মানবতা
রিকশাচালকের সততা ও রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) তাৎক্ষণিক উদ্যোগে হারানো একটি হ্যান্ডব্যাগসহ মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ ফিরে পেয়েছেন প্রকৃত মালিক।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে নগরীর উপশহর এলাকা থেকে এক যাত্রীকে সাহেব বাজার জিরোপয়েন্ট স্যান্ডেল পট্টি এলাকায় পৌঁছে দেন রিকশাচালক আবুল হোসেন। রিকশা থেকে নামার সময় অসাবধানতাবশত ওই যাত্রী তার ব্যবহৃত একটি হ্যান্ডব্যাগ রিকশায় ফেলে রেখে যান।
পরবর্তীতে রিকশাচালক আবুল হোসেন ব্যাগটি খুলে দেখতে পান, এর ভেতরে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, বাসার চাবি ও কিছু নগদ অর্থ রয়েছে। প্রকৃত মালিককে খুঁজে না পেয়ে বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে তিনি স্থানীয় এক ব্যক্তির সহায়তায় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
পুলিশ কমিশনার ড. মো. জিল্লুর রহমানের নির্দেশনায় তাৎক্ষণিকভাবে রিকশাচালক আবুল হোসেনকে আরএমপির সদর দপ্তরে নিয়ে আসা হয়। পরে আরএমপির তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে অনুসন্ধান চালিয়ে ব্যাগটির প্রকৃত মালিককে শনাক্ত করে সদর দপ্তরে উপস্থিত হতে অনুরোধ জানানো হয়।
যাচাই-বাছাই শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে হারানো হ্যান্ডব্যাগ, মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
হারানো মালামাল ফিরে পেয়ে সংশ্লিষ্ট মালিক রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে রিকশাচালক আবুল হোসেনের সততার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে নগদ অর্থ পুরস্কার প্রদান করা হয়

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
রিকশাচালকের সততা ও রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) তাৎক্ষণিক উদ্যোগে হারানো একটি হ্যান্ডব্যাগসহ মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ ফিরে পেয়েছেন প্রকৃত মালিক।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে নগরীর উপশহর এলাকা থেকে এক যাত্রীকে সাহেব বাজার জিরোপয়েন্ট স্যান্ডেল পট্টি এলাকায় পৌঁছে দেন রিকশাচালক আবুল হোসেন। রিকশা থেকে নামার সময় অসাবধানতাবশত ওই যাত্রী তার ব্যবহৃত একটি হ্যান্ডব্যাগ রিকশায় ফেলে রেখে যান।
পরবর্তীতে রিকশাচালক আবুল হোসেন ব্যাগটি খুলে দেখতে পান, এর ভেতরে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, বাসার চাবি ও কিছু নগদ অর্থ রয়েছে। প্রকৃত মালিককে খুঁজে না পেয়ে বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে তিনি স্থানীয় এক ব্যক্তির সহায়তায় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
পুলিশ কমিশনার ড. মো. জিল্লুর রহমানের নির্দেশনায় তাৎক্ষণিকভাবে রিকশাচালক আবুল হোসেনকে আরএমপির সদর দপ্তরে নিয়ে আসা হয়। পরে আরএমপির তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে অনুসন্ধান চালিয়ে ব্যাগটির প্রকৃত মালিককে শনাক্ত করে সদর দপ্তরে উপস্থিত হতে অনুরোধ জানানো হয়।
যাচাই-বাছাই শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে হারানো হ্যান্ডব্যাগ, মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
হারানো মালামাল ফিরে পেয়ে সংশ্লিষ্ট মালিক রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে রিকশাচালক আবুল হোসেনের সততার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে নগদ অর্থ পুরস্কার প্রদান করা হয়
