, তবু শিক্ষার্থীসংখ্যার পরিবর্তিত বাস্তবতায় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা, সম্পদের ব্যবহার এবং সরকারি বিনিয়োগের ফলাফল মূল্যায়নের দাবি জোরালো হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নতুন প্রতিষ্ঠান স্থাপনের পাশাপাশি বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থী আকর্ষণের সক্ষমতা, শিক্ষা-মান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত এবং সরকারি ব্যয়ের কার্যকারিতা নিয়েও স্বচ্ছ মূল্যায়ন হওয়া উচিত। তাদের মতে, এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ঝরে পড়া কমিয়ে আরও বেশি শিক্ষার্থীকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ধরে রাখা এবং বিদ্যমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা।
উল্লেখ্য যে, জেনারেল, কারিগরি ও মাদ্রাসা বোর্ডসমূহের সাইটের তথ্যানুযায়ী এই উপজেলায় মোট ১৮টি প্রতিষ্ঠানে এইচএসসি বা সমমান পড়ানো হয়।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় সরকারি ও এমপিওভুক্ত মিলিয়ে ১৮টি কলেজ (১২টি) ও আলিম মাদ্রাসায় (৬টি) উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে। ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন মোট ১ হাজার ৭২৬ জন শিক্ষার্থী। সে হিসাবে প্রতি প্রতিষ্ঠানে গড়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৯৬ জন। শিক্ষার্থীসংখ্যার এই চিত্র উপজেলার উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তবতা এবং বিদ্যমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
উপজেলার ছয়টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার প্রথম দিনে এইচএসসি, আলিম ও বিএম শাখা মিলিয়ে মোট ১ হাজার ৭২৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৬৭৯ জন উপস্থিত ছিলেন এবং ৪৭ জন অনুপস্থিত ছিলেন। তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, অনুপস্থিত ৪৭ জনের চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো—এত বড় একটি উপজেলায় উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এত কম কেন।
শিক্ষাসংশ্লিষ্টদের মতে, মাধ্যমিকের পর কত শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে, কতজন আর্থিক সংকট, পারিবারিক দায়িত্ব কিংবা কর্মসংস্থানের তাগিদে পড়াশোনা ছেড়ে দিচ্ছে এবং কতজন উচ্চশিক্ষার প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান ও গবেষণা প্রয়োজন। কারণ শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার প্রবণতা ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা, দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।
একই সঙ্গে ১৮টি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, অবকাঠামো, এমপিও সুবিধা এবং অন্যান্য সরকারি সহায়তার বিপরীতে বর্তমান শিক্ষার্থীসংখ্যা কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, সে প্রশ্নও সামনে এসেছে। যদিও কেবল পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দেখে সরকারি অর্থের অপচয় হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না, তবু শিক্ষার্থীসংখ্যার পরিবর্তিত বাস্তবতায় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা, সম্পদের ব্যবহার এবং সরকারি বিনিয়োগের ফলাফল মূল্যায়নের দাবি জোরালো হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নতুন প্রতিষ্ঠান স্থাপনের পাশাপাশি বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থী আকর্ষণের সক্ষমতা, শিক্ষা-মান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত এবং সরকারি ব্যয়ের কার্যকারিতা নিয়েও স্বচ্ছ মূল্যায়ন হওয়া উচিত। তাদের মতে, এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ঝরে পড়া কমিয়ে আরও বেশি শিক্ষার্থীকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ধরে রাখা এবং বিদ্যমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা।
উল্লেখ্য যে, জেনারেল, কারিগরি ও মাদ্রাসা বোর্ডসমূহের সাইটের তথ্যানুযায়ী এই উপজেলায় মোট ১৮টি প্রতিষ্ঠানে এইচএসসি বা সমমান পড়ানো হয়।
