অপরাধ
গোদাগাড়ী রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় মরণনেশা মাদকদ্রব্যের পাশাপাশি নতুন আতঙ্ক হিসেবে দেখা দিয়েছে অনলাইন জুয়া। স্মার্টফোনে সহজলভ্য বিভিন্ন অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই জুয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ছে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে বেকার যুবক ও শ্রমজীবী মানুষ। ফলে বাড়ছে পারিবারিক কলহ, চুরি-ছিনতাই এবং সামাজিক অস্থিরতা।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, উপজেলার পৌর এলাকা ছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়নের চা-দোকান, মোড় ও নির্জন এলাকায় তরুণদের জটলা বেঁধে স্মার্টফোনে মগ্ন থাকতে দেখা যায়। বাহ্যিকভাবে গেম খেলছে মনে হলেও বাস্তবে তারা ওয়ান-এক্স বেট, মেলবেট বা লাইনবেটের মতো আন্তর্জাতিক জুয়ার সাইটে বাজি ধরছে।
স্থানীয় অভিভাবকরা চরম উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, জুয়ার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা ছেড়ে দিচ্ছে। পকেটে টাকা না থাকলে তারা বাড়ি থেকে টাকা চুরি করছে বা বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে।
এক ভুক্তভোগী বাবা জানান, "আমার ছেলে কলেজের পড়ার খরচ জোগানোর কথা বলে টাকা নিয়ে জুয়ায় হেরেছে। এখন সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। আমরা নিরুপায় হয়ে পড়েছি।"
অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে স্থানীয় সচেতন মহল ও সুশীল সমাজ প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। জুয়ার সাইটগুলো বন্ধের পাশাপাশি পাড়া-মহল্লায় নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন তারা।
গোদাগাড়ী মডেল থানা সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে এবং এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। তবে অনলাইন ভিত্তিক হওয়ায় এটি দমনে অভিভাবকদের সচেতনতা এবং সামাজিক প্রতিরোধের ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
উপসংহার: গোদাগাড়ীর তরুণ প্রজন্মকে এই ধ্বংসাত্মক পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে কেবল আইনি পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন ব্যাপক জনসচেতনতা এবং খেলাধুলা ও সুস্থ বিনোদনের সুযোগ তৈরি করা

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
গোদাগাড়ী রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় মরণনেশা মাদকদ্রব্যের পাশাপাশি নতুন আতঙ্ক হিসেবে দেখা দিয়েছে অনলাইন জুয়া। স্মার্টফোনে সহজলভ্য বিভিন্ন অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই জুয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ছে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে বেকার যুবক ও শ্রমজীবী মানুষ। ফলে বাড়ছে পারিবারিক কলহ, চুরি-ছিনতাই এবং সামাজিক অস্থিরতা।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, উপজেলার পৌর এলাকা ছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়নের চা-দোকান, মোড় ও নির্জন এলাকায় তরুণদের জটলা বেঁধে স্মার্টফোনে মগ্ন থাকতে দেখা যায়। বাহ্যিকভাবে গেম খেলছে মনে হলেও বাস্তবে তারা ওয়ান-এক্স বেট, মেলবেট বা লাইনবেটের মতো আন্তর্জাতিক জুয়ার সাইটে বাজি ধরছে।
স্থানীয় অভিভাবকরা চরম উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, জুয়ার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা ছেড়ে দিচ্ছে। পকেটে টাকা না থাকলে তারা বাড়ি থেকে টাকা চুরি করছে বা বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে।
এক ভুক্তভোগী বাবা জানান, "আমার ছেলে কলেজের পড়ার খরচ জোগানোর কথা বলে টাকা নিয়ে জুয়ায় হেরেছে। এখন সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। আমরা নিরুপায় হয়ে পড়েছি।"
অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে স্থানীয় সচেতন মহল ও সুশীল সমাজ প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। জুয়ার সাইটগুলো বন্ধের পাশাপাশি পাড়া-মহল্লায় নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন তারা।
গোদাগাড়ী মডেল থানা সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে এবং এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। তবে অনলাইন ভিত্তিক হওয়ায় এটি দমনে অভিভাবকদের সচেতনতা এবং সামাজিক প্রতিরোধের ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
উপসংহার: গোদাগাড়ীর তরুণ প্রজন্মকে এই ধ্বংসাত্মক পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে কেবল আইনি পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন ব্যাপক জনসচেতনতা এবং খেলাধুলা ও সুস্থ বিনোদনের সুযোগ তৈরি করা
