নির্বাচন
* ফকিরজুম পাড়ার পাহাড়ি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা সমাগম
* ডেঞ্জারজোন এলাকায় যৌথ বাহিনী সাঁজোয়া যানে পাহারা বসানোর দাবী
জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাকি মাত্র একদিন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রত্যাশিত এ নির্বাচন। এ নির্বাচনকে ঘিরে যেমন উৎসব মূখর পরিবেশ বিরাজ করছে তেমনি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র সমূহে ভোটার মাঠে এক অজানা শঙ্কা ও বিরাজ করছে। তবে ইতিমধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মহেশখালীতে ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত পুরো উপজেলার কালারমারছড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ যৌথ টহল পরিচালিত হয়েছে।
এই সমন্বিত টহলে অংশ নেয় বেসামরিক প্রশাসন, বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী, এলিট ফোস, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ আনসার ও বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিনিধিরা।
টহল দলটি পৌর সভা বাজার, কালারমারছড়া বাজার, মাতারবাড়ী এলাকাসহ ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে অবস্থান নেয়। এছাড়া প্রধান সড়ক ও স্থানীয় বাজারগুলোতে বাহিনীর সরব উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
জানাযায়, বিভিন্ন সময় উপজেলার কালারমারছড়া বাজারের পূর্বপাশে ফকিরজুম পাড়া পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের আস্তানায় আইনশৃংখলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক অস্ত্রসহ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করলেও সমূলে নির্মূল করা যায় নি ফকিরজুম পাড়ার পাহাড়ি তারেক বাহিনীর সন্ত্রাসীদের। তাই সাধারণ ভোটার ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নির্ভয়ে ভোট দিতে ওই ফকিরজুম পাড়া ও অফিস পাড়ার প্রবেশ মুখে সাজোঁয়া যানের মত অস্ত্রসহকারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের দাবী জানান। তার বলছে এটি তাদের প্রাণের দাবী। কারণ তারা ইতিমধ্যে ওই এলাকায় চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের আনাগোনা বেড়েছে বলে দাবী করেছেন তারা।
এদিকে টহল চলাকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময় করেন। এ সময় নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে জনসাধারণকে আশ্বস্ত করা হয়। প্রশাসনের এই দৃশ্যমান ও সমন্বিত অবস্থান স্থানীয়দের মধ্যে বাড়তি নিরাপত্তা ও আস্থার সঞ্চার করেছে, যা সাধারণ ভোটারদের শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগে উৎসাহিত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মহেশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট আবু জাফর মজুমদারসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকতা।
এই যৌথ শোডাউনের ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও সুদৃঢ় হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি বিবেচনায় এ ধরনের নিয়মিত যৌথ টহল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
* ফকিরজুম পাড়ার পাহাড়ি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা সমাগম
* ডেঞ্জারজোন এলাকায় যৌথ বাহিনী সাঁজোয়া যানে পাহারা বসানোর দাবী
জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাকি মাত্র একদিন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রত্যাশিত এ নির্বাচন। এ নির্বাচনকে ঘিরে যেমন উৎসব মূখর পরিবেশ বিরাজ করছে তেমনি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র সমূহে ভোটার মাঠে এক অজানা শঙ্কা ও বিরাজ করছে। তবে ইতিমধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মহেশখালীতে ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত পুরো উপজেলার কালারমারছড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ যৌথ টহল পরিচালিত হয়েছে।
এই সমন্বিত টহলে অংশ নেয় বেসামরিক প্রশাসন, বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী, এলিট ফোস, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ আনসার ও বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিনিধিরা।
টহল দলটি পৌর সভা বাজার, কালারমারছড়া বাজার, মাতারবাড়ী এলাকাসহ ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে অবস্থান নেয়। এছাড়া প্রধান সড়ক ও স্থানীয় বাজারগুলোতে বাহিনীর সরব উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
জানাযায়, বিভিন্ন সময় উপজেলার কালারমারছড়া বাজারের পূর্বপাশে ফকিরজুম পাড়া পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের আস্তানায় আইনশৃংখলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক অস্ত্রসহ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করলেও সমূলে নির্মূল করা যায় নি ফকিরজুম পাড়ার পাহাড়ি তারেক বাহিনীর সন্ত্রাসীদের। তাই সাধারণ ভোটার ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নির্ভয়ে ভোট দিতে ওই ফকিরজুম পাড়া ও অফিস পাড়ার প্রবেশ মুখে সাজোঁয়া যানের মত অস্ত্রসহকারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের দাবী জানান। তার বলছে এটি তাদের প্রাণের দাবী। কারণ তারা ইতিমধ্যে ওই এলাকায় চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের আনাগোনা বেড়েছে বলে দাবী করেছেন তারা।
এদিকে টহল চলাকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময় করেন। এ সময় নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে জনসাধারণকে আশ্বস্ত করা হয়। প্রশাসনের এই দৃশ্যমান ও সমন্বিত অবস্থান স্থানীয়দের মধ্যে বাড়তি নিরাপত্তা ও আস্থার সঞ্চার করেছে, যা সাধারণ ভোটারদের শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগে উৎসাহিত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মহেশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট আবু জাফর মজুমদারসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকতা।
এই যৌথ শোডাউনের ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও সুদৃঢ় হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি বিবেচনায় এ ধরনের নিয়মিত যৌথ টহল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
