রাজনীতিরাজনীতি

ভূমিধস জয়ের পর ডেমোক্রেটদের সামনে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর পরীক্ষা

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিশাল জয়ের পর ডেমোক্রেটিক পার্টির সামনে এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ সাধারণ মানুষের সংসারের খরচ কমানো ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ।

Publicvoice24
Publicvoice24
|
শেয়ার করুন
অ+ অ-

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে উচ্চমূল্যস্ফীতিতে অতিষ্ঠ ভোটারদের সমর্থন পেয়ে ডেমোক্রেটিক পার্টি ভূমিধস জয় পেয়েছে। তবে এই নির্বাচনী সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই দলটির সামনে দাঁড়িয়েছে এক বড় চ্যালেঞ্জ—সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বা সংসারের খরচ কমানো। যে উচ্চমূল্যস্ফীতির কারণে রিপাবলিকানরা বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছে, এখন সেই একই সমস্যার সমাধান ডেমোক্রেটদের করতে হবে। সাধারণ আমেরিকানরা নিত্যপণ্যের দাম কমাতে চাইলেও নীতিনির্ধারকদের হাতে খুব দ্রুত তা বাস্তবায়নের ক্ষমতা সীমাবদ্ধ। সুস্থ অর্থনীতিতে পণ্যের দাম কিছুটা কমতে পারে, কিন্তু কয়েক বছরের মূল্যবৃদ্ধি পুষিয়ে দাম আগের পর্যায়ে ফিরিয়ে নেয়া কঠিন। কারণ এ ধরনের ব্যাপক মূল্যপতন কর্মসংস্থান ও আয় কমিয়ে দিতে পারে, যা পরিবারগুলোর অবস্থাকে আরও সংকটাপন্ন করে তুলবে। তাই ডেমোক্রেট-নিয়ন্ত্রিত নতুন কংগ্রেস এবং অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রতিনিধিদের জন্য ভোটারদের পারিবারিক বাজেটে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা এখন বড় পরীক্ষা।

বাজেট ও নীতি অগ্রাধিকারবিষয়ক গবেষণা সংস্থা ‘সেন্টার অন বাজেট অ্যান্ড পলিসি প্রায়োরিটিজ’-এর ফেডারেল বাজেট নীতির জ্যেষ্ঠ পরিচালক ব্রেন্ডান ডিউক বলেন, মূল্যস্ফীতি পুরোপুরি ২০১৯ সালের পর্যায়ে ফিরিয়ে নেয়া অসম্ভব হলেও নীতিগত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে অনেক ধাক্কা সামাল দেয়া সম্ভব। তার মতে, স্বাস্থ্যবিমায় ভর্তুকি পুনর্বহাল, খাদ্য সহায়তা কর্মসূচিতে কাটছাঁট প্রত্যাহার এবং ইরান যুদ্ধের অবসান সাধারণ মানুষের ব্যয় কমাতে সহায়ক হতে পারে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সম্মতি ছাড়া এসব বাস্তবায়ন করা কঠিন। এছাড়া বেকারত্ব বাড়ার আশঙ্কা কিংবা এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের বিনিয়োগ-বুদ্বুদ ফেটে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি মানুষের ক্রয়ক্ষমতার সংকটকে আড়াল করে দিতে পারে, কিন্তু তা সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয়। তবে এর সঙ্গে বড় একটি শর্ত রয়েছে: প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এসব পদক্ষেপে সম্মতি দেবেন কিনা, তা নিশ্চিত নয়।

বর্তমানে পারিবারিক ব্যয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্রেটদের হাতে সীমিত। নির্বাচনে জয়ের পর বাজারে প্রত্যাশার প্রভাবে তেলের দাম কিছুটা কমলেও জ্বালানির চূড়ান্ত দাম অনেকাংশে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। কংগ্রেস চাইলে শুল্ক প্রত্যাহারের পক্ষে ভোট দিতে পারে, যাতে আমদানি করা পণ্য ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যয় কমতে পারে। কিন্তু এতে ট্রাম্পের ভেটো দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো শুল্ক কমার সুবিধা ভোক্তাদের দেবে—এমন নিশ্চয়তাও নেই। একইভাবে অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্টের ভর্তুকি পুনর্বহাল বা মেডিকেইডে কাটছাঁট প্রত্যাহারের মতো পরিকল্পনাগুলোও রাজনৈতিক মতপার্থক্য ও ভেটো ক্ষমতার বাধার মুখে পড়তে পারে। তাদের কেউ কেউ খাদ্যপণ্য ও জ্বালানির মূল্য নিয়ন্ত্রণে নির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথাও বলেছেন। ফলে যে স্বস্তি দেয়ার চেষ্টা, শেষ পর্যন্ত তাতে পরিবারগুলো আগের চেয়েও খারাপ অবস্থায় পড়তে পারে।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, ডেমোক্রেট সিনেট প্রার্থীদের অনেকে নিত্যপণ্য ও জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণের অঙ্গীকার করেছিলেন। টেক্সাসের নবনির্বাচিত আইনপ্রণেতা জেমস তালারিকো শুল্ক প্রত্যাহার ও বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। অন্যদিকে, নর্থ ক্যারোলাইনার রয় কুপার ‘সবকিছুর দাম কমানোর’ অঙ্গীকার করেছেন এবং সাউথ ক্যারোলাইনার অ্যানি অ্যান্ড্রুজ ফেডারেল গ্যাস কর সাময়িকভাবে স্থগিত করার প্রস্তাব দিয়েছেন। অঙ্গরাজ্য পর্যায়ে সহায়তা কর্মসূচির সুযোগ তৈরি হওয়ায় টেক্সাসের নতুন গভর্নর জিনা হিনোজোসা বাসিন্দাদের ১ হাজার ৫০০ ডলারের রিবেট বা অর্থ ফেরত দেয়ার চেক প্রদানের পরিকল্পনা সামনে এনেছেন।

তবে এসব উদ্যোগ নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে। ডাবললাইন ক্যাপিটালের প্রধান নির্বাহী ও ধনকুবের বিনিয়োগকারী জেফ গান্ডলাখ এক্সে দেয়া পোস্টে মন্তব্য করেছেন, নতুন ডেমোক্রেট সংখ্যাগরিষ্ঠদের জন্য ‘সাশ্রয়ী জীবনযাপন’ ভোটারদের দেয়া মূল দায়বদ্ধতা। তার মতে, দ্রুত দাম কমানোর জন্য জাদুর কাঠির প্রয়োজন হবে অথবা মানুষকে সরাসরি অর্থ সহায়তা দিতে হবে, যাতে উচ্চমূল্যকে সহনীয় করা যায়। তবে এতে মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যায় না।

দীর্ঘমেয়াদে ক্রয়ক্ষমতা পুনরুদ্ধারে পণ্যের দাম আগের জায়গায় ফিরিয়ে নেয়া নয়, বরং মূল্যস্ফীতির চেয়ে দ্রুত মজুরি বৃদ্ধির হার লক্ষ্য হতে পারে। তবে এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীরগতির এবং রাজনৈতিকভাবে আকর্ষণীয় নয়। পাশাপাশি নতুন করে মূল্যস্ফীতির ধাক্কা আসবে না—এমন নিশ্চয়তাও নেই। কংগ্রেসে বড় জয় পেলেও ডেমোক্রেটদের হাতে প্রেসিডেন্টের ভেটো ঠেকানোর মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই, আর অর্থনীতি নিয়ে অসন্তোষের দায় সাধারণত প্রেসিডেন্টকেই বহন করতে হয়। তবুও ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হোয়াইট হাউসে ফেরা ও কংগ্রেসে আধিপত্য ধরে রাখতে ডেমোক্রেটদের জন্য এখনই জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়া জরুরি।

Public Voice

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬


ভূমিধস জয়ের পর ডেমোক্রেটদের সামনে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর পরীক্ষা

প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে উচ্চমূল্যস্ফীতিতে অতিষ্ঠ ভোটারদের সমর্থন পেয়ে ডেমোক্রেটিক পার্টি ভূমিধস জয় পেয়েছে। তবে এই নির্বাচনী সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই দলটির সামনে দাঁড়িয়েছে এক বড় চ্যালেঞ্জ—সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বা সংসারের খরচ কমানো। যে উচ্চমূল্যস্ফীতির কারণে রিপাবলিকানরা বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছে, এখন সেই একই সমস্যার সমাধান ডেমোক্রেটদের করতে হবে। সাধারণ আমেরিকানরা নিত্যপণ্যের দাম কমাতে চাইলেও নীতিনির্ধারকদের হাতে খুব দ্রুত তা বাস্তবায়নের ক্ষমতা সীমাবদ্ধ। সুস্থ অর্থনীতিতে পণ্যের দাম কিছুটা কমতে পারে, কিন্তু কয়েক বছরের মূল্যবৃদ্ধি পুষিয়ে দাম আগের পর্যায়ে ফিরিয়ে নেয়া কঠিন। কারণ এ ধরনের ব্যাপক মূল্যপতন কর্মসংস্থান ও আয় কমিয়ে দিতে পারে, যা পরিবারগুলোর অবস্থাকে আরও সংকটাপন্ন করে তুলবে। তাই ডেমোক্রেট-নিয়ন্ত্রিত নতুন কংগ্রেস এবং অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রতিনিধিদের জন্য ভোটারদের পারিবারিক বাজেটে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা এখন বড় পরীক্ষা।

বাজেট ও নীতি অগ্রাধিকারবিষয়ক গবেষণা সংস্থা ‘সেন্টার অন বাজেট অ্যান্ড পলিসি প্রায়োরিটিজ’-এর ফেডারেল বাজেট নীতির জ্যেষ্ঠ পরিচালক ব্রেন্ডান ডিউক বলেন, মূল্যস্ফীতি পুরোপুরি ২০১৯ সালের পর্যায়ে ফিরিয়ে নেয়া অসম্ভব হলেও নীতিগত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে অনেক ধাক্কা সামাল দেয়া সম্ভব। তার মতে, স্বাস্থ্যবিমায় ভর্তুকি পুনর্বহাল, খাদ্য সহায়তা কর্মসূচিতে কাটছাঁট প্রত্যাহার এবং ইরান যুদ্ধের অবসান সাধারণ মানুষের ব্যয় কমাতে সহায়ক হতে পারে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সম্মতি ছাড়া এসব বাস্তবায়ন করা কঠিন। এছাড়া বেকারত্ব বাড়ার আশঙ্কা কিংবা এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের বিনিয়োগ-বুদ্বুদ ফেটে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি মানুষের ক্রয়ক্ষমতার সংকটকে আড়াল করে দিতে পারে, কিন্তু তা সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয়। তবে এর সঙ্গে বড় একটি শর্ত রয়েছে: প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এসব পদক্ষেপে সম্মতি দেবেন কিনা, তা নিশ্চিত নয়।

বর্তমানে পারিবারিক ব্যয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্রেটদের হাতে সীমিত। নির্বাচনে জয়ের পর বাজারে প্রত্যাশার প্রভাবে তেলের দাম কিছুটা কমলেও জ্বালানির চূড়ান্ত দাম অনেকাংশে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। কংগ্রেস চাইলে শুল্ক প্রত্যাহারের পক্ষে ভোট দিতে পারে, যাতে আমদানি করা পণ্য ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যয় কমতে পারে। কিন্তু এতে ট্রাম্পের ভেটো দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো শুল্ক কমার সুবিধা ভোক্তাদের দেবে—এমন নিশ্চয়তাও নেই। একইভাবে অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্টের ভর্তুকি পুনর্বহাল বা মেডিকেইডে কাটছাঁট প্রত্যাহারের মতো পরিকল্পনাগুলোও রাজনৈতিক মতপার্থক্য ও ভেটো ক্ষমতার বাধার মুখে পড়তে পারে। তাদের কেউ কেউ খাদ্যপণ্য ও জ্বালানির মূল্য নিয়ন্ত্রণে নির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথাও বলেছেন। ফলে যে স্বস্তি দেয়ার চেষ্টা, শেষ পর্যন্ত তাতে পরিবারগুলো আগের চেয়েও খারাপ অবস্থায় পড়তে পারে।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, ডেমোক্রেট সিনেট প্রার্থীদের অনেকে নিত্যপণ্য ও জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণের অঙ্গীকার করেছিলেন। টেক্সাসের নবনির্বাচিত আইনপ্রণেতা জেমস তালারিকো শুল্ক প্রত্যাহার ও বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। অন্যদিকে, নর্থ ক্যারোলাইনার রয় কুপার ‘সবকিছুর দাম কমানোর’ অঙ্গীকার করেছেন এবং সাউথ ক্যারোলাইনার অ্যানি অ্যান্ড্রুজ ফেডারেল গ্যাস কর সাময়িকভাবে স্থগিত করার প্রস্তাব দিয়েছেন। অঙ্গরাজ্য পর্যায়ে সহায়তা কর্মসূচির সুযোগ তৈরি হওয়ায় টেক্সাসের নতুন গভর্নর জিনা হিনোজোসা বাসিন্দাদের ১ হাজার ৫০০ ডলারের রিবেট বা অর্থ ফেরত দেয়ার চেক প্রদানের পরিকল্পনা সামনে এনেছেন।

তবে এসব উদ্যোগ নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে। ডাবললাইন ক্যাপিটালের প্রধান নির্বাহী ও ধনকুবের বিনিয়োগকারী জেফ গান্ডলাখ এক্সে দেয়া পোস্টে মন্তব্য করেছেন, নতুন ডেমোক্রেট সংখ্যাগরিষ্ঠদের জন্য ‘সাশ্রয়ী জীবনযাপন’ ভোটারদের দেয়া মূল দায়বদ্ধতা। তার মতে, দ্রুত দাম কমানোর জন্য জাদুর কাঠির প্রয়োজন হবে অথবা মানুষকে সরাসরি অর্থ সহায়তা দিতে হবে, যাতে উচ্চমূল্যকে সহনীয় করা যায়। তবে এতে মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যায় না।

দীর্ঘমেয়াদে ক্রয়ক্ষমতা পুনরুদ্ধারে পণ্যের দাম আগের জায়গায় ফিরিয়ে নেয়া নয়, বরং মূল্যস্ফীতির চেয়ে দ্রুত মজুরি বৃদ্ধির হার লক্ষ্য হতে পারে। তবে এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীরগতির এবং রাজনৈতিকভাবে আকর্ষণীয় নয়। পাশাপাশি নতুন করে মূল্যস্ফীতির ধাক্কা আসবে না—এমন নিশ্চয়তাও নেই। কংগ্রেসে বড় জয় পেলেও ডেমোক্রেটদের হাতে প্রেসিডেন্টের ভেটো ঠেকানোর মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই, আর অর্থনীতি নিয়ে অসন্তোষের দায় সাধারণত প্রেসিডেন্টকেই বহন করতে হয়। তবুও ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হোয়াইট হাউসে ফেরা ও কংগ্রেসে আধিপত্য ধরে রাখতে ডেমোক্রেটদের জন্য এখনই জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়া জরুরি।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত