রাজনীতি
নারীদের ঘরের বাইরে বের হয়ে কাজ করাকে একধরনের পতিতাবৃত্তি হিসেবে বর্ণনা করে মহান মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের করা মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। গতকাল (৩১ জানুয়ারি, ২০২৬) এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে কর্মজীবী নারীদের নিয়ে হীন মন্তব্য করেছে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতা, যা অত্যন্ত আপত্তিকর, এদেশের কর্মজীবী জন্য অপমানজনক এবং দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর দীর্ঘদিন লালিত মনোভাবেরই প্রতিফলন।
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মাহির শাহরিয়ার রেজা ও সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন শুভএবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মুক্তা বাড়ৈ ও সাধারণ সম্পাদক রায়হান উদ্দিন এক যৌথ বিবৃতিতে কর্মজীবী নারীদের নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতার এহেন মানহানিকর ও আপত্তিকর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, "বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৫১ শতাংশই নারী। এদেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। বাংলাদেশের গার্মেন্টস সেক্টরে প্রায় ৪০ লক্ষ নারী কর্মরত আছেন, যা গার্মেন্টস সেক্টরে কর্মরত জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ। এছাড়াও বিভিন্ন সেক্টরে লক্ষ লক্ষ নারী কর্মরত আছেন। গতকাল (৩১ জানুয়ারি, ২০২৬) বিকালে একাত্তরের ঘাতক শক্তি জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতা শফিকুর রহমান নারীদের ঘরের বাইরে বেরিয়ে কাজ করাকে পতিতাবৃত্তির সাথে তুলনা করেছেন। জামায়াতে ইসলামীর আমিরের এই হীন মন্তব্য শুধু আপত্তিকর বা অপমানজনকই নয়, এটি ভবিষ্যতে কর্মজীবী নারীদের জন্য নানাবিধ প্রতিবন্ধকতা ও তাদের হেনস্তার ক্ষেত্র তৈরি করবে। আমরা মনে করি জামায়াতে ইসলামীর আমিরের মন্তব্য কোন বিছিন্ন মন্তব্য নয়, বরং এটি দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীরই মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ। কিছুদিন পূর্বেও 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) 'মাদকের আড্ডাখানা ও বেশ্যাখানা' ছিল বলে মন্তব্য করেছিল বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মো. শামীম আহসান। তাদের এই ধরনের মন্তব্য তাদের দীর্ঘদিনের লালিত চেতনারই ফল, যে চেতনায় তারা ও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মিলিতভাবে মহান মুক্তিযুদ্ধে দুই লক্ষাধিক নারীর সম্ভ্রমহানি করেছিল। আমরা অবিলম্বে জামায়াতে ইসলামীর আমিরকে তার করা মন্তব্যের জন্য জনসম্মুখে ক্ষমাপ্রার্থনার আহ্বান জানাই। একইসাথে আমরা জনগণকে একাত্তরের পরাজিত ঘাতক শক্তি জামায়াতে ইসলামীর হীন রাজনীতিকে বয়কটের আহ্বান জানাই।"

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নারীদের ঘরের বাইরে বের হয়ে কাজ করাকে একধরনের পতিতাবৃত্তি হিসেবে বর্ণনা করে মহান মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের করা মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। গতকাল (৩১ জানুয়ারি, ২০২৬) এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে কর্মজীবী নারীদের নিয়ে হীন মন্তব্য করেছে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতা, যা অত্যন্ত আপত্তিকর, এদেশের কর্মজীবী জন্য অপমানজনক এবং দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর দীর্ঘদিন লালিত মনোভাবেরই প্রতিফলন।
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মাহির শাহরিয়ার রেজা ও সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন শুভএবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মুক্তা বাড়ৈ ও সাধারণ সম্পাদক রায়হান উদ্দিন এক যৌথ বিবৃতিতে কর্মজীবী নারীদের নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতার এহেন মানহানিকর ও আপত্তিকর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, "বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৫১ শতাংশই নারী। এদেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। বাংলাদেশের গার্মেন্টস সেক্টরে প্রায় ৪০ লক্ষ নারী কর্মরত আছেন, যা গার্মেন্টস সেক্টরে কর্মরত জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ। এছাড়াও বিভিন্ন সেক্টরে লক্ষ লক্ষ নারী কর্মরত আছেন। গতকাল (৩১ জানুয়ারি, ২০২৬) বিকালে একাত্তরের ঘাতক শক্তি জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতা শফিকুর রহমান নারীদের ঘরের বাইরে বেরিয়ে কাজ করাকে পতিতাবৃত্তির সাথে তুলনা করেছেন। জামায়াতে ইসলামীর আমিরের এই হীন মন্তব্য শুধু আপত্তিকর বা অপমানজনকই নয়, এটি ভবিষ্যতে কর্মজীবী নারীদের জন্য নানাবিধ প্রতিবন্ধকতা ও তাদের হেনস্তার ক্ষেত্র তৈরি করবে। আমরা মনে করি জামায়াতে ইসলামীর আমিরের মন্তব্য কোন বিছিন্ন মন্তব্য নয়, বরং এটি দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীরই মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ। কিছুদিন পূর্বেও 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) 'মাদকের আড্ডাখানা ও বেশ্যাখানা' ছিল বলে মন্তব্য করেছিল বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মো. শামীম আহসান। তাদের এই ধরনের মন্তব্য তাদের দীর্ঘদিনের লালিত চেতনারই ফল, যে চেতনায় তারা ও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মিলিতভাবে মহান মুক্তিযুদ্ধে দুই লক্ষাধিক নারীর সম্ভ্রমহানি করেছিল। আমরা অবিলম্বে জামায়াতে ইসলামীর আমিরকে তার করা মন্তব্যের জন্য জনসম্মুখে ক্ষমাপ্রার্থনার আহ্বান জানাই। একইসাথে আমরা জনগণকে একাত্তরের পরাজিত ঘাতক শক্তি জামায়াতে ইসলামীর হীন রাজনীতিকে বয়কটের আহ্বান জানাই।"
