ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
স্ত্রী শেফালী বেগম আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক মতাদর্শের অমিলের কারনেই এবারে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে স্বামী কে, এম ফজলুল মন্ডলের বিপক্ষে তার স্ত্রী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল শুক্রবার কুড়িগ্রাম জেলা র্রিটানিং অফিসে বাংলাদেশ সূপ্রীম পাটির প্রার্থী স্ত্রী শেফালী বেগমের মনোনয়ন পত্র বৈধতা পায়। অপর দিকে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন লাভকারী কেএম ফজলুল মন্ডলেরও মনোনয়ন পত্রের বৈধতা লাভে স্বামী- স্ত্রী উভয়েই আনন্দ প্রকাশ করেছেন। তবে প্রত্যক্ষ দর্শীরা জানিয়েছেন শেফালী বেগম তার শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের অনুলিপি সত্যায়ন ছাড়াই দাখিল করায় রিটার্নিং অফিসার তাকে মূল সনদ দেখাতে বলেন। শেফালী বেগম তাৎক্ষনিক ভাবে শিক্ষাগত যোগ্যতার মূল সনদ দেখালে তার মনোনয়ন অবশেষে বৈধতা লাভ করে। এসময় স্বামী- স্ত্রী উভয়কে বেশ উৎফুল্ল মনে হলেও অনেকেই বলেছেন দু'জনকেই তারা শুরু থেকেই একজন আরেক জনের প্রতিপক্ষ হওয়ায় কেউ কারো সাথে কথা বলেননি। স্বামী,স্ত্রী এবারে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দি হওয়ায় এলাকার মানুষের মাঝে তাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হাট-বাজারে চায়ের দোকান গুলোতেও সমালোচকরা বেশ তৎপর ছিলেন। ফজলুল দম্পত্তি রৌমারী উপজেলার শৌলমারী এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয়রা জানান, ফজলুল মন্ডল বিগত পতিত আওয়ামীলীগ আমলে আওয়ামী- জাতীয়পার্টি জোট থেকে নৌকা মার্কা প্রতীক নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছিলেন। এবারেও তারা দু' জনেই জয়লাভ করার বিষয়ে বেশ আশাবাদী হওয়ায় ভোটারদের মাঝেও বেশ রসিকতা চলছে। তাইতো প্রার্থীতা প্রত্যাহার পর্যন্ত সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দম্পতি দ্বয়ের দু'জনার প্রার্থীতা বহাল থাকার আশা করেন এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
স্ত্রী শেফালী বেগম আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক মতাদর্শের অমিলের কারনেই এবারে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে স্বামী কে, এম ফজলুল মন্ডলের বিপক্ষে তার স্ত্রী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল শুক্রবার কুড়িগ্রাম জেলা র্রিটানিং অফিসে বাংলাদেশ সূপ্রীম পাটির প্রার্থী স্ত্রী শেফালী বেগমের মনোনয়ন পত্র বৈধতা পায়। অপর দিকে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন লাভকারী কেএম ফজলুল মন্ডলেরও মনোনয়ন পত্রের বৈধতা লাভে স্বামী- স্ত্রী উভয়েই আনন্দ প্রকাশ করেছেন। তবে প্রত্যক্ষ দর্শীরা জানিয়েছেন শেফালী বেগম তার শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের অনুলিপি সত্যায়ন ছাড়াই দাখিল করায় রিটার্নিং অফিসার তাকে মূল সনদ দেখাতে বলেন। শেফালী বেগম তাৎক্ষনিক ভাবে শিক্ষাগত যোগ্যতার মূল সনদ দেখালে তার মনোনয়ন অবশেষে বৈধতা লাভ করে। এসময় স্বামী- স্ত্রী উভয়কে বেশ উৎফুল্ল মনে হলেও অনেকেই বলেছেন দু'জনকেই তারা শুরু থেকেই একজন আরেক জনের প্রতিপক্ষ হওয়ায় কেউ কারো সাথে কথা বলেননি। স্বামী,স্ত্রী এবারে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দি হওয়ায় এলাকার মানুষের মাঝে তাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হাট-বাজারে চায়ের দোকান গুলোতেও সমালোচকরা বেশ তৎপর ছিলেন। ফজলুল দম্পত্তি রৌমারী উপজেলার শৌলমারী এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয়রা জানান, ফজলুল মন্ডল বিগত পতিত আওয়ামীলীগ আমলে আওয়ামী- জাতীয়পার্টি জোট থেকে নৌকা মার্কা প্রতীক নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছিলেন। এবারেও তারা দু' জনেই জয়লাভ করার বিষয়ে বেশ আশাবাদী হওয়ায় ভোটারদের মাঝেও বেশ রসিকতা চলছে। তাইতো প্রার্থীতা প্রত্যাহার পর্যন্ত সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দম্পতি দ্বয়ের দু'জনার প্রার্থীতা বহাল থাকার আশা করেন এলাকাবাসী।
