ক্যাম্পাস
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ, পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে আগামী ২২ থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ক্যাম্পাস ক্লিনিং সপ্তাহ’ পালন করা হবে। ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্ন রাখতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
আজ বুধবার (৪ নভেম্বর ২০২৬) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে তাঁর সম্মেলন কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা-সংক্রান্ত এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ক্যাম্পাসের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের বিদ্যমান পরিস্থিতি, সীমাবদ্ধতা, ব্যবস্থাপনা, তদারকি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তর প্রধান, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ, ইনস্টিটিউটের পরিচালকবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস আয়তনে ছোট হলেও এটিকে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তুলতে সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এ জন্য প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া নির্দেশনা এবং শিক্ষক সমিতির প্রস্তাবনার আলোকে ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। একটি ছোট ক্যাম্পাসকে দৃষ্টিনন্দন ও পরিচ্ছন্ন রাখতে হলে প্রথমেই আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন আনতে হবে। ক্যাম্পাসকে নিজের জায়গা মনে করে এর পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন ক্যাম্পাসের বর্তমান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতি এবং এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে তাঁর পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। তিনি ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিবেশ উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত উদ্যোগ ও নিয়মিত তদারকির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় শিক্ষক সমিতি কর্তৃক গঠিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম তদারকি কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম: একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন প্রয়োগ’ শীর্ষক পরিকল্পনা প্রজেক্টরের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন। উপস্থাপনায় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ, দায়িত্ব বণ্টন, ময়লা-আবর্জনা ব্যবস্থাপনা, কার্যক্রমের সমন্বয় এবং নিয়মিত মনিটরিংয়ের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
সভায় উপস্থিত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ক্যাম্পাসের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে তাঁদের বিভিন্ন মতামত ও পরামর্শ প্রদান করেন। এ সময় পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নির্ধারিত অফিস সময়ে দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করা, ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যবর্ধন, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে সচেতনতামূলক সেমিনার, সভা ও অন্যান্য কার্যক্রম আয়োজনের প্রস্তাব করা হয়। ‘আমার ক্যাম্পাস পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব আমার’—এমন মনোভাব শিক্ষার্থীদের মধ্যে গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় মতামত দেওয়া হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি স্থান ও স্থাপনার পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্ব নির্ধারণ করা হলে প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারবেন। পাশাপাশি নিয়মিত তদারকি ও মনিটরিংয়ের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
সভায় ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর, বিভাগ ও ব্যক্তির মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে কেবল নির্দিষ্ট সময়ের কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নিয়মিত চর্চায় পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
উল্লেখ্য, গৃহীত উদ্যোগের অংশ হিসেবে আগামী ২২ নভেম্বর থেকে ২৬ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ক্যাম্পাস ক্লিনিং সপ্তাহ’ পালন করা হবে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
M

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ, পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে আগামী ২২ থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ক্যাম্পাস ক্লিনিং সপ্তাহ’ পালন করা হবে। ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্ন রাখতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
আজ বুধবার (৪ নভেম্বর ২০২৬) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে তাঁর সম্মেলন কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা-সংক্রান্ত এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ক্যাম্পাসের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের বিদ্যমান পরিস্থিতি, সীমাবদ্ধতা, ব্যবস্থাপনা, তদারকি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তর প্রধান, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ, ইনস্টিটিউটের পরিচালকবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস আয়তনে ছোট হলেও এটিকে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তুলতে সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এ জন্য প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া নির্দেশনা এবং শিক্ষক সমিতির প্রস্তাবনার আলোকে ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। একটি ছোট ক্যাম্পাসকে দৃষ্টিনন্দন ও পরিচ্ছন্ন রাখতে হলে প্রথমেই আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন আনতে হবে। ক্যাম্পাসকে নিজের জায়গা মনে করে এর পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন ক্যাম্পাসের বর্তমান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতি এবং এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে তাঁর পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। তিনি ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিবেশ উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত উদ্যোগ ও নিয়মিত তদারকির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় শিক্ষক সমিতি কর্তৃক গঠিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম তদারকি কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম: একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন প্রয়োগ’ শীর্ষক পরিকল্পনা প্রজেক্টরের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন। উপস্থাপনায় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ, দায়িত্ব বণ্টন, ময়লা-আবর্জনা ব্যবস্থাপনা, কার্যক্রমের সমন্বয় এবং নিয়মিত মনিটরিংয়ের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
সভায় উপস্থিত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ক্যাম্পাসের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে তাঁদের বিভিন্ন মতামত ও পরামর্শ প্রদান করেন। এ সময় পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নির্ধারিত অফিস সময়ে দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করা, ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যবর্ধন, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে সচেতনতামূলক সেমিনার, সভা ও অন্যান্য কার্যক্রম আয়োজনের প্রস্তাব করা হয়। ‘আমার ক্যাম্পাস পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব আমার’—এমন মনোভাব শিক্ষার্থীদের মধ্যে গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় মতামত দেওয়া হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি স্থান ও স্থাপনার পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্ব নির্ধারণ করা হলে প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারবেন। পাশাপাশি নিয়মিত তদারকি ও মনিটরিংয়ের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
সভায় ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর, বিভাগ ও ব্যক্তির মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে কেবল নির্দিষ্ট সময়ের কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নিয়মিত চর্চায় পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
উল্লেখ্য, গৃহীত উদ্যোগের অংশ হিসেবে আগামী ২২ নভেম্বর থেকে ২৬ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ক্যাম্পাস ক্লিনিং সপ্তাহ’ পালন করা হবে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
M
