নির্বাচন
ধানের শীষ মনোনীত ময়মনসিংহ জেলার ইশ্বরগঞ্জ-৮ আসনের প্রার্থী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু তিনটি জিনিস চান— দোয়া, সহযোগিতা, আর একবার ভোট।
গণসংযোগকালে তিনি বলেন, "প্রিয় ভাই ও বোনেরা, আমাদের ঈশ্বরগঞ্জ একসময় উন্নয়নের ট্রেনে ওঠার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবতা কী? দীর্ঘদিন ধরে এখানে এমন নেতৃত্ব চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাদের আপনাদের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতা ছিল না। তাদের ভোটের দরকার ছিল না বলেই আজ ঈশ্বরগঞ্জের রাস্তাঘাট ভাঙাচোরা, চলাচলে দুর্বিষহ জনজীবন।
আপনার সন্তানেরা যে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় পড়ে—সেখানে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। ফেল করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
আমি আজ আপনাদের কাছে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি—আপনারা যদি আমাকে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে ভোট দেন, তাহলে গত ১৭ বছরে যেসব কাজ হয়নি, সেগুলো আমি আগামী ৫ বছরে করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব—অঙ্গীকারের ভিত্তিতে, জবাবদিহিতার সঙ্গে।
সমাজে সমস্যা নিয়ে তিনি বলেন, পাড়া-মহল্লায় মাদকের দাপট বেড়েছে। এই অবস্থা আর চলতে পারে না। ১২ তারিখের পর দল-মত নির্বিশেষে সমাজের ভালো মানুষদের এক হতে হবে। মাদক কারবারিদের সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে হবে। যারা আমাদের তরুণ সমাজকে ধ্বংস করছে, তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
গত ১৭ বছরে হাজার হাজার মানুষ ক্যান্সারের মতো দুরারোগ্যে বিনা চিকিৎসায় মারা গেছে। অসংখ্য গরিব মানুষ ন্যায্য সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আমি তাদের সেবা দিতে চাই, তাদের দায়িত্ব নিতে চাই। এই দায়বদ্ধতা থেকেই আজ আমি আপনাদের কাছে মাথা নত করে ভোট চাই।
৫ বছর পরে যদি আপনারা দেখেন আমি বড় কথা বলেছি কিন্তু কাজ করিনি, তাহলে আপনারা আমাকে আর কখনো ভোট দেবেন না। এটা আমার খোলা চ্যালেঞ্জ-এমনটা বলে তিনি কথা দেন।
আজ যারা আমাকে শুনছেন, দেশে ও বিদেশে থাকা সকল ঈশ্বরগঞ্জবাসীকে আমি সালাম জানাই। আমি ক্ষমতার লোভে নয়, কাজ করার ইচ্ছা নিয়ে আপনাদের সামনে দাঁড়িয়েছি।
আপনারা বিবেক দিয়ে ভোট দেবেন। সত্যের পক্ষে, উন্নয়নের পক্ষে ভোট দেবেন। কানের কাছে নয়—হৃদয়ের কাছে হাত রেখে সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি যোগ করেন তার বক্তব্য।
পরিশেষে তিনি বলেন, "আসুন, ঈশ্বরগঞ্জকে আবার এগিয়ে নিয়ে যাই এবং আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ বলে শেষ করেন।
ধানের শীষে আস্থা রেখে জনগণ ভালোবাসে শুধু লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবুকে, যেহেতু তিনি ভালোবেসে থাকেন সবার পাশে। প্রতিটি গণসংযোগে জড়ো হওয়া নাগরিকরা বলেন।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
ধানের শীষ মনোনীত ময়মনসিংহ জেলার ইশ্বরগঞ্জ-৮ আসনের প্রার্থী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু তিনটি জিনিস চান— দোয়া, সহযোগিতা, আর একবার ভোট।
গণসংযোগকালে তিনি বলেন, "প্রিয় ভাই ও বোনেরা, আমাদের ঈশ্বরগঞ্জ একসময় উন্নয়নের ট্রেনে ওঠার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবতা কী? দীর্ঘদিন ধরে এখানে এমন নেতৃত্ব চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাদের আপনাদের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতা ছিল না। তাদের ভোটের দরকার ছিল না বলেই আজ ঈশ্বরগঞ্জের রাস্তাঘাট ভাঙাচোরা, চলাচলে দুর্বিষহ জনজীবন।
আপনার সন্তানেরা যে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় পড়ে—সেখানে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। ফেল করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
আমি আজ আপনাদের কাছে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি—আপনারা যদি আমাকে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে ভোট দেন, তাহলে গত ১৭ বছরে যেসব কাজ হয়নি, সেগুলো আমি আগামী ৫ বছরে করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব—অঙ্গীকারের ভিত্তিতে, জবাবদিহিতার সঙ্গে।
সমাজে সমস্যা নিয়ে তিনি বলেন, পাড়া-মহল্লায় মাদকের দাপট বেড়েছে। এই অবস্থা আর চলতে পারে না। ১২ তারিখের পর দল-মত নির্বিশেষে সমাজের ভালো মানুষদের এক হতে হবে। মাদক কারবারিদের সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে হবে। যারা আমাদের তরুণ সমাজকে ধ্বংস করছে, তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
গত ১৭ বছরে হাজার হাজার মানুষ ক্যান্সারের মতো দুরারোগ্যে বিনা চিকিৎসায় মারা গেছে। অসংখ্য গরিব মানুষ ন্যায্য সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আমি তাদের সেবা দিতে চাই, তাদের দায়িত্ব নিতে চাই। এই দায়বদ্ধতা থেকেই আজ আমি আপনাদের কাছে মাথা নত করে ভোট চাই।
৫ বছর পরে যদি আপনারা দেখেন আমি বড় কথা বলেছি কিন্তু কাজ করিনি, তাহলে আপনারা আমাকে আর কখনো ভোট দেবেন না। এটা আমার খোলা চ্যালেঞ্জ-এমনটা বলে তিনি কথা দেন।
আজ যারা আমাকে শুনছেন, দেশে ও বিদেশে থাকা সকল ঈশ্বরগঞ্জবাসীকে আমি সালাম জানাই। আমি ক্ষমতার লোভে নয়, কাজ করার ইচ্ছা নিয়ে আপনাদের সামনে দাঁড়িয়েছি।
আপনারা বিবেক দিয়ে ভোট দেবেন। সত্যের পক্ষে, উন্নয়নের পক্ষে ভোট দেবেন। কানের কাছে নয়—হৃদয়ের কাছে হাত রেখে সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি যোগ করেন তার বক্তব্য।
পরিশেষে তিনি বলেন, "আসুন, ঈশ্বরগঞ্জকে আবার এগিয়ে নিয়ে যাই এবং আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ বলে শেষ করেন।
ধানের শীষে আস্থা রেখে জনগণ ভালোবাসে শুধু লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবুকে, যেহেতু তিনি ভালোবেসে থাকেন সবার পাশে। প্রতিটি গণসংযোগে জড়ো হওয়া নাগরিকরা বলেন।
