জাতীয়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মোংলা বন্দর সফরে যাচ্ছেন। এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে গৃহীত বন্দরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বন্দরে দুটি নতুন কন্টেইনার জেটি, আধুনিক ইয়ার্ড ও আনুষঙ্গিক অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। এর আগে গত ২২ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী নিজে বন্দর এলাকা পরিদর্শন করে এর উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের সম্ভাবনাগুলো যাচাই করেছিলেন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) তার মোংলা যাওয়ার কথা রয়েছে। এই চুক্তির ভিত্তিতেই প্রকল্পটির উদ্বোধন হতে যাচ্ছে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা জানান, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরকালে এই প্রকল্পের উন্নয়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর ধারাবাহিকতায় গত ১০ অক্টোবর বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ঋণ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সম্পন্ন হয়েছে। এই বিশাল প্রকল্পের আওতায় কন্টেইনার জেটি ও ইয়ার্ড নির্মাণের পাশাপাশি পণ্য ওঠানামা ও পরিবহনের জন্য ৪৯টি অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন করা হবে। প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে বাংলাদেশ সরকার ৪৭৫ কোটি টাকা জোগান দেবে এবং বাকি অর্থের জোগান দেবে সংশ্লিষ্ট চীনা প্রতিষ্ঠান।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের মধ্যে রেলওয়ে সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দর থেকে কন্টেইনার পরিবহনে রেলসেবা চালু হবে, যা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার করবে এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের পথ প্রশস্ত করবে। এর ফলে ব্যবসায়ীদের আগ্রহ বাড়বে, পাশাপাশি বন্দরে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।
বন্দরকে ঘিরে বড় এই কর্মযজ্ঞের মাঝে মোংলা বন্দর বার্থ শিপ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. জুলফিকার আলী বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে বেশ কিছু জরুরি প্রস্তাব তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, বন্দরের চ্যানেলে নিয়মিত ড্রেজিং ও সংরক্ষণ, সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, ফয়লা বিমানবন্দর চালু এবং বন্দরের আকরাম পয়েন্টে দ্রুত এলএনজি স্টেশন নির্মাণ করা হলে বন্দর ব্যবহারকারীরা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মোংলা বন্দর সফরে যাচ্ছেন। এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে গৃহীত বন্দরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বন্দরে দুটি নতুন কন্টেইনার জেটি, আধুনিক ইয়ার্ড ও আনুষঙ্গিক অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। এর আগে গত ২২ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী নিজে বন্দর এলাকা পরিদর্শন করে এর উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের সম্ভাবনাগুলো যাচাই করেছিলেন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) তার মোংলা যাওয়ার কথা রয়েছে। এই চুক্তির ভিত্তিতেই প্রকল্পটির উদ্বোধন হতে যাচ্ছে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা জানান, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরকালে এই প্রকল্পের উন্নয়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর ধারাবাহিকতায় গত ১০ অক্টোবর বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ঋণ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সম্পন্ন হয়েছে। এই বিশাল প্রকল্পের আওতায় কন্টেইনার জেটি ও ইয়ার্ড নির্মাণের পাশাপাশি পণ্য ওঠানামা ও পরিবহনের জন্য ৪৯টি অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন করা হবে। প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে বাংলাদেশ সরকার ৪৭৫ কোটি টাকা জোগান দেবে এবং বাকি অর্থের জোগান দেবে সংশ্লিষ্ট চীনা প্রতিষ্ঠান।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের মধ্যে রেলওয়ে সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দর থেকে কন্টেইনার পরিবহনে রেলসেবা চালু হবে, যা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার করবে এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের পথ প্রশস্ত করবে। এর ফলে ব্যবসায়ীদের আগ্রহ বাড়বে, পাশাপাশি বন্দরে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।
বন্দরকে ঘিরে বড় এই কর্মযজ্ঞের মাঝে মোংলা বন্দর বার্থ শিপ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. জুলফিকার আলী বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে বেশ কিছু জরুরি প্রস্তাব তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, বন্দরের চ্যানেলে নিয়মিত ড্রেজিং ও সংরক্ষণ, সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, ফয়লা বিমানবন্দর চালু এবং বন্দরের আকরাম পয়েন্টে দ্রুত এলএনজি স্টেশন নির্মাণ করা হলে বন্দর ব্যবহারকারীরা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
