রাজনীতি
আজকাল মওলানা ভাসানী ও জেনারেল ওসমানীকে নিয়ে কেউ কেউ আদিখ্যেতা দেখাচ্ছেন, আবেগে গদগদ করছেন, কিন্তু ঐতিহাসিক বাস্তবতা হলো, একজন শেখ মুজিবের জন্ম না হলে এদেশ কখনো স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ হতো না।
পুরো মুক্তিযুদ্ধটা শেখ মুজিবের নামেই হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের সকল শ্লোগানও ছিলো তাঁকে ঘিরেই।
শেখ মুজিবের পথ ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো। তোমার নেতা, আমার নেতা- শেখ মুজিব। শেখ মুজিব।
জয়বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু ইত্যাদি।
স্বাধীনতা বিরোধী কিংবা হালে মুজিবের পিন্ডি চটকানো রোহিঙ্গাদের মিথ্যাচার আর বয়ানবাদীদের অপপ্রচারে কেউই বিভ্রান্ত হবে না জানি।
বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ তাজউদ্দিন সাহেব ছিলেন মুক্তিযুদ্ধকালীন বিপ্লবী সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী এবং মওলানা ভাসানী সাহেব ছিলেন সেই প্রবাসী সরকারের ১ নম্বর উপদেষ্টা। যে ভাসানী সাহেব তাঁর প্রিয়ভাভন মুজিবের নামে উচ্ছ্বসিত প্রশংসায় বলেছিলেন, 'সারাজীবন রাজনীতি করলাম, মুজিবরের মতো সেক্রেটারি পাইলাম না। করো দেখি রাজনীতিটা চিড়ামুড়ি খাইয়া?'
এই মহান নেতাদের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান রেখেই বলছি, তাঁদের নামে যুদ্ধরত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ একটাও শ্লোগান কিংবা জয়ধ্বনি দেননি। তাঁরা যুদ্ধদিনের মূল প্রেরণা ছিলেন না।
আমি অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধার ইন্টারভিউ করেছি; কিন্তু তাঁদের একজনও আমায় বলেননি, তাঁরা বঙ্গবন্ধু ভিন্ন অন্য কারও ডাকে সাড়া দিয়ে দীর্ঘ নয় মাসের মরণপণ লড়াই-সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়িয়েছিলেন। কেউ না, একজনও বলেননি অন্য কারও নাম। এটাই যুদ্ধদিনের বাস্তবতা। এটাই নিরেট সত্য ইতিহাসের পাঠ।
পাঠ্যপুস্তক কিংবা ইতিহাসের পাতা থেকে বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুকে ছেঁটেছুঁটে কিচ্ছুটি হবে না। তাঁর চিরস্থায়ী আসন পাতা বাঙালির হৃদয়ে, মননে, চেতনায় ও সংগ্রামে; বাংলাদেশ মানচিত্রের পুরোটা অবয়বজুড়ে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
আজকাল মওলানা ভাসানী ও জেনারেল ওসমানীকে নিয়ে কেউ কেউ আদিখ্যেতা দেখাচ্ছেন, আবেগে গদগদ করছেন, কিন্তু ঐতিহাসিক বাস্তবতা হলো, একজন শেখ মুজিবের জন্ম না হলে এদেশ কখনো স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ হতো না।
পুরো মুক্তিযুদ্ধটা শেখ মুজিবের নামেই হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের সকল শ্লোগানও ছিলো তাঁকে ঘিরেই।
শেখ মুজিবের পথ ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো। তোমার নেতা, আমার নেতা- শেখ মুজিব। শেখ মুজিব।
জয়বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু ইত্যাদি।
স্বাধীনতা বিরোধী কিংবা হালে মুজিবের পিন্ডি চটকানো রোহিঙ্গাদের মিথ্যাচার আর বয়ানবাদীদের অপপ্রচারে কেউই বিভ্রান্ত হবে না জানি।
বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ তাজউদ্দিন সাহেব ছিলেন মুক্তিযুদ্ধকালীন বিপ্লবী সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী এবং মওলানা ভাসানী সাহেব ছিলেন সেই প্রবাসী সরকারের ১ নম্বর উপদেষ্টা। যে ভাসানী সাহেব তাঁর প্রিয়ভাভন মুজিবের নামে উচ্ছ্বসিত প্রশংসায় বলেছিলেন, 'সারাজীবন রাজনীতি করলাম, মুজিবরের মতো সেক্রেটারি পাইলাম না। করো দেখি রাজনীতিটা চিড়ামুড়ি খাইয়া?'
এই মহান নেতাদের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান রেখেই বলছি, তাঁদের নামে যুদ্ধরত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ একটাও শ্লোগান কিংবা জয়ধ্বনি দেননি। তাঁরা যুদ্ধদিনের মূল প্রেরণা ছিলেন না।
আমি অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধার ইন্টারভিউ করেছি; কিন্তু তাঁদের একজনও আমায় বলেননি, তাঁরা বঙ্গবন্ধু ভিন্ন অন্য কারও ডাকে সাড়া দিয়ে দীর্ঘ নয় মাসের মরণপণ লড়াই-সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়িয়েছিলেন। কেউ না, একজনও বলেননি অন্য কারও নাম। এটাই যুদ্ধদিনের বাস্তবতা। এটাই নিরেট সত্য ইতিহাসের পাঠ।
পাঠ্যপুস্তক কিংবা ইতিহাসের পাতা থেকে বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুকে ছেঁটেছুঁটে কিচ্ছুটি হবে না। তাঁর চিরস্থায়ী আসন পাতা বাঙালির হৃদয়ে, মননে, চেতনায় ও সংগ্রামে; বাংলাদেশ মানচিত্রের পুরোটা অবয়বজুড়ে।
