নির্বাচন
আসন্ন উলিপুর পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে পৌর এলাকার সর্বত্র এখন নির্বাচনী আমেজ। আনুষ্ঠানিকভাবে তফসিল ঘোষণা না হলেও হাট-বাজার, চায়ের দোকান ও মোড়ে মোড়ে সাধারণ মানুষের প্রধান আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে—"কে হচ্ছেন পরবর্তী পৌর পিতা?"
পৌরসভার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্থানীয় সামাজিক মহলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে নানামুখী হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে। ভোটারদের মুখে মুখে ঘুরছে বেশ কয়েকজন পরিচিত ও প্রভাবশালী প্রার্থীর নাম।
স্থানীয় সাধারণ মানুষ এবং রাজনৈতিক কর্মীদের আলোচনা থেকে বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট ও তরুণ প্রার্থীর নাম সামনে আসছে:
এ. কে. এম. মাঈদুল ইসলাম মুকুলের চাচাতো ভাই শফিকুল ইসলামের নাম শহরজুড়ে বেশ জোরেসোরেই আলোচিত হচ্ছে। পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য এবং পরিচিতির কারণে সাধারণ মানুষের মাঝে তাকে নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।
ফিরোজ কবির কাজল: রংপুর কারমাইকেল কলেজের সাবেক তুখোড় ছাত্রনেতা এবং বর্তমান স্থানীয় বিএনপি নেতা ফিরোজ কবির কাজল রয়েছেন আলোচনার শীর্ষ তালিকায়। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এবং মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সাথে নিবিড় যোগাযোগের কারণে তিনি অন্যতম শক্ত প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
আবু জাফর সোহেল রানা: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থানীয় অঙ্গসংগঠনের প্রভাবশালী নেতা আবু জাফর সোহেল রানা। তিনি উলিপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সফল সভাপতি (তিনবার নির্বাচিত) এবং বর্তমানে জেলা যুবদলের ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তরুণ ও যুবসমাজের মাঝে তাঁর ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মাঝেও তাঁর নাম বেশ গুরুত্বের সাথে উচ্চারিত হচ্ছে।
বদরুল আলম রানা: উলিপুর পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম গোলাম মোস্তফার জ্যেষ্ঠ পুত্র বদর আলম রানা। পিতার সুনাম এবং পারিবারিক পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে তিনি এলাকায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। সাধারণ ভোটারদের একটি বড় অংশ তাঁর প্রতি সদয় দৃষ্টি রাখছেন।
উলিপুর পৌরসভার ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা এমন একজন পৌর পিতা চান যিনি দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে পৌরসভার রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করবেন। বিশেষ করে তরুণ ভোটাররা পরিচ্ছন্ন, মাদকমুক্ত এবং আধুনিক পৌরসভা গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন—এমন প্রার্থীকেই বেছে নিতে আগ্রহী।
সার্বিক পরিস্থিতি: সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যেই বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে যোগাযোগ বাড়াতে শুরু করেছেন। চায়ের টেবিলের এই আলোচনা ও গুঞ্জন নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে আরও উৎসবমুখর হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
আসন্ন উলিপুর পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে পৌর এলাকার সর্বত্র এখন নির্বাচনী আমেজ। আনুষ্ঠানিকভাবে তফসিল ঘোষণা না হলেও হাট-বাজার, চায়ের দোকান ও মোড়ে মোড়ে সাধারণ মানুষের প্রধান আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে—"কে হচ্ছেন পরবর্তী পৌর পিতা?"
পৌরসভার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্থানীয় সামাজিক মহলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে নানামুখী হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে। ভোটারদের মুখে মুখে ঘুরছে বেশ কয়েকজন পরিচিত ও প্রভাবশালী প্রার্থীর নাম।
স্থানীয় সাধারণ মানুষ এবং রাজনৈতিক কর্মীদের আলোচনা থেকে বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট ও তরুণ প্রার্থীর নাম সামনে আসছে:
এ. কে. এম. মাঈদুল ইসলাম মুকুলের চাচাতো ভাই শফিকুল ইসলামের নাম শহরজুড়ে বেশ জোরেসোরেই আলোচিত হচ্ছে। পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য এবং পরিচিতির কারণে সাধারণ মানুষের মাঝে তাকে নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।
ফিরোজ কবির কাজল: রংপুর কারমাইকেল কলেজের সাবেক তুখোড় ছাত্রনেতা এবং বর্তমান স্থানীয় বিএনপি নেতা ফিরোজ কবির কাজল রয়েছেন আলোচনার শীর্ষ তালিকায়। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এবং মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সাথে নিবিড় যোগাযোগের কারণে তিনি অন্যতম শক্ত প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
আবু জাফর সোহেল রানা: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থানীয় অঙ্গসংগঠনের প্রভাবশালী নেতা আবু জাফর সোহেল রানা। তিনি উলিপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সফল সভাপতি (তিনবার নির্বাচিত) এবং বর্তমানে জেলা যুবদলের ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তরুণ ও যুবসমাজের মাঝে তাঁর ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মাঝেও তাঁর নাম বেশ গুরুত্বের সাথে উচ্চারিত হচ্ছে।
বদরুল আলম রানা: উলিপুর পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম গোলাম মোস্তফার জ্যেষ্ঠ পুত্র বদর আলম রানা। পিতার সুনাম এবং পারিবারিক পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে তিনি এলাকায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। সাধারণ ভোটারদের একটি বড় অংশ তাঁর প্রতি সদয় দৃষ্টি রাখছেন।
উলিপুর পৌরসভার ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা এমন একজন পৌর পিতা চান যিনি দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে পৌরসভার রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করবেন। বিশেষ করে তরুণ ভোটাররা পরিচ্ছন্ন, মাদকমুক্ত এবং আধুনিক পৌরসভা গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন—এমন প্রার্থীকেই বেছে নিতে আগ্রহী।
সার্বিক পরিস্থিতি: সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যেই বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে যোগাযোগ বাড়াতে শুরু করেছেন। চায়ের টেবিলের এই আলোচনা ও গুঞ্জন নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে আরও উৎসবমুখর হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
