অন্যান্য
ঢাকা, বাংলাদেশ: রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় পরিচালিত এক যুব-নেতৃত্বাধীন গবেষণায় কিশোর-কিশোরীদের মাসিক স্বাস্থ্য ও যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার (SRHR) বিষয়ে তথ্যের ঘাটতি, সচেতনতার অভাব এবং স্বাস্থ্যসেবায় সীমিত প্রবেশাধিকারের চিত্র উঠে এসেছে।
Youth Action for Development (YAD) এর Youth Share-Net Project-এর আওতায় পরিচালিত এ গবেষণায় দেখা যায়, প্রায় ৩৮ শতাংশ কিশোরী মাসিক শুরু হওয়ার পূর্বে এ বিষয়ে কোনো তথ্য বা ধারণা পায়নি। একই সঙ্গে ৯৬.৬ শতাংশ কিশোরী মনে করে মাসিক ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে আরও শিক্ষা ও তথ্যের প্রয়োজন রয়েছে।
গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, মাত্র ৩৭.৩ শতাংশ কিশোরী জানিয়েছে যে তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে নিয়মিত সচেতনতামূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অন্যদিকে, ৫৬.৭ শতাংশ কিশোরী মাসিকজনিত কারণে অন্তত একবার বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেছে।
এছাড়া ৫৩.৩ শতাংশ কিশোরী কিশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র (AFHSC) সম্পর্কে অবগত নয় এবং ৬১.৩ শতাংশ জানে না কোথায় মাসিক বা প্রজনন স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সহায়তা পাওয়া যায়।
গবেষণায় আরও উঠে এসেছে যে, ৮৫.৩ শতাংশ কিশোরী মনে করে মাসিক বিষয়ে জ্ঞানের অভাব, সামাজিক কুসংস্কার ও ভুল ধারণা বৈষম্য সৃষ্টি করে। একইসঙ্গে ৪১ শতাংশ কিশোর-কিশোরী এখনও মাসিককে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচনা করে না।
গবেষণার ফলাফল ইঙ্গিত করে যে, তথ্যের সীমাবদ্ধতা, সামাজিক সংকোচ, স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে অজ্ঞতা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত আলোচনা না থাকার কারণে কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও সার্বিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বিদ্যালয়ভিত্তিক এসআরএইচআর শিক্ষা কার্যক্রম চালু, কিশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবার প্রসার এবং পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
গবেষকরা মনে করেন, নির্ভরযোগ্য তথ্য, সহায়ক সামাজিক পরিবেশ এবং সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা গেলে কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামগ্রিক কল্যাণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ: রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় পরিচালিত এক যুব-নেতৃত্বাধীন গবেষণায় কিশোর-কিশোরীদের মাসিক স্বাস্থ্য ও যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার (SRHR) বিষয়ে তথ্যের ঘাটতি, সচেতনতার অভাব এবং স্বাস্থ্যসেবায় সীমিত প্রবেশাধিকারের চিত্র উঠে এসেছে।
Youth Action for Development (YAD) এর Youth Share-Net Project-এর আওতায় পরিচালিত এ গবেষণায় দেখা যায়, প্রায় ৩৮ শতাংশ কিশোরী মাসিক শুরু হওয়ার পূর্বে এ বিষয়ে কোনো তথ্য বা ধারণা পায়নি। একই সঙ্গে ৯৬.৬ শতাংশ কিশোরী মনে করে মাসিক ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে আরও শিক্ষা ও তথ্যের প্রয়োজন রয়েছে।
গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, মাত্র ৩৭.৩ শতাংশ কিশোরী জানিয়েছে যে তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে নিয়মিত সচেতনতামূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অন্যদিকে, ৫৬.৭ শতাংশ কিশোরী মাসিকজনিত কারণে অন্তত একবার বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেছে।
এছাড়া ৫৩.৩ শতাংশ কিশোরী কিশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র (AFHSC) সম্পর্কে অবগত নয় এবং ৬১.৩ শতাংশ জানে না কোথায় মাসিক বা প্রজনন স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সহায়তা পাওয়া যায়।
গবেষণায় আরও উঠে এসেছে যে, ৮৫.৩ শতাংশ কিশোরী মনে করে মাসিক বিষয়ে জ্ঞানের অভাব, সামাজিক কুসংস্কার ও ভুল ধারণা বৈষম্য সৃষ্টি করে। একইসঙ্গে ৪১ শতাংশ কিশোর-কিশোরী এখনও মাসিককে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচনা করে না।
গবেষণার ফলাফল ইঙ্গিত করে যে, তথ্যের সীমাবদ্ধতা, সামাজিক সংকোচ, স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে অজ্ঞতা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত আলোচনা না থাকার কারণে কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও সার্বিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বিদ্যালয়ভিত্তিক এসআরএইচআর শিক্ষা কার্যক্রম চালু, কিশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবার প্রসার এবং পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
গবেষকরা মনে করেন, নির্ভরযোগ্য তথ্য, সহায়ক সামাজিক পরিবেশ এবং সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা গেলে কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামগ্রিক কল্যাণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।
