ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান নিজ কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার মোট ৬ টি সংসদীয় আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্ধ দেন।
এ সময় তিনি নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোর ভাবে মেনে চলার জন্য প্রার্থী ও তাদের দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান। নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ভাবে আইনের প্রয়োগ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
তিনি জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার ৬ টি সংসদীয় আসনের মোট ভোটার ২৪ লাখ ৭১ হাজার ৯০৮ জন, যা গত সংসদ নির্বাচনের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি।
জেলার ৬ টি সংসদীয় আসনে ৮২৪ টি ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ কার্যক্রম সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। জেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষ জনক। নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে প্রচেষ্টার কমতি নেই উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, আমরা আশা করছি এবারের নির্বাচন ব্যাপক উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।
তরুন ভোটাররা ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন এবং সর্বাধিক ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রতিটি ভোট কেন্দ্র ও আশে পাশের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ করতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনসহ নির্বাচনে নিয়োজিত সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা যশোরে রাতদিন পরিশ্রম করে যাচ্ছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, যশোর-১ (শার্শা) আসনে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, বিএনপির নুরুজ্জামান লিটন (ধানের শীষ), জামায়াতের মাওলানা আজিজুর রহমান (দাড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল (লাঙ্গল) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বকতিয়ার রহমান ( হাতপাখা) প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করছেন।
যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির সাবিরা সুলতানা মুন্নি (ধানের শীষ), জামায়াতের ডা. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ (দাড়ি পাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইদ্রিস আলী (হাতপাখা), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) ইমরান খান (মঈ), বিএনএফ’র শামসুল হক (টেলিভিশন), বিএনপি নেতা জহুরুল ইসলাম (ঘোড়া) ও মেহেদী হাসান (ফুটবল) প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াই করছেন। শেষমেষ এবি পাটি ১১ দলীয় জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করায় রিপন মাহামুদ সরে দাঁড়াতে পারেন। তবে ইতিমধ্যে বিএনপি নেতা জহুরুল ইসলাম নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষনা দিয়েছেন।
যশোর-৩ (সদর) আসনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (ধানের শীষ), জামায়াতের ভিপি আব্দুল কাদের (দাড়ি পাল্লা), জাতীয় পার্টির খবির উদ্দিন গাজী (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা শোয়াইব হোসেন (হাতপাখা), জাগপার নিজাম উদ্দিন অমিত (চশমা) ও সিপিবির রাশেদ খান (কাস্তে) প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করছেন।
যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অভয়নগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শ্রমিক নেতা ফারাজী মতিয়ার রহমান (ধানের শীষ), জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক গোলাম রসুল (দাড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির এ্যাড. জহুরুল ইসলাম (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বায়েজিদ হোসাইন (হাতপাখা), খেলাফত মজলিসের মাওলানা আশেক এলাহী (দেওয়াল ঘড়ি), বাংলাদেশ মাইনোরিটি জনতা পার্টি-বিএমজেপি’র সুকৃতি মন্ডল (রকেট) এবং সাবেক মন্ত্রী এম নাজিম উদ্দিন আল আজাদ (মোটর সাইকেল) প্রতিক এবং নাজিম উদ্দিন আল আজাদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন।
যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী নবাগত রশীদ বিন ওয়াক্কাস (ধানের শীষ), জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির এ্যাড. গাজী এনামুল হক (দাড়ি পাল্লা), জাতীয় পার্টির এম এ হালিম (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জয়নাল আবেদীন (হাতপাখা) এবং মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. শহিদ মোহাম্মদ ইকবাল (কলস)।
তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় টিকেট না পেয়ে বিএনপি নেতা এ্যাড. শহিদ মোহাম্মদ ইকবাল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এই নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করছেন। বিএনপি প্রথমে শহিদ মোহাম্মদ ইকবালকে দলীয় মনোনয়ন প্রদান করে। পরবর্তীতে জোটের শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা রশীদ বিন ওয়াক্কাসকে দলে ভিড়িয়ে তাকে এই আসনে ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী করা হয়।
যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নেতা আবুল হোসেন আজাদ (ধানের শীষ), জেলা জামায়াত নেতা অধ্যাপক মোক্তার আলী (দাড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির জি এম হাসান (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শহিদুল ইসলাম (হাতপাখা) ও এবি পার্টির মাহামুদ হাসান (ঈগল) প্রতিক নিয়ে নির্বাচনে লড়ছেন।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬
আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান নিজ কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার মোট ৬ টি সংসদীয় আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্ধ দেন।
এ সময় তিনি নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোর ভাবে মেনে চলার জন্য প্রার্থী ও তাদের দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান। নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ভাবে আইনের প্রয়োগ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
তিনি জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার ৬ টি সংসদীয় আসনের মোট ভোটার ২৪ লাখ ৭১ হাজার ৯০৮ জন, যা গত সংসদ নির্বাচনের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি।
জেলার ৬ টি সংসদীয় আসনে ৮২৪ টি ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ কার্যক্রম সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। জেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষ জনক। নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে প্রচেষ্টার কমতি নেই উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, আমরা আশা করছি এবারের নির্বাচন ব্যাপক উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।
তরুন ভোটাররা ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন এবং সর্বাধিক ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রতিটি ভোট কেন্দ্র ও আশে পাশের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ করতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনসহ নির্বাচনে নিয়োজিত সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা যশোরে রাতদিন পরিশ্রম করে যাচ্ছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, যশোর-১ (শার্শা) আসনে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, বিএনপির নুরুজ্জামান লিটন (ধানের শীষ), জামায়াতের মাওলানা আজিজুর রহমান (দাড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল (লাঙ্গল) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বকতিয়ার রহমান ( হাতপাখা) প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করছেন।
যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির সাবিরা সুলতানা মুন্নি (ধানের শীষ), জামায়াতের ডা. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ (দাড়ি পাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইদ্রিস আলী (হাতপাখা), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) ইমরান খান (মঈ), বিএনএফ’র শামসুল হক (টেলিভিশন), বিএনপি নেতা জহুরুল ইসলাম (ঘোড়া) ও মেহেদী হাসান (ফুটবল) প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াই করছেন। শেষমেষ এবি পাটি ১১ দলীয় জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করায় রিপন মাহামুদ সরে দাঁড়াতে পারেন। তবে ইতিমধ্যে বিএনপি নেতা জহুরুল ইসলাম নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষনা দিয়েছেন।
যশোর-৩ (সদর) আসনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (ধানের শীষ), জামায়াতের ভিপি আব্দুল কাদের (দাড়ি পাল্লা), জাতীয় পার্টির খবির উদ্দিন গাজী (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা শোয়াইব হোসেন (হাতপাখা), জাগপার নিজাম উদ্দিন অমিত (চশমা) ও সিপিবির রাশেদ খান (কাস্তে) প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করছেন।
যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অভয়নগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শ্রমিক নেতা ফারাজী মতিয়ার রহমান (ধানের শীষ), জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক গোলাম রসুল (দাড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির এ্যাড. জহুরুল ইসলাম (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বায়েজিদ হোসাইন (হাতপাখা), খেলাফত মজলিসের মাওলানা আশেক এলাহী (দেওয়াল ঘড়ি), বাংলাদেশ মাইনোরিটি জনতা পার্টি-বিএমজেপি’র সুকৃতি মন্ডল (রকেট) এবং সাবেক মন্ত্রী এম নাজিম উদ্দিন আল আজাদ (মোটর সাইকেল) প্রতিক এবং নাজিম উদ্দিন আল আজাদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন।
যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী নবাগত রশীদ বিন ওয়াক্কাস (ধানের শীষ), জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির এ্যাড. গাজী এনামুল হক (দাড়ি পাল্লা), জাতীয় পার্টির এম এ হালিম (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জয়নাল আবেদীন (হাতপাখা) এবং মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. শহিদ মোহাম্মদ ইকবাল (কলস)।
তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় টিকেট না পেয়ে বিএনপি নেতা এ্যাড. শহিদ মোহাম্মদ ইকবাল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এই নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করছেন। বিএনপি প্রথমে শহিদ মোহাম্মদ ইকবালকে দলীয় মনোনয়ন প্রদান করে। পরবর্তীতে জোটের শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা রশীদ বিন ওয়াক্কাসকে দলে ভিড়িয়ে তাকে এই আসনে ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী করা হয়।
যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নেতা আবুল হোসেন আজাদ (ধানের শীষ), জেলা জামায়াত নেতা অধ্যাপক মোক্তার আলী (দাড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির জি এম হাসান (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শহিদুল ইসলাম (হাতপাখা) ও এবি পার্টির মাহামুদ হাসান (ঈগল) প্রতিক নিয়ে নির্বাচনে লড়ছেন।
