নির্বাচন
আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দেশবাসীর প্রতি বার্তা দিয়েছেন মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, এই গণভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশ বৈষম্য, শোষণ ও নিপীড়ন থেকে মুক্তির পথে এগিয়ে যাবে এবং একটি নতুন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিত্তি রচিত হবে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান জাতির ইতিহাসে এক অসাধারণ অর্জন। এটি অপ্রত্যাশিতভাবে জাতির জীবনে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ এনে দিয়েছে।’
তিনি জানান, এই অর্জনকে স্থায়ী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে দেশের সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে ‘জুলাই সনদ’ প্রণয়ন করা হয়েছে। সনদ বাস্তবায়নের জন্য জনগণের সম্মতি প্রয়োজন বলেই গণভোটের আয়োজন করা হচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। গণভোটে অংশগ্রহণ করে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার মাধ্যমে জনগণ রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রস্তাবগুলোর প্রতি সম্মতি জানাতে পারবেন।
বার্তায় উল্লেখ করা হয়, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট মানে—
• তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকার ও বিরোধী দলের যৌথ ভূমিকা নিশ্চিত করা
• সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনে জনগণের সম্মতি বাধ্যতামূলক করা
• বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদের গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সভাপতি নির্বাচন
• একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে না পারা
• স্বাধীন বিচারব্যবস্থা নিশ্চিত করা
• সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি
• ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় সংসদের উচ্চকক্ষ গঠন
• নাগরিকদের মৌলিক অধিকার আরও সুরক্ষিত করা
• রাষ্ট্রভাষা বাংলার পাশাপাশি অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর ভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতি
• দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতির ইচ্ছামতো ক্ষমা প্রদানের ক্ষমতা সীমিত করা
• সব ক্ষমতা এককভাবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে কেন্দ্রীভূত না রাখা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশ গড়ার চাবি এখন জনগণের হাতে। “হ্যাঁ”-তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে।’
তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সবাই যেন নিজে ভোট দেন এবং পরিচিতদের ভোটকেন্দ্রে আসতে উদ্বুদ্ধ করেন। তার ভাষায়, সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই রাষ্ট্রকে জনগণের প্রত্যাশামতো গড়ে তোলা সম্ভব।
বার্তার শেষাংশে তিনি বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ আমরা সবাই মিলে দেশ গড়ার কাজে অংশ নেব। মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।’

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬
আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দেশবাসীর প্রতি বার্তা দিয়েছেন মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, এই গণভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশ বৈষম্য, শোষণ ও নিপীড়ন থেকে মুক্তির পথে এগিয়ে যাবে এবং একটি নতুন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিত্তি রচিত হবে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান জাতির ইতিহাসে এক অসাধারণ অর্জন। এটি অপ্রত্যাশিতভাবে জাতির জীবনে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ এনে দিয়েছে।’
তিনি জানান, এই অর্জনকে স্থায়ী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে দেশের সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে ‘জুলাই সনদ’ প্রণয়ন করা হয়েছে। সনদ বাস্তবায়নের জন্য জনগণের সম্মতি প্রয়োজন বলেই গণভোটের আয়োজন করা হচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। গণভোটে অংশগ্রহণ করে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার মাধ্যমে জনগণ রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রস্তাবগুলোর প্রতি সম্মতি জানাতে পারবেন।
বার্তায় উল্লেখ করা হয়, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট মানে—
• তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকার ও বিরোধী দলের যৌথ ভূমিকা নিশ্চিত করা
• সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনে জনগণের সম্মতি বাধ্যতামূলক করা
• বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদের গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সভাপতি নির্বাচন
• একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে না পারা
• স্বাধীন বিচারব্যবস্থা নিশ্চিত করা
• সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি
• ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় সংসদের উচ্চকক্ষ গঠন
• নাগরিকদের মৌলিক অধিকার আরও সুরক্ষিত করা
• রাষ্ট্রভাষা বাংলার পাশাপাশি অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর ভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতি
• দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতির ইচ্ছামতো ক্ষমা প্রদানের ক্ষমতা সীমিত করা
• সব ক্ষমতা এককভাবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে কেন্দ্রীভূত না রাখা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশ গড়ার চাবি এখন জনগণের হাতে। “হ্যাঁ”-তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে।’
তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সবাই যেন নিজে ভোট দেন এবং পরিচিতদের ভোটকেন্দ্রে আসতে উদ্বুদ্ধ করেন। তার ভাষায়, সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই রাষ্ট্রকে জনগণের প্রত্যাশামতো গড়ে তোলা সম্ভব।
বার্তার শেষাংশে তিনি বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ আমরা সবাই মিলে দেশ গড়ার কাজে অংশ নেব। মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।’
