নির্বাচন
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–১৮ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজনৈতিক নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না। বিশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ঢাকা–১৮ ও বগুড়া–২—এই দুটি আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও বাস্তবতা ও ব্যয়সংক্রান্ত সীমাবদ্ধতার কারণে তিনি ঢাকা–১৮ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
মাহমুদুর রহমান মান্নার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকা–১৮ একটি অত্যন্ত বড় ও ব্যয়বহুল নির্বাচনী এলাকা। এই আসনের আওতায় রয়েছে সাড়ে সাতটি থানা এবং প্রায় সাড়ে ছয় লাখ ভোটার। এত বৃহৎ নির্বাচনী এলাকায় কার্যকরভাবে নির্বাচন পরিচালনা করা তার পক্ষে আর্থিকভাবে সম্ভব নয় বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, “নির্বাচন এতটাই ব্যয়বহুল যে তা নির্বাহ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। ফলে ঢাকা–১৮ আসনের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, এই সিদ্ধান্তে যদি কেউ মনে কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে তাদের কাছে তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের বর্তমান নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে ব্যয়, সংগঠন ও লজিস্টিক সক্ষমতা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। সে বাস্তবতা মাথায় রেখেই মাহমুদুর রহমান মান্নার এই সিদ্ধান্তকে বাস্তবধর্মী ও সময়োপযোগী বলেই মনে করছেন তারা।
উল্লেখ্য, মাহমুদুর রহমান মান্না দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনী রাজনীতিতে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, স্বচ্ছতা এবং গণতান্ত্রিক সংস্কারের পক্ষে সোচ্চার। তার এই ঘোষণার ফলে ঢাকা–১৮ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–১৮ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজনৈতিক নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না। বিশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ঢাকা–১৮ ও বগুড়া–২—এই দুটি আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও বাস্তবতা ও ব্যয়সংক্রান্ত সীমাবদ্ধতার কারণে তিনি ঢাকা–১৮ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
মাহমুদুর রহমান মান্নার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকা–১৮ একটি অত্যন্ত বড় ও ব্যয়বহুল নির্বাচনী এলাকা। এই আসনের আওতায় রয়েছে সাড়ে সাতটি থানা এবং প্রায় সাড়ে ছয় লাখ ভোটার। এত বৃহৎ নির্বাচনী এলাকায় কার্যকরভাবে নির্বাচন পরিচালনা করা তার পক্ষে আর্থিকভাবে সম্ভব নয় বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, “নির্বাচন এতটাই ব্যয়বহুল যে তা নির্বাহ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। ফলে ঢাকা–১৮ আসনের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, এই সিদ্ধান্তে যদি কেউ মনে কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে তাদের কাছে তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের বর্তমান নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে ব্যয়, সংগঠন ও লজিস্টিক সক্ষমতা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। সে বাস্তবতা মাথায় রেখেই মাহমুদুর রহমান মান্নার এই সিদ্ধান্তকে বাস্তবধর্মী ও সময়োপযোগী বলেই মনে করছেন তারা।
উল্লেখ্য, মাহমুদুর রহমান মান্না দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনী রাজনীতিতে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, স্বচ্ছতা এবং গণতান্ত্রিক সংস্কারের পক্ষে সোচ্চার। তার এই ঘোষণার ফলে ঢাকা–১৮ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
