নির্বাচননির্বাচন

২ মার্চ ৮ম জাতীয় ভোটার দিবস: “ভোটারদের শক্তি, গণতন্ত্রের মুক্তি”

২ মার্চ ৮ম জাতীয় ভোটার দিবস: “ভোটারদের শক্তি, গণতন্ত্রের মুক্তি”
ফাইল ছবি

আগামীকাল ২ মার্চ সারাদেশে পালিত হবে ৮ম জাতীয় ভোটার দিবস। গণতান্ত্রিক চর্চা জোরদার এবং নাগরিকদের ভোটাধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছরের মতো এবারও দিনটি উদযাপন করা হচ্ছে যথাযোগ্য মর্যাদায়। এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— “ভোটারদের শক্তি, গণতন্ত্রের মুক্তি”।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ভোটার দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো নাগরিকদের ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হতে উৎসাহিত করা, ভোটাধিকার প্রয়োগে সচেতন করা এবং একটি শক্তিশালী ও অংশগ্রহণমূলক গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা। দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আলোচনা সভা, র‍্যালি এবং সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

এবারের প্রতিপাদ্যে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে যে, গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো জনগণ এবং সেই জনগণের শক্তিই ভোট। একজন সচেতন ভোটারই পারে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে। ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণই গণতন্ত্রকে সুসংহত ও মুক্ত করে— এমন বার্তাই প্রতিফলিত হয়েছে এবারের স্লোগানে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় দিবসটি ঘিরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে। টেলিভিশন, রেডিও ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচারের মাধ্যমে নাগরিকদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, তরুণ ভোটারদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো বর্তমান সময়ের একটি বড় চ্যালেঞ্জ। নতুন প্রজন্মকে ভোটের গুরুত্ব বোঝানো এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে জাতীয় ভোটার দিবস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভোটাধিকার নিশ্চিত করাও দিবসটির তাৎপর্যের অংশ।

উল্লেখ্য, জাতীয় ভোটার দিবস উদযাপনের মাধ্যমে নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। “ভোটারদের শক্তি, গণতন্ত্রের মুক্তি”— এই অঙ্গীকার ধারণ করেই এবারও দেশব্যাপী পালিত হবে ৮ম জাতীয় ভোটার 

Public Voice

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


২ মার্চ ৮ম জাতীয় ভোটার দিবস: “ভোটারদের শক্তি, গণতন্ত্রের মুক্তি”

প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬

featured Image

আগামীকাল ২ মার্চ সারাদেশে পালিত হবে ৮ম জাতীয় ভোটার দিবস। গণতান্ত্রিক চর্চা জোরদার এবং নাগরিকদের ভোটাধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছরের মতো এবারও দিনটি উদযাপন করা হচ্ছে যথাযোগ্য মর্যাদায়। এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— “ভোটারদের শক্তি, গণতন্ত্রের মুক্তি”।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ভোটার দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো নাগরিকদের ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হতে উৎসাহিত করা, ভোটাধিকার প্রয়োগে সচেতন করা এবং একটি শক্তিশালী ও অংশগ্রহণমূলক গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা। দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আলোচনা সভা, র‍্যালি এবং সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

এবারের প্রতিপাদ্যে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে যে, গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো জনগণ এবং সেই জনগণের শক্তিই ভোট। একজন সচেতন ভোটারই পারে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে। ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণই গণতন্ত্রকে সুসংহত ও মুক্ত করে— এমন বার্তাই প্রতিফলিত হয়েছে এবারের স্লোগানে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় দিবসটি ঘিরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে। টেলিভিশন, রেডিও ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচারের মাধ্যমে নাগরিকদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, তরুণ ভোটারদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো বর্তমান সময়ের একটি বড় চ্যালেঞ্জ। নতুন প্রজন্মকে ভোটের গুরুত্ব বোঝানো এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে জাতীয় ভোটার দিবস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভোটাধিকার নিশ্চিত করাও দিবসটির তাৎপর্যের অংশ।

উল্লেখ্য, জাতীয় ভোটার দিবস উদযাপনের মাধ্যমে নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। “ভোটারদের শক্তি, গণতন্ত্রের মুক্তি”— এই অঙ্গীকার ধারণ করেই এবারও দেশব্যাপী পালিত হবে ৮ম জাতীয় ভোটার 


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত