নির্বাচন
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপি প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া নিয়ে নতুন আইনি বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, হাইকোর্টের কোনো স্বাক্ষরিত আদেশ বা অফিসিয়াল কপি ছাড়াই কেবল টেলিভিশনের স্ক্রল দেখে জেলা প্রশাসক প্রতীক বরাদ্দের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।
আইনজীবীরা বলছেন, স্বাক্ষরবিহীন আদালতের আদেশ আইনগতভাবে কার্যকর নয়। সংবাদ দেখে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের বিধি ও বিচারিক প্রক্রিয়ার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
হাইকোর্টে মঙ্গলবার দুপুরে সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে শুনানিকালে মৌখিক পর্যবেক্ষণ দেওয়া হলেও তখনো আদেশের কোনো সাইনড কপি প্রকাশ হয়নি। এর মধ্যেই জেলা প্রশাসক ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দেন বলে অভিযোগ।
বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসমাইল গণি বলেন, আদালতের সাইনড কপি ছাড়া কোনো আদেশ কার্যকর হয় না এবং টিভি স্ক্রল দেখে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া বেআইনি। এদিকে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণের পরই বিষয়টি আপিল বিভাগে গৃহীত হওয়ায় পুরো বিষয় এখন বিচারাধীন।
নির্বাচন কমিশনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এখনো পর্যন্ত আদালতের কোনো অফিসিয়াল আদেশ ইসিতে পৌঁছায়নি। তার মতে, সংবাদ দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া নীতিগতভাবে দুর্বল এবং আইনি চ্যালেঞ্জে টিকবে কি না সন্দেহ রয়েছে।
জেলা প্রশাসকের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপি প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া নিয়ে নতুন আইনি বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, হাইকোর্টের কোনো স্বাক্ষরিত আদেশ বা অফিসিয়াল কপি ছাড়াই কেবল টেলিভিশনের স্ক্রল দেখে জেলা প্রশাসক প্রতীক বরাদ্দের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।
আইনজীবীরা বলছেন, স্বাক্ষরবিহীন আদালতের আদেশ আইনগতভাবে কার্যকর নয়। সংবাদ দেখে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের বিধি ও বিচারিক প্রক্রিয়ার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
হাইকোর্টে মঙ্গলবার দুপুরে সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে শুনানিকালে মৌখিক পর্যবেক্ষণ দেওয়া হলেও তখনো আদেশের কোনো সাইনড কপি প্রকাশ হয়নি। এর মধ্যেই জেলা প্রশাসক ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দেন বলে অভিযোগ।
বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসমাইল গণি বলেন, আদালতের সাইনড কপি ছাড়া কোনো আদেশ কার্যকর হয় না এবং টিভি স্ক্রল দেখে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া বেআইনি। এদিকে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণের পরই বিষয়টি আপিল বিভাগে গৃহীত হওয়ায় পুরো বিষয় এখন বিচারাধীন।
নির্বাচন কমিশনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এখনো পর্যন্ত আদালতের কোনো অফিসিয়াল আদেশ ইসিতে পৌঁছায়নি। তার মতে, সংবাদ দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া নীতিগতভাবে দুর্বল এবং আইনি চ্যালেঞ্জে টিকবে কি না সন্দেহ রয়েছে।
জেলা প্রশাসকের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
